
জাহাঙ্গীর বাবু
এই মুহুর্তের জনসমাগম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত ছাড়া আর কিছু নয়।তাও কর্মস্থল খুলে দেয়ার দিকেই সিদ্ধান্তের কাঁটা ঘুরছে। এয়ারপোর্টে থেকে বেরিয়ে কোরোনা পৌছালো টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া,ঢাকা শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল,গ্রাম,গঞ্জের আনাচে কানাচে আজ অবধি ৬০ জেলায় করোনার বিস্তার।কার্ফিউ না দেয়াতেই হয়তো এই হাল,সরকারের নমনীয়তায় যেমন দায়ী,দায়ী আমাদের অহাম্মকি,বেহাপনায়,অন্ধতায়। লকডাউন,ঘরে থাকা যেন কানমাছি আর বউচি খেলা। কিছু খোলা,কিছু বন্ধ নীতিতে আক্রান্তের জাল বিস্তৃত করেছে।আরো কয়েক সাপ্তাহ সব শতভাগ বন্ধ রাখা করোনা বিস্তারের সংখ্যায় লাগাম দিতে পারে বলেই প্রতীয়মান।
সীমিত আকারে গার্মেন্টস,ফ্যাক্টরী চালু হলে মসজিদ পুরা আকারে খুলে দেয়ার দাবী যৈক্তিক। করোনা ভাইরাস ছড়াতে পারে সেকেন্ডে,গার্মেন্টস, ফ্যাক্টরী চলবে সারাদিন,৮/১২/১৬/২৪ ঘন্টা,ওয়াক্ত নামাজ,৫/১০/১৫ মিনিট,তারাবী ৪৫ থেকে ৯০ মিনিট,গার্মেন্টস ফ্যাক্ট্রীতে স্বাস্থ্যবিধির যে নিয়ম মানা হবে মসজিদ, প্রার্থণা ঘরেও একই স্বাস্থ্যবিধির আইন করে খুলে দেয়া হউক। মসজিদ খুলে দেয়ার দাবী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্রমশই বাড়ছে। এই দাবী ইবাদত বন্দেগীর পাশাপাশি রমজান মৌসুমে এই দাবী আরো জোরালো।এই যুক্তির এক শ্রেনীতো সোচ্চার আজীবন।

সেকেন্ডেই যখন ভাইরাস ছড়াবে তখন মিনিট ঘন্টার হিসাব করে কি লাভ? তার চেয়ে কর্ম চলুক,ইবাদতও চলুক।জীবন চলুক স্বাভাবিক নিয়মে,জ্যাম,দুষনের সাথে।আমরাও বাড়ি ঘরে যাই,গ্রাম থেকে শহরে,শহর থেকে গ্রামে যাই। লক ডাউন যেন এক প্রহসন, নাটক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কিসের ইতালী,সিঙ্গাপুর,লন্ডন আমেরিকা,কিসের মক্কা মদীনার উদাহরন,পেটে ক্ষুদার জন্য কর্ম,ইহকাল পরকালের জন্য ধর্ম সব চলুক। জুজুর ভয়,মৃত্যু আর আক্রান্তের সংখ্যা দেখিয়ে আমাদের দমিয়ে রাখা যাবেনা।

তাই শিল্প,কলকারখানা,গার্মেন্টস,ফ্যাক্টরী একটিও যদি চলে,যানবাহন চলুক,মসজিদ,প্রার্থনা ঘর চলুক।
করোনার চিকিৎসা এমনিতেও নেই,এটাই সত্য,এন্টিবডি যার শরীরে ভালো সেই ভালো হবে,নয়তো মরণ নিশ্চিত।যতো বেশি টেষ্ট, তত বেশি আক্রান্ত পাওয়া যাবে,যা মরার তাই মরবে। জনসমাগম যতো বেশি তত বেশি আক্রান্ত হবে এটাই স্বাভাবিক।
আমাদের মানব জাতির প্রবণতা হলো যেখানে নিষেধ সেখানে আরো বেশি যাওয়া বা করা,হোক ইবাদত,বন্দেগী,সুকর্ম বা কুকর্ম।
কর্মক্ষেত্র খোলা রেখে,বাজার,ঘাট,যানবাহন খোলা রেখে মসজিদ, প্রার্থণা ঘর বন্ধ রাখা শিরক,কবিরা গুনাহঅর চেয়ে কম নয়।মারুক,মরুক যা হবার তাই হবে।রাখে আল্লাহ মারে কে? কলকারখানা মিল গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির চাকা ঘুরলেই মসজিদ খুলে দিন,স্বাস্থ্যবিধি কি মানা হবে সবাই জানেন,ডেঙুর প্রাদুর্ভাব বাড়ছে,শুধু করোনা কেন আগামীর প্রতিটি নিঃশ্বাসেই হবে নানান কিসিমের ভাইরাসের আক্রমন,এর মাঝে যা মরে যা বেঁচে থাকে।এ মহামারী চলবে নানা শিরোনামে।
২৬-৪-২০২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

