somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

PHC ভাবনা :: ২য় আপডেট (প্রস্তাবিত)

০৯ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথম লেখা

২য় আপডেট :
কারো উপকারে যদি কিছু করা হয়
চাওয়া যাবে না কভু তার বিনিময়
তবু উপকার করে যেতে হবে প্রতিক্ষণে।



হ্যাঁ, নিস্বার্থ ভাবেই কাজ করার জন্যই কিন্তু পি এইচ সি'র জন্ম।
গত ০৬ আগস্ট রাত ০৮ টায় অনলাইন এ ( PHC 2nd Metting ) ২য় সাধারন সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পিএইচসি সম্পর্কে নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। সেদিন কিংবা পরের দিনেও আমি আমার পক্ষ থেকে কোন মতামত ব্যক্ত করতে পারিনি বিভিন্ন কারণে। তবে আমি মনে করি এটি একটি সার্থক সভা হয়েছে।

সেদিনের কর্মসূচীর আলোচ্যবিষয় ছিল-
১. পি এইচ সির কাজে আগ্রহী ( এ পর্যন্ত ১২ জন) প্রত্যেকের পরিচয় ও অবস্থান।
২. পি এইচ সি কি এনজিও দের মত হবে নাকি হবে না।
৩. সর্বাধিক স্বচ্ছতার জন্য পি এইচ সি র কর্মকান্ড গুলো কেমন হতে পারে
৪. পি এইচসির বর্তমান অবস্থান। প্রপার্টি কতটুকু।
৫. ফেইসবুক ও সামইনে পি এইচ সি সম্পর্কে পোষ্ট প্রদান
৬. পি এইচ সি পরবর্তী অনলাইন সভা
৭. পি এইচ সি আওতাভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কয়টি
৮. পরবর্তী পি এইচ সি সভা বা আলোচনা কোথায় হবে
৯. পি এইচ সি কনফারেন্স
১০. পি এইচ সি র কার্যক্রমে উপস্থাপনের জন্য প্রবন্ধ ও স্লাইড তৈরী।

উক্ত আলোচ্য সুচীর আলোকে আমি আমার ব্যাক্তিগত মতামত গুলি তুলে ধরবো।
সুতরাং আমি একজন পি এইচ সি প্রতিনিধি হিসেবে আমার পরিচয় জানা দরকার বিধায় বলছি- আমি মু. জহির রহমান। লক্ষ্মীপুরেই জন্ম। এখনো এখানেই আছি। পেশা হিসেবে একটা প্রাইভেট কম্পানিতে ফটোগ্রাফার ও গ্রাফিক্স ডিজাইনার এর কাজ করছি। পড়ালেখার সম্পর্কে বলবো- আলিমে পড়েও যে কারণেই হোক আর পরীক্ষা দেওয়া হয়নি।

PHC কি NGO দের মতে হবে?
আমি বলবো এটা অবশ্যই বেসরকারী সংস্থা। সে হিসেবে NGO। কিন্তু তার কাজ গুলি NGO দের মতো হবেনা। অতীতেও অনেক NGO জন্ম হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। কিন্তু বিপন্ন মানুষগুলোর জন্য কিছুই করা হবেনা। আর তার প্রধান প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে- সমাজের প্রভাবশালীরা যারা এগুলো প্রতিষ্ঠা করে। প্রভাবশালীরা 'শুভ'র ভাষায় তিনটি দিকে নজর দেয়-
১. স্কুল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা।
২. রাজনীতি করা।
৩. NGO প্রতিষ্ঠা করা।
আর এগুলো সবগুলি করা হয় নিজেদের HIGHLIGHTS করার জন্য। নানান খেতাবে ভুষিত হওয়ার জন্য। উদাহরণ স্বরুপ- ক. হাসপাতাল একটা করে কেউ নিজের নাম দিয়ে দিল, কিছু রোগীর চিকিৎসা হল। নিজের ব্যবসাটাও হল।
খ. রাজনীতিক প্রথমে টাকা ইনভেষ্ট করবে ফলে মন্ত্রী-এমপি হয়ে নিজে সুবিধা ভোগ করবে।
আর গ. NGO প্রথমে কয়েকজন একত্রিত হওয়া তারপর অবস্থাটা হয় এমন -

একটা এনজিও করার জন্য প্রথমেই রেজি অন্তত ৫০ হাজার টাকার। এবার অফিস স্টাফ, সেমিনার, পিসি অফিস একসেসরিজ, কনভেন্স, প্রজেক্ট প্রপোজালে চলে চায় প্রায় দশ লক্ষ টাকা। এই টাকাটা যারা দিবে তারা কিছু পাওয়ার সুযোগ থাকলে তা পুরোটাই তারা মেরে দেয়, একটুকু হাতছাড়া করা হয় না।

সুতরাং PHC- NGO দের মতো হওয়ার প্রশ্নই ওঠেনা। কারণ দশলক্ষ NGO হলেও বিপন্ন মানুষের অবস্থার উন্নতি হবেনা। পি এইচ সি থেকে যেহেতু কারো নেওয়ার সুযোগ থাকবেনা কারণ এখানে আপনাকেই দিতে হবে বাড়তি বা অবশিষ্ট সময় এবং অর্থ। আর খরচ গুলো অবশ্যই হবে প্রকাশ্য এবং স্পষ্ট। যাদের বাড়তি সময় ও অর্থ আছে তারাই এটা করবে। যাদের অর্থ নাই তারাও করবে, কেননা- তার নিজের না থাকলেও সে নিজ উদ্যেগে অর্থ সংগ্রহ করতে পারবে।

আরেকটা বিষয় হলো- কেন্দ্রীয় কোন ফান্ড হবেনা। এ ব্যাপারে স্পষ্টতার জন্য নানা নিয়ম প্রস্তাব করা হয়েছে। এর সুবিধার চাইতেও অসুবিধাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কেননা আমরতো অসুবিধা শব্দটা দূর করতে চাচ্ছি। তবে অদূর ভবিষ্যতে হয়ত কাজের আলোকে কেন্দ্রীয় ফান্ডের ব্যাপারটা ভাবা যাবে। এটা এখন সময়ের অপেক্ষা।

প্রতিনিধি প্যানেলের অনলাইনে প্রত্যেক প্রতিনিধির তালিকা, স্থান, এবং পরস্পর যোগাযোগের জন্য ই-মেইল থাকবে। আর অবশ্যই প্রতিনিধিরা দেওয়া ছাড়া কখনও পাওয়ার আশায় প্রতিনিধি হতে পারবেনা।

PHC তার কর্মকান্ড সুষ্টু ও সুন্দর ভাবে পরিচালনা মাধ্যমে Model বা নমুনা হতে পারে পৃথিবী জুড়ে। এ কারণে আমরা একটা সিস্টেমের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আর এজন্যেও এটিকে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য রাখতে হবে।

ফেসবুক সহ অন্যান্য ব্লগে লেখালেখি সম্পর্কে বলবো- ফেসবুকে এখন খুব একটা বসি না যার কারণে সেখানে লেখা হয়না। তবে Some Where in Blog এ এবং Sonar Bangladesh এবং OPEST ব্লগ এ লেখালেখি শুরু করছি। প্রত্যেকেরই লেখা দেওয়া দরকার যে কোন ব্লগে। এই ব্যাপারে সকল প্রতিনিধি এবং ইচ্ছুক ব্যাক্তির দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

PHC'র আগামী অনলাইন সভাটির ব্যাপারে বলবো- ওপেস্টেও করা যায়। তবে Live করতে পারলে ভালো হতো। যেমন- Nimbuzz কিংবা mig33'র মাধ্যমেও কিন্তু Live Chat করা যায়। তবে mig33 তে একটা রুম খুললে সর্বোচ্ছ ২৫ জনের এক দারুন Program করা যায়। তবে অসুবিধা হলো নিজস্ব একাউন্ট খুলতে হবে। এই ব্যাপারটাও চিন্তা করার প্রস্তাব করছি। আর পরবর্তী সভাও হবে অনলাইনে। হয়তো ওপেস্টেই। তবে শিডিউল দেওয়ার ব্যাপারে বলবো যেই প্রস্তাব করুকনা কেন যেন সকলের মতামত নিয়ে তারিখ এবং সময় নির্ধারন করা হয়।

PHC আওতাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বলবো- যেহেতু আমাদের প্ল্যান হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কার্যক্রম শুরু করার সুতরাং আমরা ধরে নিতে পারি আমরা প্রত্যেকেরই একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু করতে হবে ব্যাপারটা কিন্ত এমন না। যেহেতু আমরা মানব উন্নয়নে কাজ করতে চাই। সুতরাং এটা সমাজ থেকেও শুরু করা যায়।

PHC Confarence সম্পর্কে বলবো- এটা সময়ের দাবী। প্রাথমিক কাজ গুলো শেষ হলে এ সম্পর্কে ভাবা যাবে। তাছাড়া এত কম সংখ্যক প্রতিনিধি নিয়ে একটা কনফারেন্স করাটা ঠিক হবেনা। আর এটা করার সময় এখনো আসেনি। আশা করি পরবর্তী বাস্তবতার আলোকে সকলের মতামতের উপর ভিত্তি করে এটি সম্পাদিত হবে।

PHC'র কার্যক্রমের উপর অবশ্যই প্রবন্ধ লেখার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। তাছাড়া প্রতিমাসের শেষ তারিখ মাসের কাজের উপর প্রতিবেদন এবং আগামী মাসের পরিকল্পনা করে তা অনলাইনে পোস্ট করার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। এতে অন্যের যেমন কাজের মানুষিকতা প্রবল হবে তেমনি একে অন্যের কর্মকান্ড সম্পর্কে জানা-শোনার সুযোগ থাকবে। আর তাতেও অন্তত আসতে পারে কিঞ্চিৎ পরিমাণ সাফল্যও।

যদিও কেন্দ্রীয় কোন কমিটি থাকবেনা তারপরও প্রাথমিক অবস্থায় PHC'র কর্মকান্ড, গঠনপ্রণালীসহ নানাবিধ সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য অন্তত নির্ধারিত সময়ের জন্য উপদ্রেষ্টা প্যানেল গঠন করা জরুলী এবং সময়ের দাবী। অন্যথায় একটা সিদ্ধান্তে উপনীত হতে খুবই কষ্টকর হবে, হয়তো একটা সিদ্ধান্তও আসতে পারবোনা। প্রাথমিক কাজগুলি এখনো শেষ হয়নি। এ কারণে শুভ'কে প্রধান করে আল-মারুফ হোসাইন জিতু, বেলাল উদ্দিন, আবু বকর সিদ্দিকী, হাসনাহেনা মুন্নি, বাবুল হোসাইন, আখতারুজ্জামান ভূঁইয়া সহকারে ১০/১৫ সদস্যর উপদ্রেষ্টা প্যানেল গঠন করে PHC'র কর্মকান্ড, গঠনপ্রনালী নির্ধারনসহ প্রাথমিক সমস্যা গুলো সমাধানের জন্য প্রস্তাব করছি। এবং উক্ত কাজগুলি শেষে উপদ্রেষ্টা প্যানেল অটোমেটিক বিলুপ্ত।

২য় আপডেট সম্পর্কে বলবো : প্রথম আপডেটটি লেখার পর যথেষ্ট সাড়া পাওয়ায় ২য় আপডেটটি লিখলাম। আশা করি আমার প্রস্তাবনা গুলো সকলের দৃষ্টি আকর্ষিত করবে। আর এই ব্যাপারে সকল PHC প্রতিনিধিদের গঠন মুলক সমালোচনা আহবান করছি।
আর যারা আমাদের সাথে কাজ করতে ইচ্ছুক এবং বিস্তারিত জানতে চান তারা নিছের লিংকটিতে যান- View this link
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:৩৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমরা একটা অস্থিতিশীল সময় পার করছি – আমাদেরকে সংযমী হতে হবে

লিখেছেন শোভন শামস, ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:০৭


আমরা এখন এমন একটা সময় পার করছি যা আগে কখনো দেখিনি। ইরানের এই যুদ্ধ যদি দীর্ঘায়িত হয় তাহলে আমাদের জীবন ও জীবিকার উপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। আমরাও এখন প্রযুক্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন আমি ইরানের বিরুদ্ধে

লিখেছেন অর্ক, ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩



আমার একটি অভিজ্ঞতা বলছি। বেশ ক'বছর আগে ইরানি ফুটবল দল বাংলাদেশে টুর্নামেন্ট খেলতে এসেছিলো। খেলেছিলো বাংলাদেশের সাথেও। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে হয়েছিলো খেলা। সরাসরি দেখেছিলাম। সে এক ভয়ানক অভিজ্ঞতা। ইরানের বেশিরভাগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন সরকারের প্রতিশ্রুতির জোয়ার: টাকা আসবে কোথা থেকে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০২


ক্ষমতায় বসার এক মাস পেরোতে না পেরোতেই নতুন সরকার একের পর এক ঘোষণা দিয়েই যাচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষি ঋণ মওকুফ, ইমাম-মুয়াজ্জিন ভাতা, ২০ হাজার কিলোমিটার খাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগার কালপুরুষ আর আমাদের মাঝে নেই।

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:০১

সেই ২০০৬ সাল থেকে বাংলা ব্লগের শুরুর সময়টা থেকে তিনি ছিলেন আমাদের আড্ডার প্রাণকেন্দ্র। প্রথম অফলাইন আড্ডাগুলি হত তারই সাথে। সময়ের চাপে আমাদের দেখা হত না হয়ত কিন্তু মনে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশের ভেতরে আরেক দেশ: জঙ্গল সলিমপুরের অন্ধকার বাস্তবতা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১০ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:২৫

বাংলাদেশের ভেতরেই এমন কিছু এলাকা আছে, যেগুলোকে অনেকেই আড়ালে–আবডালে “দেশের ভেতরে আরেক দেশ” বলে উল্লেখ করেন। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর তারই একটি উদাহরণ। দীর্ঘদিন ধরে দুর্গম পাহাড়ি এই অঞ্চলটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×