somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দু-দণ্ড শান্তির পরেও যে তৃষ্ণা থাকে : বনলতা সেন - সিনেমা [স্পয়লার এলার্ট]

০১ লা জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সিনেমা হলের আলো নিভলে একটা চুক্তি হয়। পরিচালক বলেন; আমাকে বিশ্বাস করো, আমি তোমাকে কোথাও নিয়ে যাব। দর্শক রাজি হয়ে চোখ মেলে বসে থাকেন। মাসুদ হাসান উজ্জ্বলের বনলতা সেন সেই চুক্তি রাখে; কিন্তু পুরোপুরি না। যতটুকু রাখে, সেটা অসাধারণ। যতটুকু রাখে না, সেটা বেদনাদায়ক; কারণ এই সিনেমার সম্ভাবনা ছিল অপরিসীম।

১) গল্পের কাঠামো; দুটো সমান্তরাল জীবন

জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কবিতা অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমা কবিতার আক্ষরিক রূপান্তর নয়। পরিচালক আরো সাহসী পথ বেছেছেন। সিনেমায় দুটো সমান্তরাল গল্প একসাথে চলে। একদিকে আছেন স্বয়ং কবি জীবনানন্দ দাশ; খায়রুল বাসার অভিনীত; দারিদ্র্যে, নিঃসঙ্গতায়, অস্বীকৃতিতে ডুবে থাকা এক মানুষ, যিনি শিল্পের জন্য সংসারের সমস্ত সুখ বিসর্জন দিয়েছেন।

অন্যদিকে আছে মহীন; সোহেল মণ্ডল অভিনীত; এক অদ্ভুত, উদ্ভট, পলায়নপর মানুষ, যে বনলতা সেন কবিতা পড়ে মুগ্ধ হয়ে সেই নারীকে বাস্তবে খুঁজতে বেরিয়ে পড়েছে।

এই দুটো গল্পের সংযোগবিন্দুতেই সিনেমার দার্শনিক প্রশ্নটা দাঁড়িয়ে আছে; বনলতা সেন কি সত্যিই কোথাও ছিলেন? নাকি তিনি কবির মনের ভেতর থেকে জন্ম নেওয়া এক চিরঅধরা আদর্শ?

মূল কাঠামো বোঝার আগে একটা জরুরি কথা: এই সিনেমাটা জীবনানন্দের কবিতার সরাসরি "অ্যাডাপটেশন" না। এটা মৌলিক গল্প, যা কবিতার অনুপ্রেরণায় তৈরি ; কাব্যের মূল সুরকে ঠিক রেখে এক অন্বেষণের গল্প বলে। অর্থাৎ কবিতাটাকে হুবহু দেখানো হয়নি, বরং কবিতার ভেতরের যে "খোঁজ"; সেটাকেই গল্পে রূপ দেওয়া হয়েছে।

বনলতা সেন একটি অসম্পূর্ণ মাস্টারপিস। এটি পূর্ণ সফল নয়, কিন্তু এর ব্যর্থতাও সাধারণ ব্যর্থতা নয়; এ হলো উঁচুতে উঠতে গিয়ে পড়ে যাওয়ার ব্যর্থতা। এটা মূলত একটা কাব্যিক সিনেমা (Poetic Drama)। এখানে সরাসরি গল্প বলার চেয়ে অনুভূতি, প্রতীক, আর দৃশ্যকাব্যকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যেভাবে জীবনানন্দের কবিতা পড়লে সরাসরি "মানে" বের করা যায় না, কিন্তু একটা অনুভূতি ভেতরে ঢুকে ;এই সিনেমাও সেভাবেই কাজ করে। এটা "বোঝার" সিনেমা না, "অনুভব করার" সিনেমা।



২) মহীন; সিনেমার সবচেয়ে জীবন্ত সৃষ্টি

সোহেল মণ্ডলের মহীন চরিত্রটি এই সিনেমার সবচেয়ে বড় অর্জন।
মহীনকে প্রথম দেখা যায় আমেরিকান কাউবয় পোশাকে, ঘোড়ায় চেপে, একটা গ্রামীণ চায়ের দোকানে। এই দৃশ্যটা absurd; কিন্তু সেই absurdity-ই তার পরিচয়। কাউবয় পশ্চিমা সংস্কৃতিতে একাকী পথিকের প্রতীক, যে কোনো সীমানায় বাঁধা পড়ে না। আর বাংলার গ্রামীণ চায়ের দোকান একদম শেকড়ের প্রতীক। মহীন এই দুই জগতের মাঝখানে দাঁড়িয়ে; সে বাংলার সন্তান, অথচ তার ভেতরে একটা চিরঅস্থির wanderer।

মহীনের ছোট ঘরটি একটি পূর্ণ কবিতা। বই আর বই; মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত। দিনের পর দিন স্নান নেই, সংসারের কোনো চিহ্ন নেই। আর সিলিং থেকে ঝুলছে একটা মানুষের মূর্তি; ঝাঁপ দেওয়ার ভঙ্গিতে; যার নাম সে দিয়েছে "মরিবার হলো তার সাধ।"

মৃত্যুকে সে দূরে রাখেনি, নাম দিয়ে কাছে রেখেছে। জীবনানন্দের সেই মৃত্যুচিন্তা; যা তাঁকে সারাজীবন তাড়া করেছিল; মহীন সেটাকে ঘরের সাজসজ্জায় পরিণত করেছে।

মহীন আসলে জীবনানন্দের সেই অংশ যেটা জীবনানন্দ কখনো হতে পারেননি। যে বিদ্রোহ বাইরে আসেনি, যে সাহস কবিতায় আটকে গেছে; মহীন তার শরীরী রূপ। জীবনানন্দ বনলতাকে সৃষ্টি করেছিলেন কিন্তু বাস্তবে কখনো খোঁজেননি। মহীন সেই খোঁজটাই নিজে করতে বেরিয়েছে; কারণ সে জীবনানন্দের অপ্রকাশিত সাহস।

সিনেমায় বারবার দেখি; মহীন কিছু একটার গন্ধ পায়। সাদা রুমাল নাকে চেপে দৌড়ে পালায়।
এটা দেখে আমার বুকে কিছু একটা টনটন করে উঠল। কোনো এক অদৃশ্য গন্ধ পেয়ে সে সাদা রুমাল নাকে চেপে দৌড়ে পালায়। এই motif-টি সিনেমার সবচেয়ে কাব্যিক উদ্ভাবন।

জীবনানন্দের কবিতায় গন্ধ স্মৃতির, শিকড়ের, অতীতের প্রতীক। মহীন যে গন্ধ পাচ্ছে সেটা হয়তো বনলতার অস্তিত্বের গন্ধ; সে কাছে আছে; কিন্তু সেই উপস্থিতি এত তীব্র যে সহ্য হয় না। যা তুমি সারাজীবন খোঁজো, তার সত্যিকারের সামনে দাঁড়ালে ভয় লাগে; এই সত্যটাই মহীন বারবার দৌড়ে বলে যায়।

জীবনানন্দ কবিতায় বনলতাকে পেয়েছিলেন; সেটাই তাঁর কাছে যথেষ্ট ছিল। কবিতার ভেতরে সেই দুদণ্ড শান্তি পেয়েছিলেন। বাস্তবে গিয়ে খোঁজার সাহস বা ইচ্ছা কোনোটাই তাঁর ছিল না। মহীন হলো সেই সাহস যেটা জীবনানন্দের ছিল না।

মহীন বলছে; "তুমি যদি সত্যিই বিশ্বাস করো বনলতা আছে, তাহলে খুঁজতে বেরোও।" জীবনানন্দ পারেননি, তাই তাঁর শ্যাডো সত্তা সেই কাজটা নিজে করতে বেরিয়েছে।

এটা আরেকভাবেও পড়া যায় —
মহীন আসলে পাঠকের প্রতিনিধি। আমরা যারা বনলতা সেন পড়ি, আমরাও মহীনের মতোই ভাবি; এই নারী কি সত্যিই ছিলেন? কোথায় ছিলেন? মহীন সেই প্রশ্নটাকে সরাসরি action-এ রূপ দিয়েছে।

সিনেমায় দেখা যায় এক বাংলার অধ্যাপিকার সাথে মহীনের বই লেনদেন ও আবেগ ও ব্যক্তিগত একটা দৃশ্য। এই দৃশ্যটাও প্রতীকী। দুজন মিলে বনলতাকে নিয়ে গবেষণা করছে; জীবনানন্দ কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, সিংহল, মালয়, হাজার পথ; এবং একই সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে।

এটা বলছে; বনলতার খোঁজ শুধু বুদ্ধিবৃত্তিক না, এটা আবেগের, শরীরের, পূর্ণ মানবিক অভিজ্ঞতার। মহীন বনলতাকে শুধু কাগজে-কলমে খুঁজছে না; সে পুরো সত্তা দিয়ে খুঁজছে।

৩) শোভনা, লাবণ্য এবং প্রশ্ন:

সিনেমার emotionally জটিল অংশ হলো জীবনানন্দের দুই নারীকে নিয়ে। শোভনা; কবির কাজিন, প্রথম প্রেম, যে প্রেম সমাজ পূর্ণ হতে দেয়নি। জীবনানন্দ স্বীকার করেন তিনি সব লেখাই শোভনাকে ভেবে লেখেন। শোভনা তাঁর creative origin; যে ক্ষত থেকে কবিতার জন্ম।
আর লাবণ্য গুপ্ত; স্ত্রী, দারিদ্র্যের সঙ্গী, বাস্তবের আশ্রয়। তিনি একদিন বনলতা সেনের খসড়া পড়েন। এবং কবিকে বলেন; "আমিই বনলতা সেন।"

এই দৃশ্যটি সিনেমার হৃদয়। লাবণ্যের এই কথাটি দাবি নয়, আর্তনাদ। তিনি বলছেন; এত কাছে থেকেও কি তোমার কবিতায় আমার জায়গা নেই? কবি চুপ থাকেন। কারণ উত্তর দেওয়া অসম্ভব। লাবণ্যকে "না" বলা নিষ্ঠুরতা, "হ্যাঁ" বলা মিথ্যা। বনলতা শোভনাও না, লাবণ্যও না; সে সেই চিরঅধরা আদর্শ যাকে কোনো বাস্তব মানুষ ধারণ করতে পারে না।

শিল্পীর জীবনের সবচেয়ে পুরনো ট্র্যাজেডি এখানে; যে মানুষ তোমাকে সৃষ্টি করতে অনুপ্রাণিত করে, আর যে মানুষ তোমাকে বাঁচিয়ে রাখে; এই দুজন কখনো এক হয় না।

৪) কমলালেবু এবং Magical Realism:

সিনেমার সবচেয়ে সাহসী দৃশ্য হলো জীবনানন্দের ট্রাম দুর্ঘটনার মুহূর্ত। ট্রামের চাকার নিচে পড়ে যাওয়ার সময় তাঁর শরীর থেকে অজস্র কমলালেবু ঝরে ঝরে পড়তে থাকে।
এটি Magical Realism; লাতিন আমেরিকার সাহিত্যে যেটি গার্সিয়া মার্কেজের হাতে পরিণতি পেয়েছিল, বাংলা সিনেমায় এভাবে প্রায় আসেনি। কমলালেবু এখানে নিছক ফল নয়; এটি জীবনের রস, প্রকৃতির সাথে কবির সংযোগ, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে; সেই সব অলিখিত কবিতা যেগুলো আর লেখা হবে না। একজন কবির মৃত্যু মানে শুধু একজন মানুষের মৃত্যু নয়; তার ভেতরে জমে থাকা সব না-বলা কথাও মরে যায়। সেই না-বলা কথাগুলোই কমলালেবু হয়ে রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ছে।

৫) সিনেমার শেষ; "দু-দণ্ড কেন?



সিনেমার শেষপর্বে মহীন অবশেষে বনলতার মুখোমুখি হয়। দুজনের মধ্যে দীর্ঘ, ধীর, শাব্দিক আলাপ; প্রেম, শান্তি, জীবনের অর্থ নিয়ে। তারপর তিনজনের দেখা; মহীন, বনলতা, এবং কবি।

এই মুহূর্তে বনলতা কবিকে জিজ্ঞেস করেন; "শান্তিই যখন পেলে, কেবল দু-দণ্ড কেন?"
এই প্রশ্নটি সিনেমার সবচেয়ে গভীর উচ্চারণ। শান্তি স্থায়ী হলে আর শান্তি থাকে না, অভ্যাস হয়ে যায়। তৃষ্ণা থাকলেই খোঁজ চলে, খোঁজ থাকলেই সৃষ্টি। দু-দণ্ড শান্তিই যথেষ্ট; কারণ তারপরেই আবার লেখার শক্তি ফিরে আসে।

সিনেমার শেষে কবিতার visual; হাজার বছরের পথ চলা, সিংহল, মালয়, বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগৎ, হাল ভাঙা নাবিক। এটা দেখতে দেখতে মনে হলো; জীবনানন্দ আসলে বলছিলেন ক্লান্তির কথা। হাজার বছর ধরে মানুষ হাঁটছে; যুদ্ধে, দুর্ভিক্ষে, নদীতে, পাহাড়ে। সভ্যতার পুরো ভার বুকে নিয়ে।

এত পথের পরে একটাই চাওয়া; কেউ একজন চোখ তুলে জিজ্ঞেস করুক: "এতদিন কোথায় ছিলেন?"
এটাই বনলতা সেন। স্বীকৃতি। দেখতে পাওয়া। কেউ একজন তোমাকে খুঁজেছে; এই বোধ।


প্রতিটা কবি এই বোধের জন্যই লেখেন। কোনো একদিন কেউ একজন কবিতাটা পড়বে এবং বলবে; "এটা যেন আমার কথাই।" সেই মুহূর্তটাই দু-দণ্ড শান্তি। দেখানো হয় বৌদ্ধ দর্শনের সাথে জীবনানন্দের গভীর সংযোগ; কীভাবে বুদ্ধের অনিত্যতার ভাবনা তাঁর কবিতায় বারবার ফিরে এসেছে। এবং শেষে —
"তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে, 'এতদিন কোথায় ছিলেন?' পাখির নীড়ের মতো চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।"


৬) যেখানে সিনেমা নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে পারেনি

এত কিছুর পরেও সৎভাবে বলতে হবে; বনলতা সেন তার নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার সমতুল্য হতে পারেনি সবসময়। কিছু দৃশ্যে কারিগরি দুর্বলতা এতটাই প্রকট যে কবিতার মতো বোনা আবহ হঠাৎ ছিঁড়ে যায়। শোভনা ও জীবনানন্দের নদীর পাড়ের দৃশ্যে একটি চিলের উড়ে যাওয়া দেখানো হয়; যেটি দেখতে হাতে-ধরা খেলনার মতো লাগে, CGI-র নামমাত্র প্রচেষ্টা। এই একটি দৃশ্য পুরো মুহূর্তের কাব্যিকতাকে ভেঙে দেয়।

সম্পাদনায় দ্বৈততা আছে; কখনো দৃশ্য এবং সংলাপ এত দ্রুত বদলায় যে দর্শক ধরতে পারেন না, আবার কখনো গতি এতটাই মন্থর হয়ে পড়ে যে মনোযোগ টলে যায়। এই ভারসাম্যহীনতা একটা কাব্যিক সিনেমার জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর; কারণ কবিতার ছন্দ যেমন একটু এদিক হলেই পুরো লাইন ভেঙে পড়ে, সিনেমার গতিও তেমনই সংবেদনশীল।

কিছু কিছু সংলাপ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ব্যাখ্যা করে; যা দর্শকের কল্পনাশক্তিকে সম্মান করে না। একটা ভালো কাব্যিক সিনেমা দর্শককে শেষটুকু নিজে পূরণ করতে দেয়। মাঝে মাঝে মনে হয়েছে পরিচালক দর্শকের উপর পুরো বিশ্বাস রাখতে পারেননি। এত সীমাবদ্ধতার পরেও বনলতা সেন এমন কিছু দৃশ্য ও মুহূর্ত তৈরি করেছে যা বাংলাদেশের সিনেমার ইতিহাসে বিরল।

খায়রুল বাসারের জীবনানন্দ শুধু অভিনয় নয়; চেহারার অলৌকিক মিল এবং তিন বছরের প্রস্তুতির ফলে পর্দায় যা দেখা গেছে তা রীতিমতো আতঙ্কজনক, অর্থাৎ সত্যিকারের অর্থে। সোহেল মণ্ডলের মহীন এই সিনেমার প্রাণ; উদ্ভট, বেদনার্ত, হাসি-কান্নার মাঝামাঝি এক সত্তা। নাবিলার বনলতা অধরা থেকেও অধরা; ঠিক যেমনটা হওয়া উচিত।

সিনেমা হলে যখন সিনেমাটা দেখছিলাম, তখন একটা তৃষ্ণা ছিল; তৃষ্ণাটা বনলতা সেন'কে খুজে পাওয়ার বা কবিকে ধারন করার না; তৃষ্ণাটা ছিল এই যে, হয়ত পরের দৃশ্য ও প্লটটা পরিচালক আরেকটু ভালো করে গড়ে তুলবেন; যা আসলে হয় নি।

জীবনানন্দ লিখেছিলেন দু-দণ্ড শান্তির কথা। এই সিনেমা তার চেয়ে বেশি দিতে পারেনি হয়তো; কিন্তু সেই দু-দণ্ড? সেটা দিয়েছে।
এবং কবিতার জগতে দু-দণ্ডই যথেষ্ট।

বনলতা সেন | ২০২৬ | পরিচালক: মাসুদ হাসান উজ্জ্বল
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বনলতা এক্সপ্রেস আজ থামানো হয়েছে, কাল থামানো হবে নাটক, বই, গান, কবিতা- তারপর থামানো হবে চিন্তা।

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ৩১ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১



বনলতা এক্সপ্রেস আজ থামানো হয়েছে, কাল থামানো হবে নাটক, বই, গান, কবিতা- তারপর থামানো হবে চিন্তা।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এই ঘটনায় শুধু একটি সিনেমার প্রদর্শনী বন্ধ হয়নি;... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ক্রিস্টিকে মনে পড়ে

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ৩১ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৬

ক্রিস্টি,
এখন তুমি কেমন আছো, ক্রিস্টি?
কোন ভুবনে বিচরণ করছো তুমি?
কি আছে তোমার মনোলোকে?
কাকে খুঁজে বেড়ায় তোমার দুটো চোখ?
কি ভেবেই বা ক্ষণে ক্ষণে তুমি মুচকি হাসো?

অথচ-
এমনটি তো হওয়ার কথা ছিলনা।
মেধা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আত্নশুদ্ধির দিনে : পরিবেশ দূষণ কেন ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৩৫

আত্নশুদ্ধির দিনে : পরিবেশ দূষণ কেন ?



একজন মুসলমান হিসাবে, জীবনের সারা পথ আত্নত্যাগ ও পরপোকারে লিপ্ত থাকা আবশ্যক ।
ঈদুল আজহা আমাদের জন্য সেই বার্তা নিয়ে আসে, প্রতি বৎসর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারের ১০০ দিন কেমন কাটলো ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০১ লা জুন, ২০২৬ রাত ২:৫৬


যখন এই ব্লগটি লিখতে বসেছি তার কিছুক্ষণ আগেই সংবাদে দেখলাম সরকার বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করার কথা বলে পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়িয়েছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধির খবর এখন আর নতুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈদের দিন

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০১ লা জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


ঐ এক ঝাক শিশুকে দেখলেই-
মনে পরে আমার শৈশবের কথা;
আমি হারিয়ে যাই, চিরচিনা পথের
ধূলি মাঝে- কতই না স্মৃতি! গুমরে
তুলে আমাকে- যার ভাষা হারিয়ে যায়;
লজ্জাবতীর মতো- মুচকি হাসি ফুরিয়ে
যায় অশ্রুসিক্ত নয়ন-... ...বাকিটুকু পড়ুন

×