
সিলেবাসের বাইরেও অনেক কিছু থাকে শেখার। আজকে "স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস" জানতাম না। ডিজিটাল সিগনাল প্রসেসিং ক্লাসে স্যার এর কাছে জানতে পেরেছি।এর আগে স্বৈরাচার আন্দোলন নিয়ে অনেক কিছু শুনলেও আজকের ঘটনার কিছুই জানতাম না। অনেক আগে বাজে শিক্ষানীতির কথা শুনেছিলাম তবে সেটা কি এবং কি হয়েছিল জানা হয় নি।
এরশাদের যদি আজকে মোটামোটি একটা রাজনৈতিক অবস্থান থাকতো,কিংবা কাকতালীয় ভাবে কিছুটা জনপ্রিয়তা থাকতো তাহলে হয়তো আজকের দিনটা অনেক আলোড়িত হতো।
অল্প কয়েকটি ছাত্র সংগঠনই দিবসটা তুলে ধরেছে। তাদের খুজে পাওয়া যায় নি যারা প্রতিদিনের শিরোনামে হানাহানি নিয়ে হাজির হয়। যদি পাওয়া যেতই তাহলে আজকে বাংলাদেশ অন্যরকম হতো,সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ আরো অনেক গুলো আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতো ,শুধু আগের স্মৃতি নিয়েই পড়ে থাকতো না নতুন স্মৃতিও তৈরী করতো ভবিষ্যতের জন্য।
যাইহোক শফিক রেহমানকে আজকে একটা প্রাশ্চাত্য দিবসের প্রচলন করানোর জন্য ধিক দেয়াই যায় কারণ এটা অনেক শক্তভাবে এস্টাব্লিশ হয়ে গেছে,আরো হচ্ছে। যেটার ইতিহাস প্রেমিক-প্রেমিকা নিয়ে হলেও পাবলিক সেটাকে ফায়দা লুটার জন্য কিংবা ট্রেন্ডে গা ভাসানোর জন্য সর্বজনীন করছে।
শফিক রেহমানেকে পুরো দোষ দিয়েও লাভ নেই।দিবসটাকে নিজস্ব ইতিহাস-সংস্কৃতির উপরে আমরাই নিয়ে এসেছি,নিয়ে যাচ্ছি।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



