অবশেষে সরকারি ভাবে মসজিদে জামাত স্থগিত হলো। যদিও এটা দরকার ছিলো আরো আগেই। অন্তত যেই এলাকাগুলো আক্রান্ত হয়েছিলো সেই এলাকার আশেপাশের সব মসজিদে।
পাবলিকতো সচেতন থাকতে হবেই। কিন্তু জাতিগত কারণে আপনি সব পাবলিক একবারে সচেতন পাবেন না কোথাও। অনেকেই এমন বিপদে মসজিদের জামাতে কেন যাওয়া ঠিক না সেটা জানতো না, অনেকেই আবার গোঁড়ামিও ছিলো কম জানার কারণে। তাই এসব কিছুর জন্য একটা সরকারি ডিক্লারেশন দরকার ছিলো। আর যারা সকাল বিকাল ধর্মীয় অনুশাসন মানা মানুষকে জেনারেলাইজ করে সবাইকেই গোঁড়া বলার চেষ্টা করেন তারা সরকারি ডিক্লেয়ারেশন ছাড়াই আশা করে বসে থাকনে মানুষ ঠিক হবে, পাবলিকই খারাপ।
যাক দেরিতে হলেও সরকার অনেকগুলো পদক্ষেপ নিয়েছে। যদিও বিশ্বাস করতে চাই খুব বেশি দেরি হয় নি। এখন তড়িৎ ব্যবস্থা নেয়া এবং সেটার তড়িৎ ও সঠিক বাস্তবায়ন ছাড়া কোন উপায় নেই। অনেক ভাঁড়ামি হয়েছে এবার অন্তত সেটা বন্ধ হোক।
এখনও অনেক ইন্ডাস্ট্রি চালু রয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বাদ দিয়ে বাকীসব এখনই বন্ধ করা উচিৎ জন সমাগম এড়ানোর জন্য। প্রত্যেক পরিবারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছাতে হবে তা না হলে মানুষ বের হতে বাধ্য হবে।
বাজারে অপ্রাপ্যতার জন্য কেনার সাধ্য থাকা সত্ত্বেও অনেকের কাছেই হ্যান্ড স্যানেটাইজার নেই। তাই জরুরী ভিত্তিতে হ্যান্ড স্যানেটাইজারও সরবরাহ করা উচিৎ।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১২:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




