somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চলোনা ঘুরে আসি,অজানাতে

০৫ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ১০:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



১.
উফ, কি কান্ডটাই ঘটে গেলো আমার মতো গোবেচারার সাথে!এও কি সম্ভব?বলিউডের শীর্ষ নায়িকা,বলিউডের গ্ল্যামার গার্ল,যার যার জন্য সারা বিশ্বের কোটি কোটি যুবকের ঘুম হারাম,যার প্রেমে ছ্যাকা খেয়ে বেচারা শহীদ কাপুর প্রায় পাগলই হয়ে গিয়েছিলো,সেই কারিনা কাপুর বলিউড গ্ল্যামার দুনিয়া,মুম্বাই,সাইফ আলী খান সব কিছু ছেড়ে ছেড়ে সোজা ঢাকায় চলে এসেছে শুধুমাত্র আমারই জন্য।প্যান পপ্যাসিফিক সসোনারগাঁয়েও ওঠেনি,শেরাটনেও ওঠেনি।আমার এই কমদামী রংচটা ভাড়াবাড়িতেই এসে উঠেছে। তাররপর আমাকে বিয়েটা করে ছেড়েছে।আমি কি করবো? তাকে বিয়ে না করলে সে নাকি আমার বাড়িতে বসে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করবে। সে বাংলা ছবির মতো বিষ লিখা কাগজ লাগানো বোতল দেখিয়ে আমার বাড়ির সবাইকে ভয় দেখিয়েছে এতক্ষন। অগত্যা বিয়েতে রাজী হলাম।যাই হোক, মুম্বাইর গ্লামার গার্ল কারিনা কাপুর সব ছেড়ে ছুড়ে ঢাকার এককোণে বাস করা নিম্ন মধ্যবিত্ত এক গোবেচারাকে এসে বিয়ে করেছে খবরটা চাউর হতে পাঁচ মিনিটও লাগলো না।আমার বাসার বাইরে ভিতরে ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্টিং মিডিয়ার সাংবাদিকে ভরে গেলো।শুধু সাংবাদিক না।সাধারন মানুষেও গিজগিজ করছে সামনের রাস্তাটা।এরই মধ্যে এক টিভি রিপোর্টার আমার সামনে মাইক্রোফোন ধরে আমাকে বলছে "আপনার অনুভূতি কি?"
ক্যামেরা ম্যান দেখি আমার দিকে ক্যামেরা ধরে রেখেছে।এতদিন শুধু টিভিতে দেখতাম সাংবাদিকরা এভাবে সাধারন মানুষের সাক্ষাতকার নেয়।আমার কত শখ করতো।এজন্য কোথাও টিভি সাংবাদিক দেখলেই হা করে তাদের মুখের সামনে গিয়ে দাড়িয়ে থাকতাম।কিন্তু কোনোদিনই আমি তাদের নজরে পড়িনি বলে খুব আফসোস ছিলো।আর আজ তাদের কাছে আমার কদর দেখে আমি অনুভূতি ক্ষমতা হারিয়ে অনুভূতি কি বলতে পারছিনা।
এমন সময় দেখি ভিতরের রুম থেকে কারিনা বেরিয়ে আসলো সুখী সুখী হাসি দিয়ে।কি সুন্দর দেখতে ও!ওর সাথে পাশের ফ্লাটের আন্টির ছকছকানি মেয়েটাও আছে দেখছি।সারাদিন হিন্দি ফিল্ম দেখে আর হিন্দিতে কথা বলে।তার নাকি খুব বলিউডের নায়িকা হওয়ার শখ।বোধহয় সেজন্য কারিনার সাথে অত ভাব জমাচ্ছে।ও বাবা!কারিনা দেখি আম্মুর লাল সাদা শাড়ীটা পড়ে রয়েছে।কি ব্যাপার? ও কি ছাম্মাক চালো ড্যান্স দিবে নাকি?।
না। তা করলো না। ও বেরোতেই সাংবাদিকরা ওকে ঘিরে ধরলো। ও সবার উদ্দেশ্যে বললো"আসলে ও ঢাকায় আমি মুম্বাই জিনিসটা কেমননা?আমি ওকে একটুও কাছে পাবোনা।যদিও অভিনয়ই আমাকে আজকের কারিনা বানিয়েছে কিন্তু অভিনয়ের চেয়ে আমার কাছে গূরুত্বপূর্ন আমার ভালবাসা।তাইনা?তাই সব ছেড়েছুড়ে চলে এলাম। "
আমার পাশে এসে বসলো ও।সাংবাদিকরা আমাদের ছবি তোলা শুরু করলো ক্লিক ক্লিক শব্দ করে ও আমাকে জড়িয়ে ধরে পোজ দিতে লাগলো।
হঠাৎ আমি প্রচন্ড ঝাকুনি অনুভব করলাম।নিমেষেই কারিনা, সাংবাদিক সবকোথায় যেন হাওয়া হয়ে গেলো।চোখ খুলে দেখি আমি বিছানায় শুয়ে আছি।আমার চোখের সামনে দাড়িয়ে আছে আমাদের কালো কুচকুচে রঙের কাজের মেয়ে জরিনা।হরহর করে সে বলে যাচ্ছে- 'বাজার সদাই কিছুই তেমন নাই।ভাবী অফিসে যাওয়ার সময় কইয়া গেছে তর ভাই উঠলে বাজার করতে কবি। তারাতারি উডেন।বাজার কইরা আনেন।আমার আবার সময় নাই।'
আমি ঠিক বুঝতে পারছিনা।কি হচ্ছে এসব?চোখ বন্ধ করে দেখি আমার বৌ কারিনা আর চোখ খুলে দেখি কাজের বুয়া জরিনা। আমার সাথে কি হচ্ছে এসব?আমি বিবাহিত মানুষ এসব কি স্বপ্ন দেখছি!কি সব কান্ড!
বৌতো এমনিতে সারাক্ষন আমাকে নানারকম অপবাদ দিয়ে বেড়ায়।এই স্বপ্নের কথা তাকে শোনালে সেতে বুদ্ধিজীবীদের মত বড় মগে করে চা খেতে খেতে বলবে "সারাদিন যা ভাবো তাই স্বপ্নে দেখো"।
আমার চোখ দেয়ালে টাঙানো একটি ছবির ওপর গিয়ে থামলো।
আমি আর লাল শাড়ি পড়ে আমার পাশে বসা আমার বৌ। আমার ছোট ভাই ওর বন্ধুর আইফোন ফাইভ দিয়ে তুলেছিলো ছবিটি।
আমি জরিনাকে বললাম তোর ভাবী অফিসে চলে গেছে?জরিনা হু বললো।আমি বজারের ব্যাগ হাতে বাজার করতে বেরিয়ে পড়লাম।
আপনারা বোধহয় নিশ্চই ভাবছেন আমি একটা পুরুষ নামের মহিলা।আমার বৌ চাকরী করে আর আমি বসে বসে খাই?
মোটেও না।আমার বংশে এরকম ঘটনা নাই।শুনেছি আমার দাদার বাপকে দেখে নাকি তার বৌ ঠকঠকিয়ে কাপতো।আমাকে দেখে আমার বৌ কাপেনা অবশ্য।তবে আমিও বসে খাইনা। আমিও একটা চাকরী করি।আসলে হয়েছে কি,আমি অফিসে মিথ্যা কথা বলে কয়েকদিনের ছুটি নিয়েছিলাম।ছুটিটা নিয়েছিলাম অবশ্য বৌকে সারপ্রাইজ দেয়ার জন্যই।কিন্তু বৌয়ের ব্যাবহারে নিজেই সারপ্রইজড হয়ে কুচো মুরগীর মতো পুতিয়ে গেছি।ভেবেছিলাম চুপি চুপি ছুটি নিয়ে এসে বৌকে অবাক করে তাকেও একই ভাবে ছুটি নেওয়াবো।তারপর দুজনে লাকী আখন্দ'র 'চলো না ঘুরে অসি অজানাতে' গানটা গাইতে গাইতে কোথাও থেকে ঘুরে আসবো।ও বাবা!এইসব প্ল্যান প্রোগ্রাম তার সামনে উপস্থাপন করা মাত্রই দেখি তার চেহারাই চেন্জ!সে আমাকে দেখছে না ভূত দেখছে!আমি তারপরও সাহস করে হেসে বললাম দারুন হবেনা ব্যাপারটা?সে আমাকে বলে কিনা আমার নাকি ভীমরতি ধরেছে। অফিসে তার অনেক কাজ।সে আমার মত দ্বায়িত্ব জ্ঞানহীন নয় এবং মিথ্যুক নয় বলে সে ছুটি নিতে পারবেনা।আরো কত কি শোনালো, তা বলা যাবে না।শেষে বললো তার এই সব রোমান্স টোমান্স করার মত সময় নাই।আমি তখন তাকে টাকার পিছনে ঘোড়ার বেগে দৌড়ানো স্বামীদেরকে তাদের ঘরে বসে থাকা বৌরা যেমন অনুযোগের সুরে বলে
"তুমি আমাকে একটুও সময় দাও না।আমার জন্য একটুও সময় হয় না"তেমন করে এই কথাগুলো বললাম।প্রতিউত্তরে ঐ স্বামীগুলো যেমন অনুতপ্ত অনুতপ্ত চেহারায় রাজ্জাক যেমন কবরী জড়িয়ে ধরতো, সেভাবে বৌকে জড়িয়ে ধরে বলে -"সোনা আমি যা করছি তাতো তোমার জন্যই করছি।প্লীজ লক্ষীটি। রাগ কোরোনা প্লীজ। "
আশায় ছিলাম আমার বৌও এমন একটা কিছু করবে।ও বাবা!সে তো তা করলোই না বরং যা করলো তা হলো,সে বাংলা ছবির মহিলা ভিলেন রীনা খানের মতো দাত মুখ খিচিয়ে আমার দিকে এমনভাবে তাকালো, তাতে আমার ঐসব আশাগুলো মূহুর্তে দিশেহারা হয়ে দ্বিগবিদ্বিগ দৌড়ে পালালো আমাকে একলা ফেলে।আমি তখন ভয়ে কাচু মাচু হয়ে আসন্ন সুনামির আগেই 'আল্লাহ ডান বাও দিয়া নেও,ডান বাও দিয়া নেও' বলতে বলতে পা চালিয়ে অন্য গিয়ে দরজা বন্ধ করে বসে রইলাম আর ছুটিগুলো রুমে বসেই কাটানোর সিদ্ধান্ত নিলাম।
২.
নাহ, আজ অফিস করতে ইচ্ছে করছে না।একটুও মন বসছে না কাজে।হাতেওতো বেশ কাজ রয়েছে।এগুলোতো সারতে হবে।উফ কি যে করি?সব ঐ পাগলটার জন্য। কি একটা পাগলামী করলো কালকে।অফিস থেকে অসুখের ভান করে ছুটি নিয়েছে আমাকেও বলে কিনা আমিও যেন ছুটি নেই।তারপর ওর সাথে যেন কয়েক দিনের জন্য কোথাও ঘুরতে যাই।দিয়েছি এক ঝামটা।ঝামটা খেয়ে দেখি চুপ করে বসে আছে। হাহাহা।আসলে ও একটা পাগল।ওর সব পাগলামী আমাকে ঘিরে।ও আমাকে এত ভালবাসে যে মাঝে মাঝে আমিই অবাক হয়ে যাই।একটা মানুষ একটা মানুষকে এত ভালবাসতে পারে!আমার খুব ভয় হয়।এত ভালবাসা যদি ভাগ্যে না সয়।যদি কিছু হয়।
সেজন্য ওর ভালবাসার পাগলামীতে আমার ভেসে যাওয়াটা ওকে বুঝতে না দিয়ে উল্টো ওকে ঝারির ওপর রাখি।যেন কম ভালবাসে।যেন সবসময় এই ভয়টা আমাকে তাড়া করে না বেড়ায়।কিন্তু কে শোনে কার কথা?আমার ঝামটায় একটু চুপ করে থেকে আবার বেহায়ার মতো আমার সাথে পাগলামো শুরু করে।পাগল একটা।দেখিতো একটু ফোন দেই।পাগলটা কি করছে তার খোজ নেই। নাহ,থাক।লাই পেয়ে যাবে আবার।
ইস আজ অফিসে আসার সময় পাগলটাকে ছেড়ে আসতেই মন চাচ্ছিলো না।ওর বাচ্চাদের মতো গুটিসুটি মেরে শুয়ে থাকা দেখে ইচ্ছে হচ্ছিলো পাগলটাকে ভীষন করে জড়িয়ে ধরিয়ে শুয়ে থাকি।
বুঝেছি আজ কোন কাজ হবে না।যাই আমিও তিন চার দিনের ছুটি নিয়ে আসি।এবার পাগলটার সাথে পাগলামী করবো।
৩.
সুসংবাদ আছে।ট্রেনের টিকিট কেটে আনলাম।আমার বৌটা রাজি হয়েছে আমার সাথে চলোনা ঘুরে আসি অজানাতে গাইতে গাইতে কক্সবাজার থেকে ঘুরে আসতে।তবে একটা শর্ত আছে তার।ঐ সব কারিনা টারিনাকে স্বপ্নে দেখা যাবেনা।দেখলে আমাকে গলা টিপে মেরে ফেলবে সে।সব শর্ত মেনে নিয়ে আমি তাকে জড়িয়ে ধরে বলতে গোছিলাম- 'কি যে বলোনা জানটা!তুমিইতো কারিনা।না না,তুমি কারিনা হতে যাবে কেনো।কারিনা ক্যাটরিনা তোমার কাছে কিছু?'
তা দেখি বৌ চোখ গরম করে বলছে-থাক,হয়েছে হয়েছে।'
আমিও আর এগোই নি।সে যদি ট্যুরটাই পন্ড হয়ে যায়।
ওকে,বা বাই।কক্সবাজারের ছবিগুলো ফেইসবুকে দিয়ে দিবো।
লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন।




সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ১০:১৩
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রাম্পের উপর ওভার ট্রাম্প!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৫

ট্রাম্পের উপর ওভার ট্রাম্প!

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন একটি সমীকরণ তৈরি হয়েছ- সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে একটি সদস্য রাষ্ট্রের ওপর সশস্ত্র হামলাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×