somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিজয় দিবস উপলক্ষে জামায়াত শিবিরের "স্বাধীনতা এনেছি,স্বাধীনতা রাখবো" স্লোগান সম্বলিত প্রোফাইল পিকচার ব্যাবহার নিয়ে জৈনক শিবির নেতা ও শিষ্যের কথোপকথোন।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :





বিজয় দিবস উপলক্ষে জামায়াত শিবিরের "স্বাধীনতা এনেছি,স্বাধীনতা রাখবো" স্লোগান সম্বলিত প্রোফাইল পিকচার ব্যাবহার নিয়ে জৈনক শিবির নেতা ও শিষ্যের কথোপকথোন।

শিষ্য: বস এইডা কি করলেন?মাইনষেতো হাসা হাসি করতাছে।
জৈনক শিবির নেতা:কি করছি?
শিষ্য: এইযে ফেইসবুকে শিবিরের পক্ষ থিকা বিজয় দিবস উপলক্ষে"স্বাধীনতা এনেছি,স্বাধীনতা রাখবো " লোগো দিয়া প্রোফাইল পিক বানাইলেন! শিবিরের সব সাথী,সব নেতারাইতো এই লোগো লাগাইতাছে।আর এইডা দেইহাতো ফেসবুকে সবাই হাসা-হাসি,টিটকারী শুরু কইরা দিছে।
শিবির নেতা:হ ঠিকিতো লিখছি।
শিষ্য: কি ঠিক লেখছেন?জামাত-শিবির ৭১ এ কি বদমাইশি করছে, মাইনষে জানেনা?এহনওতো সারাদিন ফেসবুকে গোলাম আযমের লাইগা কান্দেন।মাইক নিয়া বাড়ি বাড়ি যাইয়া কইলেওতো এই কতা কেউ বিশ্বাস করবোনা। ছি: ছি: ছি:। কি হাসা হাসিই না শুরু হইছে! আমি শরমে লগ আউট কইরা বইয়া রইছি।

শিষ্যের কথা শুনে নেতাও মুচকি মুচকি হাসে।
শিষ্য তাই দেখে ভ্রু কচকে অবাক হয়ে বললো

-"আপনেও দেহি হাসতাছেন!পাগল হইলেন নাকি?"
শিবির নেতা: পাগল হই নাই।ভেলকি লাইগা গ্যাছে। মন্তরে কাম হইছে।তাই দেইখা হাসতাছি। হা হা হা।
শিষ্য: কি কন আবোল তাবোল?কিছুইতো বুজি না।
শিবির নেতা: বুঝলেতো তুই ই নেতা হইতি, চামচা থাকতি না।তাইনা?
শিষ্য: জানিনা। জিনিসটা আমার মাতাত ডুকতাছে না।খুইলা কনছে।
শিবির নেতা: জানোসতো জামাত শিবিরের কামই হইলো এক ঢিলে দুই পাখি স্বীকার করা?
শিষ্য: এইডা না জানলে আপনের সাথে থাকি ক্যা?আমাগো শুরুইতো এক ঢেলে দুই পাখি মাইরা। আমরা মুখে ধর্মের কতা কই। কারন এই দ্যাশ বোকাচোদায় ভরতি। এই দ্যাশে ইবলিশও যদি ধর্মের কতা শোনায় তাইলে বোকাচোদারা ইবলিশরেও বড় মওলানা ভাইবা তার কথায় উঠবো আর বইবো।আমরাও ধর্মের কতা কইয়া বোকাচোদাগো ঘুম পাড়াইয়া যতই আকাম করিনা ক্যা ওরা কিছুতেই তা বিশ্বাস করবোনা। আমগো সাইদী সাব তার জলজ্যান্ত উদাহরন।ব্যাডায় ৭১ এ ধুমাইয়া আকাম করছে তারপরেও বোকাচোদারা তারে পীর ভজা ভজে।
শিবির নেতা: শাব্বাশ (পিঠ চাপড়ে)।বুদ্ধি আছে তাইলে। দেহি এইবার তরে একখান পোষ্ট দেওন লাগবো।
শিষ্য: (হাতকচলে) সব আপনের দয়া বস।
শিবির নেতা: এইবার আসল কতা কই। বিজয়ের মাসে স্বাধীনতা এনেছি,স্বাধীনতা রাখবো লেখছি।এতে আর কেউ না বিশ্বাস করলেও ঐ বোকাচোদারা ঠিকই বিশ্বাস করবো আমরা স্বাধীনতার পক্ষে।৭১'এর ইতিহাস ওগো খাওয়াই দিলেও ওরা যেমন আমগো সাইদী সাবের কতা কয় "এত বড় একজন আল্লাওয়ালা লোক তাই রাজাকার আছিলোনা?মিছাকতা এডা"।তেমনি আমগো কতাও বিশ্বাস কইরা গলাবাজি করবো।এই দ্যাশের কিছু বোকাচোদাতো বিদেশেও থাকে। ওরা বিদেশীগো বুঝাইবো আমরা হাছাই স্বাধীনতার পক্ষে।এতে কি অইবো?
শিষ্য: বিদেশে আমগো ভাবমুর্তি একটু হইলেও উজ্জল অইবো।আর এদ্যাশের বোকাচোদারাও মনে করবো কথা হাছা।
শিবির নেতা: হ।ঠিক।
এইবার আসল লাইনে আসি। ৭১ এর যুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীন অইছিলো আর জামাত শিবির পরাধীন হইছিলো।শেখ মুজিব আমাগো নিষিদ্ধ করছিলো। গোলাম আযমরেতো খেদাইয়াই দিছিলো।বড় বড় রাজাকার গুলানরে চৌদ্দশিকে হান্দাইবার লাগছিলো।যেই শেখ মুজিবরে মাইরা ফালাইলো আর সেই আমরাও স্বাধীন অইবার লাগলাম।জিয়া আইলেতো দ্যাশটাই আমগো অইবার লাগলো। এরশাদতো আমগো আরো সুযোগ সুবিধা দিলো।আর জিয়ার বিবি আসার পরতো দ্যাশটাই আমগো অইয়া গেলো।হেরপর থন আমরা পুরাই স্বাধীন।আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে.....।
বহুত কষ্ট অইছে এই স্বাধীনতা অর্জন করতে।বহুত ঠ্যালা পাড় গ্যাছে।যেকোনো মূল্যে এই স্বাধীনতা বজায় রাখা লাগবো।কোনোমতেই তা হাতছাড়া করা যাইবো না। এইডা হগলরে মাথায় রাহনের জন্যেই আমরা এই শ্লোগানই দিছি।আমরা কি ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় নিয়া লেখছি এইডা?না, আমরা লেখছি আমাগো বিজয়ের লাইগা,আৃমগো স্বাধীতার কতা মনে কইরা।
শিষ্য: তাতো বুঝলাম। সবই ঠিক আছে।তয় একখান কতা।জিয়ার বিবিতো আমগো খালি স্বাধীনতা না,আমগো কাছে দ্যাশ তুইলা দিছিলো।কিন্তু এহনতো গদিতে শেখের বেটি।এতো বাপের এককাঠি ছাড়া না।আমগো বাপগোরেতো ঝুলাইছে সব। এহন আমগো ঝুলাইবার পায়তারা করতাছে।দিনের বেলাও বাইরে যাইতে ডর করে এহন। এহন আবার স্বাধীন কেমনে আমরা?
শিবির নেতা: এহনও আমরা স্বাধীন। খালি স্বাধীন না।আমারা শেখের বেটির দলেরও নেতা হওন আরম্ভ করছি।একা শেখের বেটি কি করবো?শেখের বেটির দলে আমগো মামা, শালা,দুলাভাইরা আছেনা?"।
শিষ্য:বস আপনে পিছনের কপড়ডা তুলবেন?
শিবির নেতা থতমত খেয়ে বলে- কি কস তুই?মাথা ঠিক আছে?
শিষ্য:আপনের পটুতে চুমা খামু।এত বুদ্ধি আপনের!
শিবির নেতা: হাহাহা।আমার তোষকের তলায় গোলাম আযমের বুইড়া পটুর ছবি আছে।ঐডায় চুমা খাগা। অর কাছ থিকাইতো এইসব শিখছি। ছবিডা নিয়া আয়।আমিও চুমা খামু।

১৬/১২/২০১৬
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৪৮
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৭


আজ দেশজুড়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২৪ -এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভ্ন্নি সময়ে বহু নিরীহ প্রাণ অকালে ঝরেছে। আবু সাঈদ, মুগ্ধ ছাড়াও নাম জানা-অজানা হাজারো ব্যাক্তি তাদের প্রাণ হারিয়েছেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

তেহরানের ছায়া কি এখন ঢাকা সেনানিবাসে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:০১


সোমবার সকালে জলসিঁড়িতে একটা অনুষ্ঠান হলো। ফিতা কাটা, ফুলের তোড়া, বক্তৃতা, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, স্বাভাবিক একটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা যা থাকে সবই ছিল। সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান নিজে হাজির, পাশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাতিঘর (Lighthouse)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:৪৬



বাতিঘর (Lighthouse)

বাতিঘর নিয়ে সেই ছোট্টবেলা থেকেই আমার অনেক কৌতুহল ছিল। কেন ঐ বয়সেই বাতিঘর নিয়ে আমার এতটা আগ্রহ ছিল, তার কারণ আজও খুঁজে পাই না। অথচ আমি নিজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"

"৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে। শেখ হাসিনার প্রয়োজন ছিল বিশ্রাম। আওয়ামী লীগের দরকার ছিল শুদ্ধিকরণ। অন্যান্য দলগুলোরও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে বিষয়ে মজিবর ও হাসিনা এক বিন্দুও ভুল করেনি!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


বাংলাদেশের ইতিহাসে মজিবরের শেষ শাসন কাল ও হাসিনার শেষ শাসন কাল দুটি ভিন্ন সময়ে হলেও গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত মিল বহন করে। নির্বাচনী বৈধতার নিরিখে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের সংগে ২০১৪, ২০১৮... ...বাকিটুকু পড়ুন

×