হবিগঞ্জের বিস্তৃত এলাকায় গ্যাসের সন্ধান
হবিগঞ্জের রানীগাওয়ের বিস্তৃত এলাকা জুড়ে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ও প্রকল্প পরিচালকসহ বাপেক্সের উধ্বর্তন কর্মকর্তারা স¤প্রতি ওই এলাকা পরিদর্শন করে গ্যাসপ্রাপ্তির ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছেন। পেট্রোবাংলা ও বাপেক্স এরইমধ্যে ওই এলাকায় অনুসন্ধান শুরু করেছে।
হবিগঞ্জের রানীগাও ছাড়াও ইসলামপুর, মনিপুরসহ আশেপাশের কিছু গ্রাম ও সংলগ্ন পাহাড়ী এলাকায় গ্যাস প্রাপ্তির সম্ভাবনা আছে- প্রাথমিকভাবে এ ধারণার ভিত্তিতেই অনুসন্ধান কাজ শুরু করে বাপেক্স। গত ২ মাস ধরে বাপেক্সের কমপে ৩শ’ কর্মী এ কাজে নিয়োজিত আছেন।
ওই এলাকার গ্যাসের মজুদ সম্পর্কে শিগগিরই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে পেট্রোবাংলা।
এ বিষয়ে বাপেক্সের সহ-ব্যবস্থাপক (ইলেক্ট্রনিক্স) সবুর জামিল বলেন, ‘এই প্রথম আমাদের দেশে আমরা নিজেরা থ্রিডি সিসমিক শুরু করতে পেরেছি। এজন্য উন্নত মানের যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে।’
গ্যাস প্রাপ্তি সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে জানাতে বলা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা কাজ শুরু করেছি মাত্র। এখনও কিছু বলা যাচ্ছে না। গবেষণা শেষ হওয়ার পর কী অবস্থা বলা যাবে।’
স¤প্রতি পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ও প্রকল্প পরিচালকসহ বাপেক্সের উধ্বর্তন কর্মকর্তারা ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। সে সময় গ্যাস প্রাপ্তির ব্যাপারটিও নিশ্চিত করেন তারা।
তবে বাপেক্সের কর্মকর্তারা জানান, ঠিক কোন স্থানে গ্যাস কূপ খনন করা হবে তা তারা এখনও চূড়ান্ত করতে পারেননি।
এদিকে, গ্যাস কুপের খনন শুরু হলে ভূমি মালিকদের ঘরবাড়ি ও জমি অধিগ্রহণ করা হবে এমন আশঙ্কা করেছেন স্থানীয়রা।
তবে এতে সমগ্র এলাকার উন্নয়ন হবে বলেও মনে করেন অনেকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


