লা লালা লা লালা লা লালা লালা লালা লা লালা লা....।।
অঞ্জনের গান..জেরেমির বেহালা..
না,গান নিয়ে লেখা নয়.. লেখার কথা ভাবার সাথে সাথে গান শোনার কথা মাথায় আসছে, এবং অঞ্জনের গান.. অঞ্জনের গান শোনার, মানে পছন্দ করার একটা বড় কারণ তাঁর গানের গল্পগুলো.. না, আজকের লেখা অঞ্জনের গানের গল্প নিয়েও নয়.. অঞ্জনের গল্প আমার জীবনের গল্প না.. আমার শুধু ওর গল্পগুলোর জীবনের সরলতা ও জটিলতা ভাল লাগে.. আমি দেখেছি, আমার জীবনের গল্প শুধুই আমার গল্প.. অনেকের লেখা গল্পের সাথে বেশকিছু সঙ্গতি দেখেছি, কিন্তু সে তালিকাও আমি দেবো না.. কারণ আমি চাই না আমার জীবনের গল্প অন্য কেউ বলুক, আমি নিজে যদি কখনো বলতে চাই, তবে আমিই বলবো.. আর তাছাড়াও, প্রত্যেকটা মিলে যাওয়া গল্প থেকেই বড় রকমের ব্যতিক্রম নিয়ে আমি আমার জীবন নিয়ে বের হয়ে আসছি.. না.. এ গল্প এবং জীবন নিয়েও আমি লিখতে চাই নি.. ফেসবুকে ছিলাম.. ছুটির দিন, আপাতত কোনো 'কাজ' নেই.. তাই ভাবলাম, অনেক অনেকদিন লিখা হয় না ব্লগে..
"দাদা একটা মিনি হবে কি?
একটাও লেবু হয়নি বিক্রি
গতকালের পনেরো টাকা থেকে
চেকারকে দিতে হবে দশ.."
হুঁম, বসে আছি ইস্টিশনেতে..
অঞ্জন অধিকাংশ ক্ষেত্রে যাদের নিয়ে গান লিখেছে, আমার জীবনটা তাদের মত না.. অনেক বেশি উপরের তলাতেই বলা যায়.. অঞ্জনের মত করে ওইসব মানুষ, যেমন ট্রেনের ওই লজেন্সওয়ালা ছেলেটাকে দেখে সবসময় উপলব্ধি করতে পারি না অঞ্জন যে গল্প টা বলেছে, তেমন কিছু.. তবে গানটা আমি অনুভব করতে পারি, গল্প টা আমি দেখতে পাই.. তারপর ওই পরিশ্রমী মানুষদের, যেমন খুবই পরিচিত রিক্সাওলাদের কথা.. যখন একজন রিক্সাওলা কে একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট নির্দয়ভাবে মারধর করে, চাকা ফুটা করে দেয় তখন রাস্তার জটলার মানুষের মত যখন বন্ধুদের বলতে শুনি, সব দোষ তো ওই রিক্সাওলার.. তখনও খারাপ লাগে.. যাইহোক, আমি নিজে রিক্সাতে খুব একটা চড়ি না, যখনই রিক্সাওলাদের সাথে কোথাও যাওয়া নিয়ে, ভাড়া নিয়ে কথা হয় তখন তাদের অ্যাটিচুড দেখে আমারও বিরক্তি হয়, এবং আমি রিক্সা নেয়া থেকে বিরতও থাকি.. কিন্তু ঠিক সেসময় আমার মাঝেমাঝেই মনে হয় যে ওই রিক্সাওলাটার ওরকম আচরনের জন্য অনেক কারণ থাকে.. আমরা একটু উপরের তলায় থাকি বলেই যে শুধু আমাদেরই মেজাজ খারাপ থাকার বা তা দেখানোর অধিকার থাকবে তা তো নয়.. যাই হোক, এটা নিয়েও আর লিখতে ভালো লাগছে না..
'ম্যারি অ্যান' বাজছে..
এই বছরটা, মানে ২০১১.. প্রত্যাশিতভাবেই আমার জীবনে বড় বড় পরিবর্তন নিয়ে আসছে.. অবশ্য বড়ও না.. খুবই ছোট.. ছাত্রজীবন,চিন্তামুক্ত হলজীবন থেকে বের হয়ে এসে ৯টা-৬টা চাকরিজীবন,আবাসন ও তার সাথে জড়িত সুবিধাগুলোর ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা.. মোট কথা শূন্য চিন্তার জীবন থেকে প্রত্যেকটা বিষয়ে চিন্তা করে এগোনো..
এতে করে যেটা হয়েছে, অনেক কিছুই হয়তো হারিয়ে ফেলছি.. যেমন এখন অফিসে বসে থাকতে গিয়ে সিঁড়ির পাশের কাঁচের জানালাটা দিয়েও ঝমঝম বৃষ্টি খেয়াল করা হয় না.. এরকমই আরো কত কি..
তাই হয়তো.. বা অন্য আরো অজানা কারণে এখন আর লিখতেও ভাল লাগছে না.. যারা এতটুকু পড়ছেন, তাদের কাছে স্যরি বলে নিচ্ছি.. এখন হয়তো মুভি দেখবো কোনো.. হুঁম, আমি ভাল আছি.. এখনো সুযোগ পেলেই হাঁটি, আগে যা করতাম তাই করার চেষ্টা করি.. সুযোগটাই যা একটু কম পাই এই যা..
গুড লাক, অ্যান্ড গুড বাই.. ফর নাউ..

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


