[আব্দুল মানামের ভাঙ্গা-চোরা রিকশা]
চাচা মিয়া, বিড়িটা ফালায়া দ্যান,
জানেন না- বিড়ি খাইলে ক্যান্সার হয়?
ক্যানছার আর কি করবো রে বাজান? . . . . . . .
বসতভিটা বন্ধক রইছে হেই কবে থেইক্যা মহাজনের কাছে-
ছুডাইবার পারি নাই, দুইন্যা গিলি খাওন্যা ভুগ লইয়া
ঘরে উয়াস রইছে ছয়ডা হাভাইত্যা মুখ,
সোমত্ত মাইয়া দুইডার শইল তো বাইন্ধা রাখবার পারি না,
পাড়ার রইস্যা মাস্তান সুযোগ পাইলেই থাবা মারবার চায়।
ক্যানছারে আর কি করবো কন বাজান?
মইর্যা গেলে তো . . . বাইচ্যা যাইতাম।
[শুধু একটা দীর্ঘশ্বাস, কিছুক্ষণ নীরবতা। আকাশে মেঘ জমেছে, কালো মেঘ, কেমন উথাল-পাতাল বুকের ভেতর, হয়তো বিরহী প্রিয়ার জন্য কাছেই কোথাও কাব্যবিলাস করছেন আধুনিক কালিদাস। মন হালকা করার চেষ্টায় অপ্রাসঙ্গিক আলাপ। ]
চাচা, কালিদাসের নাম শুনছেন? মেঘ দ্যাখে আর কবিতা ল্যাখে।
কোন কালিদাস রে বাজান? সুদী মহাজন হরিদাসের
লম্পট ছোড ছাওয়ালডার কথা কইতাছেন ?
তয় বাজান, আসমানে মেঘ দ্যাখলে বুকডা কাইপ্যা ওডে,
উথল্লা বাতাস কইলজডা এক্কেরে পানি কইরা দেয়,
আমার টুডা-ফাডা ঘরডা ভাসি যায়।
তহন খুব ডর করে রে বাজান, উড়াইয়া লইয়া গেলে কই থাকমু?
নতুন ঘর তুলবার ট্যাহা পামু কই?
[আবারো শব্দহীন কিছু সময় আর বিক্ষিপক ভাবনা- পেটে ভাত থাকলে হয়তো কোন এক অবসরে আব্দুল মানামও আকাশে মেঘ দেখতো আধুনিক কালিদাসের সাথে গরম কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে। ]
** আঞ্চলিক ভাষার যথার্থ ব্যবহার সম্ভবত করতে পারিনি। অনেক জায়গায় ভুল আছে মনে হচ্ছে, তাই আপনাদের ভুলগুলো ধরিয়ে দিতে অনুরোধ করছি। যে কোন সমালোচনা সাদরে গ্রহণযোগ্য।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



