পরহাদ মজহারের পটো দেকলাম। তার কবিতা পড়তে চাইসিলাম। কেউ তো পাটালেন না?
পটোতে দেখলাম বুড়ো হলেও বেশ সেকসি। (লজজা লাগসে।)আমার বানদবি তামাননা বলসে- উনি যুবককালে কি জানি কী চিলেন। কত মেয়েদের হিরিদয়ে আগাত করসেন। আহা আমি কেন সেইকালে জনমালাম না! (আহা, তামাননা, আমি যদি তোর মত বলতে পারতাম!)
পটোটা বাল করে দেকলাম। সরসতী হিনদুদের গ্যানের দেবি। উশকুলে হিনদুরা পুজো করে। কী সুনদর করে সাজায়। সাদা, সাদা- আরো সাদা। পুত পবিতর। আমরা গুরে গুরে দেকি। বালই লাগে। কাজল চাচা বলসেন, উনি যাকে বিয়ে করবেন, তাকে হতে হবে সরসতীর মত সুনদর।
পটোটা বাল করে দেকলাম। সরসতী দেবীর সামনে উনি পা তুলে বসে আচেন। হাটুর উপরে হাত রেকেসেন। পরনে নীল লংগি। মাতায় মেয়েদের মত এলকেশি চুল। মুকে হাসি নাই। বলসেন যেন আমাকে দেকো। দেকলাম হে কবি, আপনাকে।
আমার বানদবী তামাননা বলেসে, ওদের বাড়ি পাবনায়। সেকানে এক বুড়ো দাদাজান চিলেন। বুড়োর বিবি মারা গেলে বুড়ো বাড়ির মাসনে বসে তাকতেন। একপা তুলে এই পরহাদ মজহারের মত বসতেন। এই পতেই চিল মেয়েদের ইসকুল। একদিন ইসকুলের আপারা নালিস করল বুড়োর চেলেদের কাছে। ইশকুলের মেয়েরো নাকি ঐ পতে যেতে যেতে লজজা পায়। দাদাজানের কি সব দেকা যায় ঐবাবে বসার কারনে। ওনার চেলেরা ওনাকে অনেকবার মানা করল। সেষে ওনাকে মানসিক ডাকতারের কাচে নিল। ডাকতার বলল. এটা পারবারসন রোগ। অনেকের বুড়োকালে হয়। এই পটোটা দেকে আমার তামানানার বুড়ো দাদাজানের কতা মনে পড়ল।
আমার এক হিনদু বানদবীআছে- পরমা। সে এই পটোটা দেকেসে। দেকে কাউমাউ করে কেদেচে। বলেচে, এইবাবে পটো তুলে উনি হিনদুদের অপমান করসেন। উনি হিনদুদের হিংসা করসেন।
তামাননা কাল আসবে বাসায়। ওকে বাল করে পটোটা দেকাবো। উনি কি সত্যি হিনদুদের অপমান করসেন? আমি বুজতে পারসি না। জটিল লাগসে। তামাননা বাল বলতে পারবে। ও আমার চেয়ে বুজদার।
বাল তাইকেন। আর কবির কবিতা পাটাবেন। পড়ে দেকব।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



