somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশের খলেরা s02e02

২১ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৯:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৬ অগাস্ট, ১৯৭৫।

দেশজুড়ে শোকের মাতম। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে আগের দিন। বিদ্রোহী সেনারা এখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে। শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফেলেছে।

যত সায়েন্স এক্সপিডিশন আছে দেশে, সব বন্ধ ঘোষণা করা হলো। এরই ভেতরে একজন বিজ্ঞানী, ড. কমল গোপনে এক ল্যাবের ভেতরে তার দৈনন্দিন কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছেন। চুপচাপ কাজ করছেন কসমিক এনার্জির উপর। সৃ্ষ্টির শুরুতেই অনেক বড় বিস্ফোরণে কসমিক শক্তির উদ্ভব হয়। বিজ্ঞানীরা মনে করেছিলেন এই শক্তির কিছুটা যদি পৃথিবীতে নিয়ে আসা যেতো তাহলে ভালো হতো।
-রেডি?
-জ্বি স্যার।

একটা আট ফিট লম্বা ম্যাগনিফায়ার। যার চৌম্বকীয় আকর্ষণে কসমিক এনার্জি শোষিত হবে। আর এ ট্রান্সফরমড এনার্জি দিয়ে চলবে গোটা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ।

কিন্তু স্বার্থান্বেষী মহল বসে থাকেনি। হুট করে তাকে কাউন্টার দেয়ার ঘোষণা এলো। এক ট্রুপ সৈন্য এসে ল্যাবের বাড়িটাকে ঘিরে দাঁড়ালো।
-অল ক্লিয়ার উই আর ইন।

চিইইইই করে একটা অত্যুজ্জ্বল আলো জ্বলে উঠেছে ম্যাগনিফায়ারের মুখে। বিজ্ঞানী কমলের চোখে মুখে বিজয়ের দীপ্তি। হেসেই চলেছেন। সাথে তার সহযোগী স্ত্রী রোশনি। এমন সময় ধ্রাম করে ল্যাবের প্রধান দরজা ভেঙ্গে পড়লো।
-রোশনি নলের অন্য মুখটা দরজার দিকে ঘুরিয়ে দাও। হ্যা...হ্যা। না না। আমার দিকে না! রোশানি।

মাথা ঘুরে পড়ে গেলো রোশনি। বেগণি রংয়ের রশ্মি ঢুকে গেছে নলের প্রান্ত থেক্ব বিজ্ঞানী কমলের শরীরে। বুম করে ব্লাস্ট হলো ম্যাগনিফায়ারটা।
-মেজর উই হ্যাভ ওয়াচড সিরিয়াস ব্লাস্ট ইন আওয়ার পেরিমিটার।
-গো এহেড।

ঝিইইইইত!
-ফায়ার!

গুলি করতে গিয়ে এক সৈনিক চিৎকার করে উঠলো। কি যেন তার জীবনীশক্তি টেনে নিচ্ছে।
-টার্ন অন দ্যা সার্চ লাইট।
ঝিইইত!

অত্যুজ্জ্বল বেগণি রশ্মি জ্বলে উঠেছে এক মানবের গায়ে।
-তোমাদের ধারণারও বাইরে আমি কে। আমি কি করতে পারি এখন তোমরা বুঝতেও পারবেনা। দশবার সরকার বদলালেও কারো কিছু করার নাই। আমি এখন আমি। তোমাদের জীবন শুষে নেবো।
-কে...কে তুমি?
-আমি কমল... সৌরকমল।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৯:৩৮
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Diplomacy is not tourism

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৫৯


আফ্রিকার পশ্চিম প্রান্তে আটলান্টিকের তীরে সেনেগালের রাজধানী ডাকার। এপ্রিলের শেষে সেখানে বসেছে 'Dakar International Forum on Peace and Security in Africa'-এর দশম আসর। নামটা দীর্ঘ হলেও এবারের হাওয়া বেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার একশততম পোস্ট!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:১৮



আমার একশততম পোস্ট!

আজ আমার লেখকজীবনের এক ছোট্ট কিন্তু হৃদয়ের গভীরে দাগ কাটা দিন- সামহোয়্যারইন ব্লগ এ আমার একশততম পোস্ট। সংখ্যার হিসেবে হয়তো ১০০ খুব বড় কিছু নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভুল শুধু ভুল, আমি কি করছি ভুল?

লিখেছেন রবিন.হুড, ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৪১

আমি টাকার পিছনে না ছোটার কারনে আমার হাতে যথেষ্ট সময় থাকায় সে সময়টুকু সামাজিক কাজে ব্যয় করার চেষ্টা করছি। আবার বিলাসিতা পরিহার করার কারনে অল্প কিছু টাকা সাশ্রয় করছি যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংসদের বায়না : ৩০ সেট গয়না

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:১৪

একসময় এই প্রবাদটি খুব প্রচলিত ছিল, এমনকি পণ্ডিত মহলেও এটি নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা করা হতো।
সময় বদলে গেছে; যমুনা নদী দিয়ে বহু জল বয়ে গিয়ে সাগরে মিশেছে।



বাস্তবতার নিরিখে আমাদের সমাজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফুল ট্যাঙ্ক স্বপ্ন

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৬



শহরের সকালগুলো এখন আর আগের মতো নয়। সূর্য ওঠার আগেই পেট্রোল পাম্পের সামনে লম্বা লাইন পড়ে যায়। সেই লাইনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে রিদম—একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, আর জীবনের বাস্তবতায় আটকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×