আমার পাঠ্যবই পড়ায় কোনো আগ্রহই ছিলনা। বাইরের কোন বই পেলে পোগ্রাসে গিলতাম… গ্রামে থাকতাম… সেভাবে কোনো বই পেতাম না… হঠাৎ একদিন জানতে পারলাম আমাদের স্কুল লাইব্রেরিতে নতুন অনেক বই আসছে… বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে, স্যারের সাথে দেখা করলাম, স্যার মার্ক টোয়েনের "শ্রেষ্ঠ গল্প" বইটা দিলেন। সত্যি বলতে সেই প্রথম কোনো ভালো বই পড়লাম.… একে একে লাইব্রেরির সব বই পড়ে শেষ করলাম। (এর মাঝে এইসব বই এ আসক্ত হওয়ায় ক্লাস এইট থেকে নাইনে রোল পাচ থেকে চব্বিস করলাম) আস্তে আস্তে আমার এসএসসি পরীক্ষা এগিয়ে এলো..… পড়ার চাপ বেড়ে গেল। অনেকদিন আর এইসব বই হাতে আসেনা.… যাইহোক এসএসসি পরীক্ষা শেষ হলো। রেজাল্ট হলো.…বাড়ি থেকে বের হলাম… ভর্তি হলাম জেলা শহরের সরকারি কলেজে.… হঠাৎ একদিন আমার রুমমেটের টেবিলে দেখলা "সে আসে ধীরে" বইটা.… লেখক হুমায়ুন আহমেদ। একটানে পড়ে শেষ করলাম.… সম্পুর্ন ঘোরের মাঝখানে পরে গেলাম… নতুন ধাচের বই। আমার মাথায় ঢুকে গেল। তার পর পড়লাম "কুটু মিয়া" বইটা.… হুমায়ুন আহমেদের ভক্ত হয়ে গেলাম এই দুইটা বই পড়েই। তারপর জামালপুরের গন গ্রন্থাগারে গেলাম… ওখানে হুমায়ুন আহমেদের অনেক বই… রেগুলার যাওয়া শুরু করলাম… এমনো দিন গেছে সকাল নয়টায় লাইব্রেরিতে ঢুকছি বিকেল পাচটায় লাইব্রেরিয়ান আমাকে টেবিল থেকে ডেকে তুলে লাইব্রেরি বন্ধ করছে। আমার আজো মনে পরে সেই দিন গুলোর কথা। সেই ইন্টারমিডিয়েটে হুমায়ুন আহমদে মজেছিলাম… আজো বের হতে পারিনি..… আমার বই পড়া জীবনে আমি সব চাইতে বেশি বই পড়েছি হুমায়ুন আহমেদের..…। স্বাভাবিক ভাবেই আমার প্রিয় লেখক তিনি..… আজ তার জন্মদিন… কিন্তু তিনি আমাদের মাঝে নেই..… জন্মদিনে কাউকে শুভেচ্ছা জানাতে বলি এই দিন যেন তোমার জিবনে বারবার ফিরে আসে। কিন্তু আমার প্রিয় লেখকের জন্মদিনে তাকে কি বলে উইশ করবো?
প্রিয় হুমায়ুন আহমেদ..… কি বলে আপনাকে উইশ করবো? 
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন
২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
আজকের ডায়েরী- ১৯৭

শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন
যাপিত জীবন.....

১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।