somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাসেল  ( ........)
ব্লগ আর মডারেটর, কে কার অলংকার

উটের দুধ কিনবেন ভাই??

০৩ রা মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পুরানো ঢাকার হঠাৎ বড়লোক হয়ে ওঠা কতিপয় নন্দনঘাতকের নির্মীত বাড়ী দৃশ্যপটে আসবার আগে ঢাকা শহরের বাড়ীগুলোর ভেতরে সবচেয়ে উৎকট বর্ণ ছিলো দেওয়ান বাগের পীরসাহেবের বাসা।
ঢাকা শহর আমাকে অনেক রকম বৈপিরত্ব, অনেক রকম বর্ণান্ধতা ও সৈন্দর্য্যহীনতার সামনাসামনি এনেছে। আমি বলতে গেলে খাস মফস্বলী- মফস্বলের মনঃস্তত্ব নিয়ে ঢাকা শহরে ঘুরি- মফস্বলীয় অনান্দনিকতায় সব বিচার করি- তবে গোলাপী সবুজ নীলচে হলুদ বাসা তৈরি হতে পারে এমনটা ভাবি নি কখনও- এমন বীভৎস বর্ণবৈচিত্র কখনও সম্ভব এমনটাও মনে আসে নি।
দেওয়ানবাগের পীরবাবা আশেকে রসুল, তার বিজ্ঞাপনের দেওয়াল লিখনেও সবুজ- কালো আর লাল কিংবা গোলাপী রং ব্যবহৃত হয়। এমনিতেই পীর ফকির মানত তাবিজ তাগা বাণজাতীয় কোনো কিছুতে আমার কোনো ক্ষতিসম্ভব এমনটা ভাবি না- এদের ছোয়াচ বাঁচিয়ে চলি- আর পীরের মুরিদেরা সব সময়ই আমার কাছে বাংলাদেশের ছাগল সম্প্রদায়ের নির্বাচিত প্রতিনিধি।
ওয়াজ নসিহত বাইয়্যাত সবই আমার গাত্রদাহের কারণ হলেও পীরবাবার চরনমোবারকে নিজেকে সমর্পন করতে হলো

বাংলাদেশের নদিনালা শুকাচ্ছে, ধীরে ধীরে মরুকবলিত হচ্ছে বিস্তৃ্ন অঞ্চল- খেজুর গাছ বাড়ছে- ধর্মছাগু বাড়ছে, বাস্তবতা এমনই যে আমার শৈশবের ছায়া বিলীন হয়ে গেছে ক্রমশই ধর্মান্ধতার গ্রহনে। বাংলাদেশে ইসলামী গ্রহণ শুরু হয়েছে। টুপি আর বোরখা বেড়েছে-
মসজিদে মানুষের উপস্থিত বেড়েছে, মানুষের পাপ আর মনস্তাপ বেড়েছে- এদের সাথে পাল্লা দিয়েছে বেড়েছে অবৈধ সম্পর্ক আর তার সাথেই বেড়েছে টুপি বোরখা আর হিজাবের পরিমাণ।
কদিন আগে বেখেয়ালী বাতাসে জানালার পর্দা উড়ে যাওয়ার পর চোখে পড়লো এক মা হিজাবীন এক দাড়ালের প্যান্টের চেন খুলে খানা তল্লাশী করছে- কি খুঁজছে কেনো খুঁজছে জানি না- বোধ হয় তল্লাশী চলাকালে অফিশিয়াল ড্রেসকোড মেইনটেইন করতে হয়। উঠতি বয়েসের ছেলে মেয়ে পরস্পরের শরীর উদঘাটন করবে- তবে বাতাসের রসিকতায় আমার মতো পাপীতাপীর চোখেও এই খেলাধুলার চুম্বক অংশ ধরা পড়বে ভাবি নি-
আমাদের হিজাব বিষয়ে অতিশয় স্পর্শ্বকাতর আস্তমেয়ে যদি আমার এ কথায় আপত্তি প্রকাশ করে কিংবা যদি তার মনে হয় এই শরিয়তী পোশাকে কেনো একজন আরেকজনের গোপনাঙ্গে কি তল্লাশী চালাচ্ছে এটার জন্য আত্মপক্ষ সমর্থনে আমি শুধু বলবো- বেখায়ালী বাতাসে পর্দা উড়ে যাওয়ায় ঢাকা শহরের পরস্পরে গায়ে গায়ে লেগে থাকা এপার্টমেন্টের জানালা দিয়ে দেখা দৃশ্যের মেয়েটার সাথে তেমন সামাজিক পরিচয়ের সুযোগ হয়ে উঠে নি আমার- আর যদি কোনো এক পাকেচক্রে তার সাথে সামাজিক পরিচয়ও ঘটে যেতো তবে আমার মনে হয় না শরিয়তী পোশাকে কেনো যে শিশ্ন নিয়ে নাড়াচাড়া করছিলো এ প্রশ্নটা তাকে করাটা কোনো শোভন বিষয় হতো।

আমাদের সামাজিকতার অনেক দায় থাকে- এটাও তেমনই একটা বিষয়- তবে একটা বিষয় নিশ্চিত আমি এ দুজনের ভেতরে কোনো বৈবাহিক সম্পর্ক নেই-

হিজাব আর বোরখার আগ্রাসন সম্পর্কে আমার এক বন্ধুর অভিমত ছিলো ঢাকা শহরের অধিকাংশ মেয়ে যারা হিজাব আর বোরখা পড়ে থাকে তারা সামাজিক ভাবে নিষিদ্ধ কিংবা অবৈধ সম্পর্কপ্রবন, তারা মুখ ঢেকে রাখছে কারণ তারা নিজেদের মুখ দেখাতে লজ্জা পায়-
আমার মনে হয় এ রকম মেয়েদের সংখ্যা আসলেই কম হবে না।

দাঁত ব্রাশ না করা অশ্লীল উল্লুকেরা নবীর সুন্নতে এতই মনোযোগি- মুষ্ঠি মেপে দাড়ি রাখে, কানের উপরে চুল পড়তে দেয় না- গোঁফ কামায়- হাঁটুর একটু নিচে পাজামা পড়ে- বিশাল বুক পকেটসহ পাঞ্জাবী পড়ে-

কাকরাইল মসজিদের আশে পাশে অনেক উল্লুক ঘুরে- এরা আবার বেশ উঁচু কাস্টমমেড চামড়ার জুতা পড়ে- নবীজির সুন্নতা- ধন কাটানোর সুন্নতের পর থেকেই সুন্নতে মগ্ন এসব মানুষেরা আন্তরিক ভাবে বিশ্বাস করে নবিজীর নির্দেশিত পন্থায় জীবন যাপন করা উচিত- সেই এক পেয়ালা পানিতে স্বামী স্ত্রীর গোসল করার সুন্নতও বোধ হয় তারা পালন করে।
উৎসাহী ব্যক্তিটা বোখারীর পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা এবং গোসল সংক্রান্ত হাদিসগুলো পড়ে সে মোতাবেক বিধিব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেন- মুসলিমেও বেশ চমৎকার জলকেলীর বর্ণনা আছে- অজুর নির্দেশাবলীও আছে- বলা আছে কেউ যদি সঠিক নিয়মে অজু করে সঠিক ভাবে ২ রা'কাত সালাত আদায় করে তবে তার জান্নাত নির্দিষ্ট।
আমি নিশ্চিত এটা সঙ্গেমের দোয়া পড়ে শরীয়ত মেনে সঙ্গম করে- অতএব বাংলাদেশ বহুদিন ধরেই নবীর জীবনযাপনের অনুকরণলোভী বিশাল এক জনসমষ্ঠি বিদ্যমান।
যেহেতু আরব থেকে বিমানে বা ট্রাকে চাপিয়ে উট আমদানী সম্ভব না তাই এদের জন্য ভারত থেকে কোরবানীর সময় উট আমদানী করা হয়- এদের অবশ্য দুর থেকে তীর ছুঁড়ে মারা হয় না- এসব উটকে জবাই করে কিভাবে এটাও একটা দর্শনীয় বিষয় হতে পারতো- তবে আমার দুর্ভাগ্য আমি এমন কোনো উল্লুকের সাথে ঘনিষ্ঠ ভাবে পরিচিত না যারা কোরবানীর সময় উট জবেহ করে।
দেওয়ানবাগ পীর সাহেবের ব্যবসাবুদ্ধি ভালো- অনেকটা সমাজসংস্কারক উল্লুক ইউনুসের মতো- ইনুছ্যা শালা নোবেল কমিটির কাছে আবেদন করছে তার উপঢৌকনপ্রাপ্ত অর্থে যেনো কোনো করারোপ না করা হয়-বাংলাদেশের রাজস্ব দপ্তরের কাছে অনুরূপ একটা আবেদন করছে শালর পুতে যেনো তার নোবেলে প্রাপ্ত পুরস্কারের উপর কোনো করারোপ না করা হয়- জাউরা বেনিয়ার পোলা এই অর্থ সামাজিক বাণিজ্য খাতে বিনিয়োগ করবে- ইনুচ্যার কথা বাদ দেও-
দেওয়ানবাগি পীর সাহেব উট আমাদানী করেছিলেন কয়েক বছর আগে- তার ১টা গর্ভবতী ছিলো এবং সেটা কোরবানীর হাটেই প্রসব করে- পীরভক্ত মুরিদেরা এতে হুজুরের কেরামতি খুঁজে পেয়েছিলো- আমি সঠিক ভাবে বলতে পারছি না এতে হুজুরের কৃতিত্ব ঠিক কতটা- তার বীর্য কি এতটাই শক্তিশালী যে তা কোরবানীর হাটেই উঠকে গর্ভবতী করলো এবং গর্ভস্থ ভ্রূণকে পরিপূর্ণ করে কোরবানীর হাটেই সেটাকে প্রসব করলো উটমাতা।
কোন মাজেজা বলে তিনি উটকে গর্ভবতি করলেন এবং তাকে পরিপুষ্ঠ করলেন আমি জানি না
যদি ধরেও নেই এটা সঠিক তবে একটা প্রশ্নই মাথায় আসে- কেনো দেওয়ানবাগী উটগমন করলেন। উটগমনের খুচরা কৌতুন মনে পড়েছে এ সুযোগে ঝেড়ে দেই।

ইরাকে যুদ্ধ চলছে০ মরুভূমিতে ছাউনি গেড়েছে সৈন্যরা- ডেমোক্রেটরা যুদ্ধের বরাদ্দ সংক্রান্ত বিল এখনও পাশ করে নি- আর সাঁজোয়া যানের তীব্র সংকট- এর উপরে আছে স্বাধীনতাকামী আত্মঘাতী বোমাবাজ- এর ভেতরেই এক লাজুক অফিসার ইউনিট প্রধান হয়ে আসলেন সেখানে-
দিন গেলো- সপ্তাহ গেলো- মাসও গেলো- কামতাড়িত হয়ে উঠলেন সে অফিসার- তিনি অধঃস্তনকে ডেকে পাঠালেন- সইতে না পেরে তিনিঅধঃস্তনকে বললেন তোমাদের চাহিদা হলে তোমরা রসদ সংগ্রহ করো কিভাবে?অধঃস্তন ঠিক বুঝতে পারে নি কথার সারমর্ম- তাই সে বিনীত গলায় আবারও বললো কি বললেন স্যার?

লাজুক অফিসার লজ্জা অতিক্রাম করে বললো তোমাদের কামতাড়না জাগলে তোমরা কি করো-

তাবুর সামনে বাঁধা উঠ দেখিয়ে দিয়ে চলে গেলো অধঃস্তন- অফিসার উটকে নিয়ে তাবুতে ঢুকলেন- বিভিন্ন রকম প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হওয়ার পর সেন্ট্রিদের সহায়তায় ইচ্ছামতো কোপালেন উটকে- এর পর প্যান্টের চেন লাগিয়ে সুস্থির হয়ে আবারও ডাকলেন অধঃষ্টনকে- এই কাজের জন্য তোমরা এত হুজ্জত সহ্য করো? লাথি খাও উটে?
মুচকি হেসে অধঃস্তন বললো -নাহ স্যার আমরা এই উটে চেপে পাশের শহরে যাই এ তাড়না দুর করতে।

মরুভুমিতে এক শেখ আটকা পড়ে আছে- পেশায় মেকানিক- একটা মরুদ্যানের পাশে একটা গাড়ী সারাইয়ের দোকান খুলে বসে আছে সে- তবে সেখানে মাছিও মরতে আসে না- এমন কি তার পরিবারও নেই- থাকার বলতে আছে কয়েকটা উট- এদের পিঠে চেপেই সে বিভিন্ন জায়গায় যায়-অনেক দিন নারী সঙ্গবিহীন তাই উত্তেজিত হলেই উটগমনের চেষ্টা করতো সে- তবে সফল হতো না কোনো দিনই- এভাবেই একটা রোখ চেপে গেলো তার-

এমনই এক দিনে ২ অনিন্দ্যসুন্দরীর গাড়ী নষ্ট হলো তার গ্যারেজের থেকে একটু দুরে।দিগন্ত বিস্তৃত বালিয়ারী পরিস্থিত মোটামুটি ভয়ংকর-তাই এমন বিরুপ পরিবেশে একটা মেকানিক পেয়ে মেয়ে দুটো আহ্লাদিত- তারা মেকানিককে গাড়ী ঠিক করে দেওয়ার অনুরোধ করলো-
মেকানিক বললো করে দিতে পারি যদি আমার একটা অনুরোধ রাখো
মেয়ে দুটো বললো তুমি যা অনুরোধ করবা আমরা রাখবো- তুমি আমাদের গাড়ী অতিসত্ত্বর ঠিক করে দাও।
কিছুক্ষণ পর ফিরে আসলো শেখ - বললো এবার তোমাদের কথা রাখার পালা- মেয়েদুটো বললো ঠিক আছে কথা যখন দিয়েছি তখন কথা রাখবো আমরা- এখন বলো তুমি কি চাও আমাদের কাছে-
কিছুক্ষণ চুপ থেকে মেকানিকটা বললো ঠিক আছে এই উটের রশিটা ধরে রাখতে পারবা শক্ত করে- অনেক দিন পরে একটা সুযোগ আসছে।।
দেওয়ানবাগের কেরামতি যেমনই হোক সুন্নত পাগল আশেকে রসুলেরা উটের দুধ খেতে পছন্দ করে- পেয়ারে নবী উটের দুধ খেতেন- তাই আমাদের উটের দুধ খাওয়া সুন্নত।

উটের দুধও অনেক দাম দিয়ে কিনে খায় মানুষ এটা উপলব্ধির পর এখন দেওয়ানবাগী উটখামার বানিয়েছেন বাসায়
তিনি নিয়মিতই তার কেরামতিতে উটকে গর্ভবতী করেন এবং উটের প্সসব বেদনা লাঘব করে দেন- উটের দুধ বেচেন ভক্ত মুরিদানের কাছে।
উটের দুধের খোঁজ খরব নিতেই পীরের শ্রীচরণের শরণাপন্ন হলাম-
উটের দুধের গুনাগুন সপকে তিনি বললেন- এই দুধের উপকারিতা সম্পর্কে যতটুকুই বলা হবে তা কখনও যথেষ্ট বিবেচিত হবে না/
সুতিকা প্রমেহ, ধজ্বভঙ্গ সহ আরও ১২৪টা রোগের উপশম হয় এই দুধে
পুষ্টি আর পুরুষত্ব বৃদ্ধি ছাড়াও আরও ৩৬টা আশ্চর্য গুনাগুন আছে এই দুহে-
তবে এখনও তাট উটের খামারে এত উট জন্ম নেয় নি যে তিনি তা ব্যবহার করে সুন্নতী আইসক্রীম- উটের দুধের পায়েস- উটের দুধের ছানা বানাবেন- যদিও এক ভক্ত মুরিদান বলেছে উটের দুধের স্বাধ স্বর্গের মেওয়ার মতো-
আমি সন্দেহ প্রবণ- সে কিভাবে বেহেশতী মেওয়ার স্বাদ পেলো।
যদি কারো বাঞ্ছা থাকে, কারো যদি উটের দুধ খাওয়ার ইচ্ছা হয় তাহলে আমাকে টোকা দিন- আমি বিক্রয় কেন্দ্রের যোগাযোগের নম্বর দিতে পারি।
১৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্পর্শে_ _ _ _ _

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরীচকাি ও নক্ষত্র

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:১০


মেয়েটি অত্যন্ত শান্ত ভঙ্গিতে টিস্যু পেপার দিয়ে ঠোঁটের কোণ মুছে নিল। তারপর সরাসরি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে অবলীলায় বলল, "নীল, আমি প্রেগন্যান্ট!"
আমি তখন চায়ের কাপে সবেমাত্র একটা অসতর্ক চুমুক দিয়েছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল গ্রহের শেষ প্রেম // কেয়া এবং আমি।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৪ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



আমি ভেসে আছি মহাশূন্যে।
আমার শরীরে রূপালী স্পেসস্যুট।
চারপাশে অসীম অন্ধকার।
আর আমার সামনে দূরে জ্বলছে এক নীলাভ-সবুজ গ্রহ—
Earth-666।
এই গ্রহেই আমার জন্ম।
এই গ্রহেই আমি প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।
আর এই গ্রহই আমার কাছ থেকে সবকিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×