somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অটো ছাতা

০৫ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হায়রে প্রবাস জীবন! ৪৬ ডিগ্রি তাপমাএায় রাস্তা পরিস্কার করা কত যে কষ্ট তাহা একমাএ যে করে সে বুঝে।এ বছর বাংলাদেশে সর্বচ্চ তাপমাএা উঠেছিল ৪২ ডিগ্রি সিলসিয়াস এই তাপমাএায় প্রতি ঘরে অসুস্থ হয়ে গিয়েছে ২/৩ জন করে বা তার ও বেশী । ৪০ বছরে ও এই গরম পড়ে নাই। আর যারা মধ্যেপ্রাচ্যর ৪৮ডিগ্রি তাপমাএায় এভাবে রাস্তায় কাজ করে তাদের কি অবস্থা ?একবার কি ভেবে দেখবেন?
আমার একবন্ধু দেশে যাবে তার থেকে কিছু মালপএ দিব গিন্নির জন্য আর বাচ্চার জন্য। তাই পচন্দের মার্কেটে গেলাম। মার্কেটের নাম “রিয়াদ মোল” অত্যাধনিক জিনিস পএ পাওয়া যাই।তাই সেখানে গেলাম। মার্কেটে ঢুকতেই দেখি মাথার মাঝে ছাতা লাগা এক লোক এই রৌদ্রের মাঝে রাস্তা পরিষ্কার করছে। এখানে আর্কশনীয় হলো তার একহাতে ঝাড়ু আর একহাতে বালতি সে ছাতি ধরল কি ভাবে?
আমি ভালো করে লক্ষ করলাম ব্যাপারটা। দেখলাম ছোট একটা ছাতা মাথার সাথে রাবার দিয়ে পেছানো। ছাতাটার ওজন হবে ২০০ গ্রামের মতো।যে জায়গায় আমরা হাত দিয়ে ধরি সেখানে গোল প্লাষ্টিক দিয়ে বাধানো। সেটা মাথার সাথে বেধে দেয়। শুধু রৌদ্রের তাপ থেকে বাচার জন্য। এই ছাতাকে আবার পকেটের মাঝে ও রাখা যাই।ছাতাটা আমার পচন্দ হয়েছে। তাকে বললাম ভাই এটা কোথায় পাওয়া যাবে সে আমাকে বলল যে ভাই এটা আমাদের কোম্পানী দিয়েছে। আমি জানি না।তার নাম আনিছ দেশের বাড়ী খুলনা। ৯ বছর যাবত এই কাজ করে। তিনবার দেশে গিয়াছে।বেতন তার ৭০০রিয়াল।৮ ঘন্টা ডিউটি। ডিউটি শেষে বাহিরে ২টা পারটাইম জব করে পাই ৮০০ রিয়াল। মোট ১৫০০রিয়াল পাই মাসে।খুব ভালো আছে বলল।
অথচ দেশে যাওয়ার পর আমাদের চলাফেরা কত সুন্দর। পারফিউমের গন্ধে মানুষ মাতাল হয়ে যাই। দু হাতে টাকা খরচ করি।মাথার ঘাম পায়ে পেলে যে টাকা আয় করি সেটা আমাদের খেয়ালই থাকে না।আত্নীয় স্বজনেরা আসে উপহার নেয়ার জন্য না দিতে পারলে মন খারাপ। আসলে প্রবাস জীবনটাই খুব কষ্টের।এখানে সুখ নেই।আছে দু:খ আর দু:খ । যারা প্রবাসে আসবেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ বিদেশ আসার আগে ভেবে চিন্তে । কি কাজ, কত ঘন্টা ডিউটি সব জেনে আসবেন।যে দেশে যাবেন সে দেশের সর্ম্পকে আগে জেনে নিবেন। তাহলে আপনার আর কোন সমস্যা হবে না।একটা প্রবাদ আছে “ভাবিয়া করি ও কাজ ,করিয়া ভাবি ও না”।
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনব প্রতারনা - ডিজিটাল প্রতারক

লিখেছেন শোভন শামস, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৮



একটি সাম্প্রতিক সত্য ঘটনা।
মোবাইল ফোনে কল আসল, একটা গোয়েন্দা সংস্থার ছবি এবং পদবী সহ। এই নাম্বার সেভ করা না, আননোন নাম্বার। ফোন ধরলাম। বলল আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে নিজেকে বদলে দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×