somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আসুন, সবাই একটু নতুন করে ভাবতে শিখি…

৩০ শে জুলাই, ২০১১ রাত ১২:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যেকোন একটি কাজ কিভাবে করতে হয় তা জানা থাকলে বেশিরভাগ সময়ই আমরা চেষ্টা করি কাজটি ঠিক সেভাবেই সম্পন্ন করতে, এবং অন্যদেরকেও কাজটি ঠিক একইভাবে করতে শেখাই। তাদের কাছ থেকেও আবার অন্যরা ঠিক একইরকম ভাবেই কাজটি করতে শেখে। এভাবে এমন এক পর্যায়ে পৌছে যে দেখা যায় সবাই একটি কাজ একইভাবে করে যাচ্ছে কিন্তু এই বিশেষ নিয়মে কেন কাজটি করা হচ্ছে সেটা কারোরই জানা নেই। মানুষের স্বভাবই হল একটি কাজ যেভাবে করতে শেখে প্রতিবারই ঠিক সেভাবেই কাজটি করতে চায়, ভিন্ন কোন উপায়ে কাজটি সমাধা করার চ্যালেঞ্জ অনেকেই নিতে চায়না। আমাদের এই বৈশিষ্টের সাথে অবশ্য বানরের স্বভাবের অনেকটা মিল পাওয়া যায়। একটা গল্প বলে নেইঃ

“একটি খাচায় পাচটি বানর রেখে বানরের বৈশিষ্ট্য নিয়ে একটি এক্সপেরিমেন্ট করা হয়েছিল। খাচার ভিতরে একটি দড়িতে কয়েকটি কলা ঝুলিয়ে রাখা হল, তার নিচে একটি সিড়ি এমনভাবে দেয়া হল যেন কলার নাগাল পেতে হলে সিড়ির সবচেয়ে উপরের তলায় উঠতে হয়। প্রথমেই একটি বানর যখন কলা খাওয়ার জন্য সিড়ির উপরে উঠা শুরু করল তখনই অন্য চারটি বানরের গায়ে খাচার বাইরে থেকে বরফ শীতল ঠান্ডা পানি ছিটানো শুরু করা হল। তার কিছুক্ষন পর আবার অন্য একটি বানর সিড়ি দিয়ে উপরে ওঠার চেষ্টা করলে আবারও বাকিদের গায়ে ঠান্ডা পানি দেয়া হল। তো বানরগুলো যখন বুঝতে পারল যে কেউ একজন সিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে চাইলেই অন্যদের গায়ে ঠান্ডা পানি দেয়া হবে তারপর থেকে তাদের মধ্যে কেউ সিড়ির দিকে আগানো শুরু করলেই অন্যরা মিলে তাকে জোর করে আটকানোর জন্য তার উপর ঝাপায় পড়ত, সিড়ির দিকে আগানো মানে তার গনধোলাই নিশ্চিত।
এখন, ঠান্ডা পানি দেয়া বন্ধ করা হল, খাচার ভেতরের পাচটি বানরের মধ্যে একটিকে সরিয়ে নতুন আর একটিকে রিপ্লেস করা হল। নতুন বানরটি কলা দেখেই সিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে গেল। সে কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখল বাকিরা তারে নিয়ে খেলাধূলা শুরু করে দিসে। কিছুক্ষন পর সে আবার ট্রাই করল, কিন্তু ঘটনা আগের মতই। নতুন বানরটি বুঝতে পারল সে সিড়ি দিয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করলেই তার উপর এট্যাক করা হবে।
তারপর আবার পুরাতন চারটি বানরের মধ্য থেকে আর একটিকে নতুন আর একটি বানরের সাথে রিপ্লেস করা হল। নতুন বানর খাচার ভিতরে ঢুকে সিড়ির দিকে অগ্রসর হতে না হতেই সেও গনধোলাই এর শিকার। এবারের ধোলাই এ সবচেয়ে বেশি উদ্যমী আর উৎসাহী দেখা গেল তার পূর্ববর্তী নতুন বানরটিকে যে কিনা তার কিছুক্ষন আগেই গনধোলাই খাইসে। একইভাবে পুরাতন তিনটি বানর থেকে আরো একটিকে রিপ্লেস করা হল, তারপর চতুর্থ এবং পঞ্চমটিকেও নতুন বানর দিয়ে রিপ্লেস করা হল। কিন্তু প্রতিবারই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। যখনই একটি করে নতুন বানরকে খাচায় ঢোকানো হয় আর সে শিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে চায় তখনই তাকে বাকিদের দ্বারা গনধোলাই খেতে হচ্ছে।
এখন খাচার ভিতরে পাচটি বানরই নতুন। একদম শুরুর পাচটি বানর থেকে সবগুলোকেই এক এক করে সরিয়ে ফেলার পর নতুনদের মধ্য এমন কেউই নেই যে তার ওপর ঠান্ডা পানি ছেটানো হয়েছিল। নতুন পাচটি বানরের মধ্যে কারোরই কোনো আইডিয়া নাই যে কেন তাদের শিড়ির উপরে উঠতে দেয়া হয় নাই আর কেউ একজন শিড়ি বেয়ে উপরে ওঠার চেষ্টা করলে কেন বাকিরা সবাই মিলে তাকে বাধা দিচ্ছে। কিন্তু তারপরও তারা নতুন কেউ আসা মাত্রই তাকে শিড়িতে উঠতে বাধা দিচ্ছে । কারন তারা ধরেই নিয়েছে যে শিড়ি বেয়ে কেউ উপরে উঠতে চাইলেই তাকে আটকাতে হবে, এটাই তারা তাদের নিয়ম হিসেবে মেনে নিয়েছে। যদিও শিড়ি দিয়ে ওপরে উঠতে বাধা দেয়ার প্রকৃত কারনটি তারা কেউই জানেনা।” বানরের ক্ষেত্রে এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ঘটনা। কারন তাদেরকে কোন কাজ যেভাবে শেখানো হয় তারা সেভাবেই করে। কোন বিষয়ে নতুন করে কিছু চিন্তা করার ক্ষমতা তাদের নেই।

তেমনি অনেক সময় আমরাও কিন্তু যে কোন বিষয়ে নতুনভাবে চিন্তা না করে প্রচলিত ধারাকে অনুসরন করাকেই সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি মনে করি। আমাদের বাস্তব জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় নতুনভাবে কিছু চিন্তা করতে বা নতুনভাবে কোন কাজ করতে কোন প্রকার বাধা বা ক্ষতির সম্ভাবনা না থাকলেও আমরা কাজটি ঠিক যেভাবে করতে দেখেছি সেভাবে করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। আমাদের জীবনের ছোট ছোট বিষয়গুলো থেকে শুরু করে সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রেও দেখা যায় আমরা একটা নির্দিৃষ্ট গন্ডীর বাইরে বা কোন প্রচলিত নিয়মের বাইরে কখনোই চিন্তা করতে পারিনা। এই গৎবাঁধা নিয়ম আর প্রচলিত ধ্যান ধারনার বাইরে আসতে পারি না বলেই হয়ত আমরা এখনও কোন দিকেই খুব বেশি একটা উন্নতি করতে পারি নাই। নতুন নতুন ধারনাকে দমিয়ে না রেখে সেগুলোকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়ায় তা থেকে সফলতা অর্জনের কয়েকটা উদাহরন দেই।

অনেক আগ থেকেই ঘড়ি তৈরিতে সুইজারল্যান্ড ছিল বিশ্বের এক নম্বর অবস্থানে। ১৯৬৮ সালে সুইস বিজ্ঞানিরা যখন ইলেক্ট্রনিক বা ডিজিটাল ঘড়ি আবিষ্কার করল তখন সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত ঘড়ি কোম্পানি্গুলোর কোনটাই সে বিষয়ে কোন আগ্রহ দেখালো না। ডিজিটাল ঘড়িতে কোন কাটা বা স্প্রিং নাই আর তখনকার মানুষ স্প্রিং আর কাটা ওয়ালা ঘড়ি ব্যাবহার করতেই অভ্যস্ত ছিল, তাই ঘড়ি কোম্পানিগুলো ধারনা করেছিল এই নতুন ধরনের ঘড়ি তৈরি করে তাদের ব্যাবসায় খুব একটা লাভ হবেনা। কিন্তু সেকো নামের একটি নতুন কোম্পানি এই নতুন আবিষ্কারটি লুফে নি‌ল। কিছুদিনের মধ্যেই সেকো হয়ে উঠল ঘড়ির মার্কেটে এক নম্বর কোম্পানি।

UNIVAC I (Universal Automatic Computer I) যখন প্রথম আবিষ্কার হল তখন ব্যাবসার ক্ষেত্রে কম্পিউটার খুব একটা প্রয়োজন হতে পারে এমন ধারনাকে মোটেও পাত্তা দেয়নি এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। তাদের ধারনা ছিল কম্পিউটার শুধুমাত্র ব্যাবহার হবে বিজ্ঞানীদের গবেষনার কাজে। এরপর আসল আই বি এম, ব্যাবসায়িক ক্ষেত্রে কম্পিউটারকে উপযোগী করে তারা জয় করল বিশ্ব বাজার। কিন্তু তখনও কেউ কল্পনাই করেনি যে শুধুমাত্র ব্যাক্তিগত কাজেও কম্পিউটার ব্যাবহার হতে পারে। এক সময় আইবিএম ই বলেছিল যে, সারা বিশ্বে হয়ত হাতেগোনা পাচ থেকে ছয় জনের বেশি খুজে পাওয়া যাবেনা যাদের পারসোনাল কম্পিউটার এর প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু সবাই যদি তাদের এই ধারনাকে বিশ্বাস করে বসে থাকত তাহলে হয়ত আজকে এত নিত্যনতুন মডেলের laptop আর macbook এর আবিষ্কার হতনা।

ফটোকপি মেশিন তৈরির ফর্মুলা যখন আবিষ্কার হল বিশ্বের বড় বড় কোম্পানি যেমন IBM বা KODAK কেউই এই মেশিন তৈরিতে বিন্দুমাত্র উৎসাহ দেখায়নি। কারন তখন কার্বন পেপার ছিল খুবই সহজলভ্য আর তার দাম ছিল একেবারেই নগন্য। তাই তারা মনে করেছিল এত কম দামের কার্বন পেপার ছেড়ে এত বেশি টাকা খরচ করে ফটোকপি মেশিন আর কয়জনই বা কিনবে। কিন্তু তাদের এই ধারনাকে ভুল প্রমানিত করে মাত্র চার-পাঁচ জনের একটা গ্রুপ কিছু ফান্ড কালেকশন করে তৈরি করল ফটোকপি মেশিন তৈরির একটি কারখানা। এই ফটোকপি মেশিন তৈরি করেই কয়দিনের মধ্যে তারা সবাই হয়ে গেল মাল্টি মিলিওনিয়ার। আর সেটাই এখন বিশ্বখ্যাত ‘Xerox’ কোম্পানি। মনে করতে পারেন শেষ কবে কার্বন পেপার দেখেছেন?

এই প্রেক্ষাপট থেকে এখন আমরা একটু আমাদের নিজেদের অবস্থানের কথা চিন্তা করি। আমরা যদি আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থার দিকে তাকাই সেখানেও দেখব সেই একই গৎবাঁধা নিয়মের ধারাবাহিকতা। বই আর নোট পড়ে মুখস্ত করে পরীক্ষার খাতায় তা হুবহু তুলে দিলে সে পাবে একশ তে একশ। আর নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে সম্পূর্ণ নিজের ধারনা থেকে বই এর চেয়ে হাজারগুনে ভাল লিখলেও তাকে বেশি নম্বর দেয়া যাবেনা- বেশিরভাগ শিক্ষক এই নীতিতেই বিশ্বাসী। এতে করে প্রথম থেকেই আমরা আমাদের নতুন নতুন চিন্তাধারা বা আইডিয়া গুলোকে বাস্তবে রূপ দেয়ার সাহস হারিয়ে ফেলছি। ফলে বুয়েট, মেডিকেল আর ভার্সিটিতে অনেক অনেক মেধাবি ছাত্র থাকা সত্ত্বেও তাদের পক্ষে নতুন নতুন তত্ত্ব বা নতুন কিছু আবিষ্কার করা সম্ভব হচ্ছেনা। কারন কোনো একটি বিষয় নিয়ে ভিন্ন আঙ্গিকে চিন্তা করার ক্ষেত্রে শুরু থেকেই আমাদের নিরুৎসাহিত করা হয়।

আবার আমরা যদি রাজনীতির ক্ষেত্রে দেখি, সেখানেও কিন্তু আমরা সেই একই ধ্যান ধারনায় বিশ্বাসী। যখন বিরোধী দলে থাকি তখন সবক্ষেত্রেই সরকারি দলের বিরোধিতা করতে হবে,তারা ভাল কাজ করলেও আন্দোলন করতে হবে খারাপ কাজ করলেও আন্দোলন করতে হবে, কোন কাজেই তাদের সহযোগিতা করা যাবেনা। কারন সহযোগিতা করাটা তো প্রচলিত ধারার বিরোধী হয়ে যায়। এতে সবার যদি মঙ্গলও হয় তবুও তা করা যাবেনা। আর হরতাল, গাড়ি ভাংচুর, আর সংসদে ওয়াক আউট করাটাই যেন আন্দোলনের একমাত্র উপায়। এর থেকে ভিন্ন ধরনের কোন উপায়, যা থেকে সবার মঙ্গল হবে এমন কোন কর্মসূচী আমাদের মাথায় আসেনা। আসলেও তা যদি ফলপ্রসূ না হয় সেটার রিস্ক কে নিবে? হরতালের ইতিহাস খুজতে গেলে হয়ত দেখে যাবে কোন এক সময় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল যে তখন হরতাল করা ছাড়া আর অন্য কোন উপায় ছিল না। কিন্তু এখন যে কোন ইস্যূতেই আন্দোলন কর্মসূচী নিয়ে আমাদের আর নতুন করে ভাবতে হয়না। আগে হরতাল হইসে এখনও হরতাল হবে, এটাই তো সহজ হিসাব।

কর্মক্ষেত্রেও আমরা সবসময় এমনটিই করে থাকি। যেকোন একটি কাজ হাতে আসলে আমরা প্রথমেই আগের ফাইল পত্র খোজা শুরু করি, দেখি কাজটা আগে কিভাবে করা হয়েছে। নতুনভাবে কিছু করতে গেলে যদি কোথাও কোন ভুল হয় সেই ভয়েও আমরা অনেক সময় তটস্থ থাকি। তাই নিজের স্টাইলে নতুনভাবে কিছু করার চেয়ে সবসময় কাজটা যেভাবে হয়ে আসছে সেটাকেই ফলো করি। সেই খাচার বানরের মত আমরাও একইভাবে একই জিনিস বার বার প্রডিউস করতে থাকি। কোন কাজকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়ার ক্ষমতা তাই আমরা ক্রমশই হারিয়ে ফেলছি।

বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই মানুষের ব্যাক্তিগত চিন্তাচেতনা এবং দৃষ্টিভঙ্গির যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হয়। যার ফলে তারা প্রচলিত ধারনার বাইরে নিজের উদ্ভাবিত তত্ত্ব বা দর্শনকে বাস্তবে প্রমান করার ক্ষেত্রে অনেক উৎসাহী হয়। এতে করে দেখা যায় যে সমাজ বা দেশের অনেক সমস্যার সমাধানও এর মধ্য থেকেই বের হয়ে আসে। এভাবে আমরাও যদি শুধুমাত্র যা শিখে আসছি বা যা দেখে আসছি তার মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে নিজের জ্ঞান-বুদ্ধি আর বিবেক কে কাজে লাগিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করতে শিখি তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান আমরা নিজেরাই করতে পারব। তাই আমাদের উচিত আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম তাদের সৃজনশীল চিন্তা ভাবনাগুলোকে যেন চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে পারে তার পরিবেশ তৈরি করে দেয়া, তাদেরকে নতুন করে কিছু চিন্তা করতে উতসাহিত করা। না হলে হয়ত আমরা আজিবন সেই খাচার বানরের মত অগত্যাই নিজেদের মধ্যে মারামারি করে যাব, কলাটি আর কখনোই খাওয়া হবেনা!!



৫টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×