somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশি গারমেন্টস শ্রমিকের লাশের মিছিল কোনদিনই কি থামবে না ?

১৩ ই জুন, ২০১৪ রাত ২:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হায়রে পাগল শ্রমিকের দল ,তোরাতো বুঝবিনা এরা তোদের আপন নয় ।এরা তোদের লাশ নিয়ে রাজনিতী করেছে,কোরছে এবং ভবিষ্যতেও কোরবে। তোরা আর কান্দিসনা ,কেঁদে কোন লাভ পাবিনা তোরা মরেছিস ইটের আঘাতে আর তোদের সন্তান মরবে আগুনে পুড়ে ।এবার বলি আসল কথা এতক্ষন তুই তুকারি করে কাদের সঙ্গে কথা বললাম।কথা বল্লাম রানাপ্লাজার দুঃরঘটনার শিকার আমার সকল ভাই ও বোনদের আত্মার সঙ্গে,তাদেরকে বল্লাম আমাদের অসহায়ত্তের কথা ।জানিয়ে দিলাম আগামি দিনের দুঃর ঘটনার কথা। বল্লাম তোমরা আগে চলে গেছো আমরাও আসছি ,কিছুক্ষন অপেক্ষা কর ,দেখবে তোমাদের মত আমাদের লাশ নিয়েও রাজনিতী হবে ।
এখন মূল কথায় আসি গত বছর ২৪শে এপ্রিলের রানা প্লাজার দুঃঘটনায় আহত নিহত সকল ব্যক্তির কথা বলছি । এই দুঃঘটনায় আহত হন প্রায় ২৫শত এবং মারা যায় ১১২৯ জন। বাঁকিদেরকে সেখান থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। প্রায় ২০ দিন ধরে চলে উদ্ধার অভিযান ।সব শেষে মেজোর সাহেব বল্লেন এখানে আর একটি লাশের কনাও পাওয়া যাবেনা ।অনেক পরিক্ষা নীরীক্ষা করার পর কথাগুলো বলেছিলেন সেখানকার দায়িত্তশিল মেজর সাহেব। আমাদে দেশে সেনাবাহিনিকে দক্ষ্য বাহিনি বলে বিবেচনা করা হয় ।এখন প্রশ্ন হল তাদের দক্ষ্যতা যেখানে লাশ খুজেপেল না শেখানে মাঝে, মাঝে,প্রায় প্রায়ই পথচারি টোকাই শিশুর দল লাশের অবশিষ্ট্য অংশ কংকাল উদ্ধার করছে,তাহলে আসলে দক্ষ্য কারা টোকাইরা না সেনাবাহিনি? যদি সেনাবাহিনি হয় ,তাহলে তারা লাশ খুজে পেলনা কেন? না তাদের উপর সরকারি চাপছিল? অবশ্য এখানে উদ্ধার অভিযান দূরুত শেষ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করার পেছনে যথেষ্ট করণ বিদ্যমান ছিল ,কারন লাশে মিছিলে পোশাক শিল্পের বৃহত বাজার মধ্য প্রাচ্য ও পশ্চিমা বিশ্বের শক্তিশালি রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশের পোশাক ক্রয় বিক্রয়ের উপর বিধি নিষেধ আরোপ করে ।আর সম্ভবত একারনেই মৃতের সংখ্যা কমাতে স্থগিত করাহয় উদ্ধার অভিযান ।অবশেষে সাজানো নাটক রেশমা আবিষ্কারের পর বিষয়টি ক্রমান্নয়ে ধামাচাপা পরে যায়।ফলাফল ০ কিন্তু যারা পংঙ্গু হয়েছিল তারাও পাচ্ছেনা কোন সরকারি বিশেষ সাহায্য বা সহোযোগিতা মধ্যখানে তারা এখন সমাজে অবহেলিত, লান্চিত । এই গরিব লোক গুলোকে নিয়ে রাজনীতি কবে বন্ধ হবে ? সরকারইবা কবে এই শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে ভাববে সেটাকি কারো যানা আছে ? মূলত এই শ্রমিকের শ্রমই কিন্তু সরকারের চাহিদা মেটায়। তাই নয় কি ?
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাননীয় "যদি-কিন্তু" সাহেবের বিদায়ী ভাষণ একটি কাল্পনিক রম্য রচনা

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯

মাননীয় "যদি-কিন্তু" সাহেবের বিদায়ী ভাষণ
একটি কাল্পনিক রম্য রচনা

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

একদিন সকালবেলা, চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে জাতি খবরের কাগজ খুলে দেখল, দেশের সবচেয়ে বড় পদটির জন্য মনোনীত... ...বাকিটুকু পড়ুন

"ধর্ষক ও চরিত্রহীনদের বাঁচাতেই কি ওয়াজের মঞ্চ? সাধারণ মানুষকে আর কত অন্ধ বানিয়ে রাখবেন!"

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১২


ধর্মের দোহাই দিয়ে ধর্ষক ও ব্যভিচারীদের পাপ ঢাকা এবং সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে অন্ধ বানিয়ে রাখার এই ভণ্ডামি আর কতকাল সহ্য করবেন?
পবিত্র ইসলাম আর সাহাবিদের ত্যাগকে কতখানি নামালে এই ভণ্ড মোল্লা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিঃশব্দ প্রহর

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



খাস খাতার পাতায় কলম চালাচ্ছিলেন ফরিদা বেগম (৪৫)। রাত তখন সাড়ে সাতটা। চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে পাশে বসা ছোট ছেলে সিয়ামকে (৯) বললেন, "হাতের লেখা এত দ্রুত শেষ করলে হবে?... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশিরা কেন বিজেপির পতন চায়?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলে মনে হয় ভারতের ভাগ্য নির্ধারণের গুরুদায়িত্ব বুঝি এদেশের মানুষের ওপর এসে পড়েছে। ভারতে কোথাও একটু আন্দোলন বা উত্তাপ ছড়ালেই এপারে যেন উৎসবের ধুম পড়ে যায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রিয়েলিটি আপনারা মাইনে নেন

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩০



নরেন্দ্র মোদীকে আপনি যতই অপছন্দ করেন না কেন, তার একটা একটা প্রশংসনীয় গুণ আছে। সে বিশেষজ্ঞদের উপদেশ নিতে এবং সেই অনুযায়ী নিজের অপছন্দের কাজটা করতেও পিছপা হয় না।
সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×