somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

‘ঠান্ডা গোশত’....

০৬ ই মার্চ, ২০২১ সকাল ১০:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

‘ঠান্ডা গোশত’....

সাদাত হাসান মান্টোর ‘ঠান্ডা গোশত’ পড়লাম।
এত জীবন্ত লেখনি, মনে হয় এইমাত্র চোখের সামনে ঘটনাগুলো ঘটল!
'ঠান্ডা গোশত' মূলত সাদাত হাসান মান্টোর লেখা জনপ্রিয় একটা গল্পের নাম। সেই গল্পের নামেই এই গল্পগ্রন্থটির নামকরণ করা হয়েছে। উক্ত গল্পটি ছাড়াও নির্বাচিত আরো সাতটি গল্প আছে বইটিতে৷ গল্পগুলো হচ্ছে- 'খুলে দাও', 'কালো সালোয়ার', 'শাহদৌলার ইঁদুর', 'টোবা টেক সিং', 'লাইসেন্স', 'গুরমুখ সিং এর উইল', 'খোদার কসম' এবং 'ঠান্ডা গোশত'।

সবগুলো গল্পই ভালো লেগেছে। এক একটা গল্প পড়েছি আর নির্বাক হয়ে বসে থেকেছি। একদম হৃদয়ের গভীরে নাড়া দিয়েছে প্রতিটা গল্প। যদিও গল্পগুলোয় উপস্থাপনে সেভাবে কোনো অলংকার নেই, জটিল বাক্য নেই, জ্ঞানদান নেই কিন্তু আছে অসাধারণত্ব!
ভালো লাগা উক্তিসমূহঃ
* "লোকেরা নিজেদের ভাগ্য ফেরানোর জন্য এমন এক ফকিরের কাছে ধর্না দেয় যার নিজের ভাগ্যই জং ধরা তালার মতো বন্ধ।"
* "Some people kiss as if they were eating watermelon."
* "মেয়েরা তো হয়ই কিছুটা অন্ধবিশ্বাসী।"
* "দুনিয়াতে এমন কিছু কথা আছে যা জিজ্ঞেস করতে হয় না, বুঝে নিতে হয়।"
* "If you cannot bear these stories then the society is unbearable. Who am I to remove the clothes of this society, which itself is naked. I don't even try to cover it, because it is not my job, that's the job of dressmakers."
* "দুনিয়াতে এমন মা কি সত্যিই আছে যে নিজের বাচ্চাকে চিরদিনের জন্য আলাদা করে রাখতে পারে।"
* "এমন অনেক মেয়েই আছে যারা পরাজয়ের কথা স্বীকার করবে। কিন্তু হাজারও লক্ষ মেয়ে আছে যারা মনে মনে এমন পরাজয় হাজার বার মেনে নিয়েছে।"
* "ভাগিয়ে নিয়ে যাওয়া শব্দটা তো রোমান্টিক একটা শব্দ। যেখানে নারী এবং পুরুষ দুই-এরই মতামত থাকে। ভেগে যাওয়া তো এমন এক খাদ, যেখানে ঝাপ দেয়ার আগে দুজনের সপ্তরিপু একবার ঝনঝন করে নেচে ওঠে৷"
* "বেশ্যাখানায় কোন হিন্দু-মুসলমান হয় না। বড় বড় ব্রাম্মণ পণ্ডিত আর মৌলভীও এখানে এসে উন্মাদ হয়ে যায়।"

পাঠ - প্রতিক্রিয়াঃ-
মান্টোর নাম অনেক শুনলেও পরিপূর্ণ ভাবে পড়েছি 'ঠান্ডা গোশত' বইটি। মান্টোর লেখা পাঠককে নতুন করে ভাবতে শিখাবে। জীবনের অন্য রূপটাকে দেখতে শিখাবে। মান্টোর গল্পগুলো জীবনবোধের কথা বলে, মানুষের চরম অসহায়ত্বের কথা বলে, নারী সত্ত্বার বেঁচে থাকাটাই যে একটা অভিশাপ সেই কথা বলে, সমাজের অন্ধকার দিকের কথা বলে, মানুষের ভেতরের রূপটাকে ফুটিয়ে তুলে এবং সাম্প্রদায়িকতার কথা বলে।

আর হ্যা, বলে নেয়া ভালো যে মান্টোর লেখা পড়া এবং ধারণ করার জন্য মানসিক শক্তির দরকার। কেননা যেই গল্পই পড়েন না কেন পুরোটা গল্পই একদম সহজ-স্বাভাবিক মনে হলেও একটা লাইনে আপনি এমন ধাক্কা খাবেন যে কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে যাবেন। তবে দাংগাবাজদের কাছে ভালো লাগবেনা, কারণ সাম্প্রদায়িক দাংগাবাজদের মুখোশ মন্টো তার লেখায় খোলাসা করে দিয়েছেন। এই বইটি পড়লে ইন্ডিয়ায় বর্তমান মুসলিম নিধন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাকালীন সময়ের অবস্থাটা বুঝবেন এবং গল্পগুলার গভীরতা আপনি মাপতে পারবেন। তবে দেশভাগ সংক্রান্ত লেখা যদি আগে পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই এই গল্পগুলো আপনাকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করবে।
অনিক শাহরিয়ার বইটি অনুবাদ করেন এবং আনন্দম প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে৷
সাদাত হাসান মন্টোর ‘ঠান্ডা গোশত’ গল্প গ্রন্থের সবকয়টি গল্পের সারাংশঃ
আগেই বলেছি -'ঠান্ডা গোশত' গল্প গ্রন্থে মোট আটটি গল্প আছে৷ গল্পগুলো হচ্ছে- খুলে দাও, কালো সালোয়ার, শাহদৌলার ইঁদুর, টোবা টেক সিং, লাইসেন্স, গুরুমুখ সিং এর উইল, খোদার কসম এবং ঠান্ডা গোশত। গল্প গ্রন্থের ধারাবাহিকতায় প্রতিটি গল্পের সার অংশ তুলে ধরছিঃ-

'খুলে দাও' -গল্পে বৃদ্ধ সিরাজউদ্দিন রিফিউজি ক্যাম্পের ঠান্ডা মাটিতে শুয়ে আছেন। চারিদিকে প্রচন্ড কোলাহল কিন্তু সিরাজউদ্দিন কিছুই শুনতে পাচ্ছেন না। বারবার তার চোখে ভাসছে একটা ভয়ংকর দৃশ্য। আগুন, লুটপাট, মানুষের ছোটাছুটি, একটা স্টেশনে প্রচন্ড গোলগুলি...তারপর রাত এবং সখিনা। ঐ সময়টাতেই সিরাজউদ্দিন বউ সখিনার মা নিজের প্রাণ দিয়ে সিরাজউদ্দিনকে বলেছিল সখিনাকে নিয়ে পালিয়ে যেতে। পালানোর সময় খেয়াল ছিল না কিন্তু যখন এই রিফিউজি ক্যাম্প এলো সিরাজউদ্দিন তখন কোথাও খুঁজে পেল না সখিনাকে৷

'কালো সালোয়ার' - খোদাবক্স একজন ফটোগ্রাফার৷ইংরেজদের ছবি তুলেই আয় রোজগার করে৷ কোন একভাবে তার সুলতানার সাথে পরিচয় হয় এবং তারপর থেকে দুজনে একসাথেই থাকে। আম্বালায় দুজনেরই ব্যবসা বেশ ভালোই জমে উঠেছিল। সুলতানার দেহব্যবসায় খদ্দেরের অভাব পড়ে না আর ফটোগ্রাফিতে ইংরেজ বাবুদের কাছে খোদাবক্সের নামের জুড়ি মেলা। অজানা এক কারনে খোদাবক্স সুলতানাকে সাথে নিয়ে দিল্লী চলে আসে। কিন্তু দিন যায়, সপ্তাহ যায়, মাস যায় জমানো টাকা এমনকি সুলতানার গয়নাগুলো পর্যন্ত বিক্রি করে দিতে হয় কিন্তু তাদের ধান্ধা বা ব্যবসা আর জমে না। সামনেই মহরম তাই সুলতানা খোদাবক্সের কাছে অনুনয় করে একটা কালো সালোয়ারের জন্য৷ কিন্তু খোদাবক্সের কাছে একটা ফুটাপয়সাও নেই।

'শাহদৌলার ইঁদুর' - সেলিমার বিয়ে হয়েছিল একুশ বছর বয়সে। কিন্তু বিয়ের পাঁচ বছর হয়ে যাওয়ার পরও সেলিমার কোন ছেলেপেলে হয়নি। এ নিয়ে সেলিমার দুঃখের কোন সীমা নেই। সেলিমার থেকে বয়সে পাঁচ বছরের ছোট ফাতেমার কোলেও একটা ফুটফুটে সন্তান আছে অথচ এই মেয়েকে সবাই বন্ধ্যা ডাকতো। ফাতেমা জানায়, গুজরাটে শাহদৌলার মাজারে প্রার্থনা করলে সন্তান হয় তবে প্রথম সন্তান শাহদৌলা সাহেবের জন্য কুরবান করতে হয় মানে সেখানে রেখে আসতে হয়। কথামতো কাজ করে সেলিমার সন্তান আসে তার কোলজুড়ে কিন্তু শর্ত মানতে নারাজ সেলিমা। নাড়ি ছেড়া সন্তানকে কোন মা পারবে এভাবে ফেলে রেখে আসতে? সেলিমা তাই ভাবে।

'টোবা টেক সিং' - দেশ বিভাগের ২/৩ বছর পর দুই দেশের সরকারেরই হঠাৎ করে মনে হলো দেশের নাগরিকদের সাথে পাগলদের ভাগ করা হয়নি। তাই সিদ্ধান্ত নেয়া হলো একটা নির্দিষ্ট দিনে হিন্দু পাগলদের হিন্দস্তানে আর মুসলিম পাগলদের পাকিস্তানে পাঠানো হবে। এই খবর শুনে পাগলরা আরো বেশী পাগলামী শুরু করলো। এদের মধ্যে একজন ছিলেন ভিসন সিং। তবে সবাই তাকে টোবা টেক সিং নামেই চিনে। কেননা কথিত আছে, টোবা টেক নামক জায়গার জমিদার ছিল সে। একদিন হঠাৎ করেই মাথায় গণ্ডগোল দেখা দেয়। তারপর থেকেই এই পাগলাগারদে পড়ে আছে। হিন্দুস্তান আর পাকিস্তান নামক এই দ্বন্দ্বে টোবা টেক সিং আরো অনেক বেশী চিন্তিত হয়ে পড়ে তার টোবা টেক নামক ঐ জায়গা নিয়ে। কিন্তু কেউ বলতে পারে টোবা টেক কোথায় পড়েছে।

'লাইসেন্স' - অব্বু একজন কোচোয়ান। ওর ঘোড়া আর টাঙ্গার খ্যাতি শহরজোড়া। একদিন নিতি নামক এক সুন্দরী অব্বুর টাঙ্গায় চড়ে বসে৷ আর ঠিক তখনি অব্বু ঠিক করে নেয় এই মেয়েকেই বিয়ে করবে৷ নিতিও মনে মনে রাজি হয়ে যায়। সুখেই কাটে দুজনের সংসার। কিন্তু হঠাৎ একদিন নিতির পরিবার মামলা ঠুকে দেয় অব্বুর নামে। অব্বুর জেল হয়ে যায়। অব্বুর টাঙ্গা চালিয়ে রোজ সন্ধায় এসে পয়সা দিয়ে যেত দীনা। কিন্তু অসুস্থতায় অব্বু যেদিন মারা গেল তারপর থেকেই দীনা নিতিকে বিবাহের প্রস্তাব দিতে লাগলো। নিতি একের পর এক কোচোয়ানের দ্বারস্থ হয় কিন্তু দিনশেষে সবাই নিতিকে বিবাহ নাহয় শরীর ভোগের প্রস্তাব দেয়।

'গুরমুখ সিং এর উইল' - মিয়া আব্দুল হাই অবসরপ্রাপ্ত সাব-জজ। এক ছেলে আর এক মেয়ে নিয়েই তার সংসার। আর আছে পরিবারের বেশ পুরানো এক বৃদ্ধ চাকর। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা চলছে, ক্ষণে খুন-খারাবী, রাহাজানি হচ্ছে। থেকে থেকে ভেসে আসে 'হর হর মহাদেব' কিংবা 'আল্লাহু আকবার' স্লোগান। এ এক ভয়ঙ্কর অবস্থা। মিয়া সাহেব ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পক্ষাঘাতগ্রস্থ হয়ে পড়েন, ওদিকে বাড়ির বৃদ্ধ চাকরটাও চলে যায় কোথাও, মেয়েটা বয়সে বড় তাই ছোট ভাই আর বাবাকে নিয়ে বেশ চিন্তায় ভুগছে ও। এমনি সময় দরজার কড়া নাড়ে কেউ।

'খোদার কসম' - সময়টা উনিশ'শ আটচল্লিশের শুরু। খুব সম্ভবত মার্চ মাসের ঘটনা। এক অফিসারের মুখে একটা গল্প শুনেছিলেন গল্পকথক। নতুন শহরে এসে সে এক বৃদ্ধা মুসলমানকে দেখেছিল। উদাস চোখ, ময়লায় জটপাকানো চুল, পরনে জোড়াতালি দেয়া কাপড়। না নিজের প্রতি, না জগত সংসারের প্রতি মহিলার কোন খেয়াল আছে। কিন্তু তার চোখ দেখেই বুঝা যায় সে কাউকে তন্ন তন্ন করে খুঁজছে।

'ঠান্ডা গোশত' - ঈশ্বর সিং এর সাথে কুলবন্ত করের একটা সম্পর্ক আছে। হোক তা দৈহিক, হোক তা মনের দিক থেকে। তবে দেখতে বড়সড় কুলবন্তকে মাঝে মাঝে ভয় পায় ঈশ্বর সিং নামক শক্তপোক্ত ঐ পুরুষ মানুষটাও। রাত বাড়ে প্রেমের মাতালতা বৃদ্ধি পায়, কুলবন্তের দেহ নেশাচরের মতো পেতে চায় ঈশ্বর সিংয়ের স্পর্শ। কিন্তু শত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ঈশ্বর সিং দৈহিক সুখ দিতে অপারগ হয় আর সেই রাগে ক্ষোভেই ঈশ্বরের গলায় কৃপাণটা চালিয়ে দেয় কুলবন্ত। ফিনকি দিয়ে ছোটে রক্ত। একটা দাঙ্গার ঘটনা শেষ মুহূর্তের কলমের আঁচরে কোথায় নিয়ে যেতে পারা যায় এই গল্পটা তার উদাহরণ।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:১২
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

একাত্তর বাঙালির অভিজ্ঞতা এবং গর্জিয়াস প্রকাশনা উৎসব

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৯:১৭


পহেলা মে বিকেলে একটি আমন্ত্রণ ছিল। অনুষ্ঠানটি ছিল বই প্রকাশনার। এই আয়োজনটি শুরু হয়েছিল বলা যায় এক বছর আগে। যখন একটি লেখা দেওয়ার আমন্ত্রণ এসেছিল। লেখাটি ছিল বিদেশের জীবনযাপনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪



কথা হচ্ছিলো একজন আর্ট সমঝদার মানুষের সাথে। তিনি আক্ষেপ করে বলছিলেন, জীবিতবস্থায় আমাদের দেশে আর্টিস্টদের দাম দেওয়া হয় না। আমাদের দেশের নামকরা অনেক চিত্র শিল্পী ছিলেন, যারা জীবিতবস্থায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ মারা যাবার পর আবার পৃথিবীতে আসবে?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১০



আমার মনে হয়, আমরা শেষ জামানায় পৌছে গেছি।
পুরো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে খুব শ্রীঘই। চারিদিকে অনাচার হচ্ছে। মানুষের শরম লজ্জা নাই হয়ে গেছে। পতিতারা সামনে এসে, সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×