somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

আরব্য রজনীর গল্প শুরুর গল্প....

২৪ শে মার্চ, ২০২১ সকাল ৯:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আরব্য রজনীর গল্প শুরুর গল্প....



'আরব্য রজনী'র গল্প কমবেশী সবাই পড়েছেন৷ ১০০১ টা না পড়ুক- আলিবাবা, আলাদিন বা সিন্দাবাদের মতন বহুল পঠিত গল্প পড়েনি এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর৷ কিন্তু এই আরব্য রজনী শুরু হল কি করে?
বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম সেরা সম্পদ 'আলিফ লায়লা উল লায়লা' বা 'সহস্র এক আরব্য রজনী'। কোন নির্দিষ্ট লেখক বা কবির লেখা নয়। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন লেখক বা কবির কল্পনায় সমৃদ্ধ হয়েছে এই কাহিনী। হিজরি তৃতীয় থেকে দশম শতাব্দী পর্যন্ত এর সৃষ্টিকাল। অপূর্ব সুন্দর এই গল্পগুলোর পরতে পরতে জড়িয়ে আছে প্রেম, ভালবাসা, ত্যাগ, বীরত্ব, মহত্ত্ব। অন্যদিকে ঘৃনা, হিংসা, ব্যাভিচার, নীচতার সম্যক পরিচয় পাওয়া যায়৷

বহু বছর ধরে মধ্য এশিয়াতেই আবদ্ধ ছিল এই গল্পকথা৷ ইউরোপের মানুষের সাথে প্রথম এর পরিচয় ঘটান এন্টনি গল নামে এক ইংরেজ৷ ১৭০৪ থেকে ১৭১২ পর্যন্ত মোট চার খন্ডে অনুবাদ করেন আরব্য রজনীর ইংরেজি অনুবাদ 'অ্যারাবিয়ান নাইটস্'।
রজনীর গল্পগুলো আরব দুনিয়া ঘুরে সংগ্রহ করে প্রথম সমগ্র গল্প যিনি আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় পরিচিত/ প্রকাশ করেন তিনি স্যার রিচার্ড এফ বার্টন৷ এছাড়াও ই ডব্লু লেনেও ইংরেজিতে অনুবাদ করেন বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম সেরা সম্পদ আলিফ লায়লা উল লায়লা বা সহস্র এক আরব্য রজনী৷ বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেছেন অনেকেই। যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন - রবীন্দ্র জৈন, নিসার শাহ, শুভাষ গুপ্ত, চঞ্চল কুমার ঘোষ সহ আরো অনেকেই৷

পারস্যের সুলতানের প্রত্যেক রাতের বিয়ে আর সকাল হলেই নতুন বউকে শিরোচ্ছেদ করত। উপায় নেই দেখে সুলতানের উজিরের বড় মেয়ে নিজেই রাজী হয় সুলতানকে বিয়ে করতে...৷ সাথে সুলতানের অনুমতি নিয়ে সঙ্গে আনে ছোট বোনকে। প্রত্যেক রাতে একটা গল্প বলতে শুরু করত যা শেষ হতে হতে রাতভোর হয়ে যেত৷ ফলত বাকী অংশটুকু শুনতে আবার পরের দিনের জন্য বেঁচে যেত৷ এভাবে কেটে গেল ১০০১ রজনী। সৃষ্টি হল বিশ্ব সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ- এক সহস্র এক আরব্য রজনীর গল্প৷ কিন্তু এই গল্পের শুরুর শুরু কোথায়? সুলতান কেন রোজ নতুন নতুন বিয়ে করে সকাল বেলাতেই কতল করতো নব বিবাহিতা স্ত্রীকে?
পারস্যের সুলতানের দুই ছেলে, শাহরিয়ার আর শাহজামান৷ সুলতানের মৃত্যুর পর পারস্যের সিংহাসনে বসলেন শাহরিয়ার আর সমরখন্দের সিংহাসনে শাহজামান৷ বছর কুড়ি কেটে গেল। শাহরিয়ার তার ছোট ভাইকে দেখার ইচ্ছে হল। রাজ এত্তেলা নিয়ে সমরখন্দে ছুটে এলেন উজির শাহজামানকে নিমন্ত্রন করতে।
বড়ভাইয়ের আমন্ত্রন খুশীমনে গ্রহন করে উজিরের হাতে রাজ্যের শাসনভার বুঝিয়ে রওনা হলেন পারস্যের পথে। রাস্তায় হঠাৎ মনে পড়ল, বড়ো ভাইয়ের জন্য এক বহুমূল্যবান উপহার ভুলে ফেলে এসেছেন প্রাসাদে। তখন মাঝরাত। কাউকে সঙ্গে না নিয়ে একাই ফিরে এলেন প্রাসাদে।

প্রাসাদে ফিরে নিজের কামরায় ঢুকেই তাজ্জব! তারই বিছানায় রসুই ঘরের বাবুর্চির সাথে সঙ্গমে মত্ত তার প্রধান বেগম। বিশ্বাসঘাতকতা সহ্য হল না, তরবারীর কোপে দুজনের শিরোচ্ছেদ করে চুপিচুপি প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে পড়লেন। ভোর হওয়ার আগেই নিজের লোকলস্করের সাথে মিশে রওনা হলেন পারস্যের পথে৷ দীর্ঘ যাত্রার পর এসে পৌছলেন পারস্যে৷
বহুদিন পর ভাইকে পেয়ে খুব খুশী শাহরিয়ার৷ রাজ্য জুড়ে বইয়ে দিলেন খুশীর ফোয়ারা৷ কিন্তু শাহজামানের তাতে মন নেই৷ বিশ্বাসঘাতিনী বেগমের কথাই তার মনপ্রান জুড়ে৷ ভাইয়ের বিষন্নতা দেখে সুলতান জিজ্ঞাসা করলেন কি হয়েছে, কেন মন খারাপ? কিন্তু নিজের বেগমের বিশ্বাসঘাতকতার কথা বলতে সায় দিল না শাহজামানের মন৷ শাহরিয়ারও আর চাপাচাপি করলেন না৷ বরং আয়োজন করলেন শিকারের৷ কিন্তু শাহজামান রাজী হলেন না যেতে। অগত্যা সুলতান ভাইকে রেখেই চলে গেলেন শিকারে।
একাকি প্রাসাদে ঘুরে বেড়াচ্ছেন শাহজামান। মনপ্রান জুড়ে বেগমের কথা৷ ঘুরতে ঘুরতে এসে পড়লেন প্রাসাদের বাগানে৷ হঠাৎ দেখেন সুলতানের প্রধান বেগম উদ্যানে এলেন দশজন অপূর্ব সুন্দরী দাসী আর দশজন দাস নিয়ে৷ এসেই কিছুক্ষন পর একজন করে দাস দাসী উদ্যানের বিভিন্ন জায়গায় মেতে উঠল শারিরিক আনন্দে৷ একা হয়ে যাওয়ার পর বেগম ডাক দিলেন, "মুসাদ বেরিয়ে এসো..."।
বেগমের ডাকে বাগানের এক কোন থেকে বেরিয়ে এল বিশাল চেহারার কাফ্রী৷ বেগমের কাছে এসে তাকে মাটিতে শুইয়ে দুজনে মেতে উঠল আদীম খেলায়....
দেখে শিউরে উঠল শাহজামান। তার ভাইয়ের মতন পুরুষশ্রেষ্ঠর বেগমেরও এই অবস্থা! তার বেগমও দ্বিচারিনী? বিশ্বাসঘাতিনী শুধু একা তাঁর স্ত্রীই নন... এই দূর্ভাগ্য সকলেরই! ধীরেধীরে মনে প্রশান্তি ফিরে এল তার৷
পরেরদিন শিকার থেকে ফিরে ভাইকে হাসিখুশী দেখে খুশী হয় শাহরিয়ার। স্নেহের ভাইকে জিজ্ঞেস করল, "কি কারণে এক দিনেই-তোমার মন খুশী?"

সামান্য ইতস্তত করেও সমস্ত ঘটনা খুলে বলল শাহজামান৷ নিজের বেগমের কথা, বিশ্বাসঘাতকতা, জোড়া হত্যা, মানসিক বিষাদ, মুসাদের সঙ্গে বেগম সুলতানের প্রেমলীলা....সব খুলে বলেন শাহজামান।
নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারছেন না সুলতান শাহরিয়ার৷ ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে ভাইয়ের সাথে পরামর্শ করে আবার শিকারে যাওয়ার কথা রটিয়ে দিলেন রাজ্যে৷ রাতে শিবির থেকে সবার অলক্ষে লুকিয়ে দুই ভাই প্রাসাদে ফিরে এসে লুকিয়ে রইলেন বাগানের এক কোনে৷ আবার আগের ঘটনার পুনরাবৃত্তি...বেগম সুলতানা আর কাফ্রি মুসাদ....

নিজের চোখে নিজ বেগমের ব্যাভিচার দেখে ভেঙে পড়লেন সুলতান। সেদিনই ভাইকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন.... ঘুরতে ঘুরতে এসে পৌছলেন সমুদ্রের কাছে৷ পথশ্রমে ক্লান্ত হয়ে এক গাছের নীচে বিশ্রাম নিতে বসলেন দুইজন।
এমন সময় হঠাৎ শান্ত সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠল। এক বিশাল জলস্তম্ভ সমুদ্র পেরিয়ে এগিয়ে আসল ডাঙার দিকে। ভয় পেয়ে গেল দুইভাই৷ উঠে বসল গাছের উপর৷ পাতার আড়াল থেকে খেয়াল করতে লাগলেন সব কিছু...

জলস্তম্ভ কাছে আসতেই দেখা গেল এক ভয়ঙ্কর জিন৷ মাথার উপর বিশাল এক সিন্দুক৷ তাতে সাতটা তালা লাগানো। গাছের তলায় এসে বসল জিন৷ একে একে সাতটা তালা খুলতেই সিন্দুক থেকে বেরিয়ে এল এক অসাধারণ সুন্দরী৷ জিন তার সাথে কিছুক্ষন শারিরিক খেলায় মেতে সুন্দরীর কোলেই ঘুমিয়ে পড়ল৷ একটু পরেই নাকডাকা শুরু হল জিনের৷ ঘুম গভীর দেখে আস্তে আস্তে নিজের কোল থেকে জীনের মাথাটা নামিয়ে রেখে এদিক ওদিক তাকাতে নজর পড়ল গাছের উপর বসা দুই দুই সুদর্শন সুপুরুষের দিকে৷ ইশারা করতেই নেমে এল দুজন।

রমনীর পরিচয় জিজ্ঞাসা করায় জানাগেল যে তাকে বিয়ের আসর থেকে তুলে এনেছিলো জিন৷ তাকে ভোগ করেও তৃপ্ত নয়, তাই সিন্দুকে বন্দী করে রাখে যাতে অন্য কারুর সাথে সম্পর্কে জড়াতে না পারে। এই কথা বলে দুই ভাইকে আমন্ত্রন জানাল তার সাথে শারিরিক মিলনের জন্য৷ দুই ভাই রাজী না হওয়ায় ভয় দেখাল... জিনকে ডেকে তুলে বলবে যে দুজনে কুৎসিৎ ইঙ্গিত করেছে... গতান্তর না দেখে দুই ভাই মেনে নিল তার প্রস্তাব।
শারিরিক সম্ভোগের পর সুন্দরী দুই ভাইয়ের আঙটি চেয়ে নিয়ে এক ছোট থলের মধ্যে রেখে দিল শিকারের চিহ্নস্বরুপ। গুনে গুনে বললো- এভাবেই সম্ভোগের চিনহ ৫৭০ টা আঙটি জমিয়েছে সে...
দুই ভাই হতবাক!

এত শক্তিশালী জিনও সিন্দুকে রেখে নিজের স্ত্রীর বহুগামিতা থেকে রক্ষা করতে পারছে না- আর তারা তো সামান্য মানুষ! কিসের জন্য সবকিছু ত্যাগ করবে তারা? সেদিনই ফিরে এল নিজের রাজ্যে৷ প্রাসাদে ঢুকেই সুলতান বেগম আর দাসদাসীদের কোতল করার হুকুম দিলেন৷ তারপর উজিরকে ডেকে বললেন সেই রাতেই সুলতানের শাদির জোগাড় করতে।
এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ের সাথে সুলতালের শাদী হল। সারারাত সুলতান মেতে থাকল নতুন বেগমের সাথে। সকাল হলেই ডাক পড়ল উজিরের৷ তার হাতে তুলে দেওয়া হল সুলতানের ফরমান - নতুন বেগমের শিরোচ্ছেদ!

দ্বিতীয় কারো সাথে বেগম যাতে সম্ভোগে যেতে না পারে এবং কেউ যাতে সুলতানের বেগমেকে ভোগ করতে না পারে তার জন্য শুরু হল এক নির্মম হত্যালীলা৷ শাহজামানও নিজের রাজ্যে ফিরে বড়ো ভাইয়ের পদাঙ্ক অনুসরন করলেন।
...রাজ্যে হাহাকার উঠল। যাদের বাড়িতে বিবাহযোগ্যা কুমারী মেয়ে আছে কেউ নিশ্চিন্ত নন... কবে সুলতানের শমন নেমে আসে কার উপর!


একদিন সমস্ত নগর ঘুরের কোন সুন্দরী মেয়ের খোঁজ পেলেন না উজির। বিষন্ন মনে ফিরে এলেন ঘরে৷ নতুন বেগম না পেয়ে তাকেই না কোতল করে বসে সুলতান!
ভীত বিমর্ষ বাবাকে দেখে তার বড়মেয়ে শাহরাজাদ কাছে এসে দাঁড়াল৷ সব শুনে নিজে রাজী হল সুলতানকে শাদি করতে৷ উজির রাজী না হয়েও শেষে মেয়ের জেদে রাজী হলেন৷ শাহরাজাদের সাথে শাদি হয়ে গেল সুলতানের৷
সোহাগ আদরে রাতের প্রথম অর্ধ কেটে যায়৷ হঠাৎ সুলতান দেখে শাহরাজাদের চোখে পানি। কারন জিজ্ঞাসা করায় শাহরাজাদ বলেন যে তার নিজের ছোটবোন দুনিয়াজাদের জন্য মন কেমন করছে... আর কোনদিন দেখা হবেনা প্রিয় বোনের সাথে! সঙ্গে সঙ্গে সুলতানের আদেশে আনা হয় দুনিয়াজাদকে।

তিনজনে গল্প করতে করতে একসময় পূর্বপরিকল্পনা মতো দুনিয়াজাদ বড়ো বোনের কাছে গল্প শোনার আবদার জানায়৷ সুলতানের অনুমতি নিয়ে গল্প শুরু করে শাহরাজাদ। তারপর গল্পে গল্পে রাত কেটে যায় কিন্তু শেষ হয়না গল্পের। শেষটুকু শোনার লোভে বেগমের শিরোচ্ছেদ স্থগিত রাখেন সুলতান৷ আবার পরের রাত, আবার পরের রাত.... গল্পের পর গল্পে কেটে যায় ১০০১ রাত। সুলতানের পক্ষে সম্ভব হয়না এরকম বিদুষী রমনীকে কতল করা৷ এরই মধ্যে সুলতানের অলক্ষে শাহরাজাদ জন্ম দেয় তিন পুত্রের৷ সব দেখে খুশী মনে সুলতান ডেকে পাঠান ভাই শাহজামানকে। এই একাকিত্ব আর নৃশংসতা ভাল লাগছিল না তারও। তার সাথে দুনিয়াজাদের শাদি করিয়ে দিলেন সুলতান৷ তারপর যা হয়, সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে লাগল .....

পুনশ্চঃ গল্পের পিছনের গল্প 'আলিফ লায়লা' থেকেই নিয়েছি। কিন্তু মূলবিষয়বস্তু ঠিক রেখে, কিছু রগর শব্দ বাক্য বাদ দিয়ে আমি আমার মতো করে লিখেছি।।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৪ বিকাল ৫:৫৬
১৯টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

একাত্তর বাঙালির অভিজ্ঞতা এবং গর্জিয়াস প্রকাশনা উৎসব

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৯:১৭


পহেলা মে বিকেলে একটি আমন্ত্রণ ছিল। অনুষ্ঠানটি ছিল বই প্রকাশনার। এই আয়োজনটি শুরু হয়েছিল বলা যায় এক বছর আগে। যখন একটি লেখা দেওয়ার আমন্ত্রণ এসেছিল। লেখাটি ছিল বিদেশের জীবনযাপনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪



কথা হচ্ছিলো একজন আর্ট সমঝদার মানুষের সাথে। তিনি আক্ষেপ করে বলছিলেন, জীবিতবস্থায় আমাদের দেশে আর্টিস্টদের দাম দেওয়া হয় না। আমাদের দেশের নামকরা অনেক চিত্র শিল্পী ছিলেন, যারা জীবিতবস্থায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ মারা যাবার পর আবার পৃথিবীতে আসবে?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১০



আমার মনে হয়, আমরা শেষ জামানায় পৌছে গেছি।
পুরো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে খুব শ্রীঘই। চারিদিকে অনাচার হচ্ছে। মানুষের শরম লজ্জা নাই হয়ে গেছে। পতিতারা সামনে এসে, সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×