হাবিজাবি........
সৌদি আরবকে এক সময় বর্বর জাতি বলা হতো। মধ্যযুগীয় বর্বরতা সেখানে ঘটেছে বলেই শান্তি স্থাপনের জন্য ইসলাম ধর্ম এলো।
মানুষকে হযরত মুহাম্মদ সাঃ শুধু ধর্মের দীক্ষাই দিলেন না, নবী করিম সাঃ বললেন শিক্ষার জন্য সুদূর চীনে যাও।
জানিনা তখন চীনের সব লোক মুসলমান ছিলো কি না!
তবে শিক্ষা নিশ্চয়ই ছিলো। তিনি ধর্ম প্রচারের পাশাপাশি অনুভব করেছিলেন শিক্ষা দরকার।
এখনো চুরি করলে সৌদি আরবে চোরের হাত কেটে নেওয়া হয়। জেনা করলে দোররা মেরে, মাটিতে পুতে ফেলা হয়। আরো কঠোর কঠিন নিয়ম আছে, তাদের দৈনন্দিন জীবন বিধানে। নারীদের জন্য আছে সাংঘাতিক সব বিধান, সে কথা বলাই বাহুল্য।
তবুও ধর্ম দিয়ে সৌদি/ মধ্যপ্রাচ্যের স্বেচ্ছাচারীতা ঠেকানো গেছে কি!
যারা সৌদিতে আছেন, বুকে হাত দিয়ে বলুন তো কতটা শৃঙখল এবং ভদ্র সেই জাতি? কতটা সৎ?!
সৌদি বা মধ্য প্রাচ্যের লালসা ও নির্যাতনের শিকার শুধু বাঙ্গালি দরিদ্র নারীদের দেখেও কিছুটা আঁচ পাওয়া সম্ভব।
অথচ আযান হলে সেই জাতি মুহূর্তেই অচল হয়ে পড়ে। সবাই নামাযে যান। তাদের জীবন পরিচালিত হয় কঠোর ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্য দিয়ে।
পাপ মোচন করতে কোটি কোটি মুসলিম সে দেশে যান হজ্ব করতে!!
আমরা জানি, জাপান এক সময় নিষ্ঠুর এবং বর্বর ছিলো। জাপানিজ নৃশংসতার কথা জানেনা, এমন মানুষ খুব কম আছে। এক সময় বৌদ্ধ ধর্মের চর্চা করলেও আজ আনুষ্ঠানিকভাবে জাপানিজ নাগরিকরা কোন ধর্মের আওতায় নেই।
তবুও জাপান বর্তমানে সভ্যতা, সততা, রাজনৈতিক এবং ব্যাক্তিগত আচরণের দিক থেকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশগুলোর একটি। জাপানিজ জীবনকে মানুষ কথায় কথায় উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করে।
আসলে ধর্ম নয়, ধর্ম শিক্ষার পাশাপাশি বাধ্যতামূলকভাবে বৈজ্ঞানিক, নৈতিক এবং প্রায়োগিক শিক্ষা এবং তার অনুশীলন করা ভীষণ ভীষণ জরুরি। প্রকৃত শিক্ষাই একমাত্র বদলে দিতে পারে মানুষের জীবন!
মানুষ প্রকৃত শিক্ষিত হলেই কেবল একদল আরেকদলকে শ্রদ্ধা করতে শিখবে। একজন আরেকজনের মতামতকে শ্রদ্ধা করবে। তর্ক বা বিতর্ক বা ভিন্নমত ও পথের প্রতি মানুষ হবে শ্রদ্ধাশীল। রাজনীতি করার জন্য প্রয়োজন হবে না কোন নোংরামির। এক মানুষ শ্রদ্ধা করবে আরেক ধর্মের মানুষকে।
জাপানিরা সভ্য হতে শিখেছে, সভ্য হয়েছে কিন্তু বেশীরভাগ এরাবিয়ানরা বর্বরই রয়ে গেছে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০২৪ রাত ৯:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




