somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ nnএক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

How the iconic FIFA World Cup Trophy is made....

২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১০:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

How the iconic FIFA World Cup Trophy is made....

১৯৭০ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপ জিতেছিল ব্রাজিল। তৃতীয়বার বিশ্বকাপ জেতায় (১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০) ফিফার তৎকালীন নিয়ম অনুযায়ী ব্রাজিল চিরতরে জিতে নিয়েছিল ‘জুলে রিমে কাপ’। নতুন বিশ্বকাপ ট্রফি (FIFA World Cup Trophy) বানানোর সিদ্ধান্ত নেয় ফিফা এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী ওয়ার্ল্ডকাপ ট্রফির মডেল আহবান করে।

বিশ্বের সাতটি দেশ থেকে ৫৩ টি মডেল জমা পরেছিল ফিফার দফতরে। দীর্ঘ কয়েক মাস আলোচনা করে, ফিফা (FIFA )বেছে নিয়েছিল ইতালীয় শিল্পী সিলভিও গাজ্জানিগার অনবদ্য মডেলটিকে। যে মডেলে দেখা যায় মাথার ওপর পৃথিবীকে ধরে রাখা দুই খেলোয়াড়কে। শিল্পী সিলভিও সাংবাদিকদের বলেছিলেন, "মডেলের মাধ্যমে আমি বিশ্বকাপ জয়ী খেলোয়াড়দের আনন্দ ও উদারতাকে প্রকাশ করতে চেয়েছি।"


FIFA World Cup Trophy
(তিন মাসের পরিশ্রমে কারখানার কর্মীরা বিশ্বকাপের ট্রফি তৈরী করে উচ্ছাশ প্রকাশ করছেন)

গাজ্জানিগার মডেল পাঠিয়ে দেওয়া হয় ইতালির স্ট্যাবিলিমেন্ট আর্টিস্টিকো বার্তোনি কোম্পানির কাছে। কাপ মেডেল ও শিল্ড তৈরির কোম্পানিটি স্থাপন করেছিলেন এমিলিও বার্তোনি। ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে ব্যবসাটি তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলেন শ্বশুর ইউজিনো লোসার কাছ থেকে। কোম্পানির মূল কারখানাটি ছিল মিলানে। পরে ব্যবসা বেড়ে যাওয়ায় বার্তোনি কারখানাটিকে নিয়ে আসেন মিলানের মফঃস্বল শহর পাদেরনো দুগনানো এলাকায়। ১৯৭১ সালে এই কারখানাতেই বানানো হয়েছিল নতুন বিশ্বকাপ ট্রফি ‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ’ (FIFA World Cup Trophy)।

নতুন বিশ্বকাপের ছবি প্রকাশ্যে আসার পর, ট্রফিটির বর্ণনাতীত সৌন্দর্যে মোহিত হয় সারা বিশ্ব। ১৫ ইঞ্চি উচ্চতা ও ৬.১ কেজি ওজনের ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফিটি বানানো হয়েছিল ১৮ ক্যারেট সোনা দিয়ে। ট্রফির নিচের অংশে ছিল চক্রাকারে থাকা দুটি পান্না সবুজ ফিতে। যেগুলি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছিল গ্রীন ম্যালাকাইট স্টোন। ট্রফিটি তৈরি করতে ১৯৭১ সালে ফিফার খরচ পড়েছিল ৫০,০০০ ডলার।

জয়ী দলকে দেওয়া হয় না আসল ট্রফিঃ
আসল ট্রফিটি রাখা থাকে সুইৎজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত ফিফা ওয়ার্ল্ড ফুটবল মিউজিয়ামে। বিশ্বকাপের দলগুলিকে বিভিন্ন গ্রুপে রাখার জন্য যেদিন লটারি করা হয়, সেদিন FIFA World Cup Trophy বাইরে আনা হয়। এরপর ট্রফিটিকে কঠোর নিরাপত্তার পাঠানো হয় ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি ট্যুরে। কিছু বাছাই করা দেশ যারা বিভিন্ন সময়ে ওয়ার্ল্ডকাপ জিতেছে সেইসব দেশেই অরিজিনাল ট্রফি নেওয়া হলেও বাকি দেশগুলিতে নেওয়া হয় নকল ট্রফি, অর্থাৎ রেপ্লিকা ট্রফি। বিশ্বকাপের প্রথম ও ফাইনাল ম্যাচে আসল ট্রফিটিকে মাঠে আনা হয়। ফাইনালের পর আসল ট্রফির গায়ে বিশ্বকাপ জয়ী দেশের নাম লিখে, সেটি তুলে দেওয়া হয় দেশটির অধিনায়কের হাতে।

অনুষ্ঠান শেষে জয়ী দলের কাছ থেকে আসল ট্রফিটি মাঠেই ফিরিয়ে নেয় ফিফা। তার বদলে জয়ী দেশের হাতে পাকাপাকিভাবে তুলে দেওয়া হয় আসল ট্রফির হুবহু নকল করা অন্য নকল ট্রফি বা রেপ্লিকা। আসল ট্রফিটি, সংস্কারের জন্য পাঠানো হয় ইতালির সেই বার্তোনি কোম্পানির কাছে। কারণ বিজয় উদযাপনের সময় ট্রফিতে আঘাত বা আঁচড় লাগার সম্ভাবনা থাকে।
বার্তোনি (G.D.E. Bertoni) আসল ট্রফিটিকে সংস্কার করে পাঠিয়ে দেয় ফিফার মিউজিয়ামে। যেখানে চার বছর কড়া নিরাপত্তায় রাখা হয় বিশ্বের সবচেয়ে দামি ট্রফিটি- বর্তমানে ট্রফির দাম ২০ মিলিয়ন ডলার (১৬৩ কোটি টাকা)।

চলুন ঘুরে আসি বার্তোনির ছোট্ট কারখানায়। দেখে আসি কীভাবে বার্তোনি বানায় আসল ট্রফির রেপ্লিকা।
FIFA World Cup Trophy replica


(একেবারে আসল ট্রফির মত দেখতে বিশ্বকাপের রেপ্লিকা)

বার্তোনি মিলানো ইতালির মিলানের বিবর্ণ মফঃস্বল শহর পাদেরনো দুগনানোতে আছে অজস্র ছোট বড় কারখানা। সেগুলির ভিড়ে লুকিয়ে আছে, গোলাপি পাঁচিল ঘেরা ছোট্ট কারখানা ‘বার্তোনি'। যে কারখানাটিকে বিশ্ব চেনে ‘বার্তোনি মিলানো’ নামে। এই ছোট্ট কারখানা থেকেই ১৯৭১ সালে জন্ম নিয়েছিল, বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত ও সবচেয়ে দামী ট্রফি ‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ’। যে ট্রফিটি ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখেন বিশ্বের প্রতিটি দেশের প্রতিটি ফুটবলার। আসল ট্রফি বানানোর পদ্ধতিটি মেনে আজও বিশ্বকাপের রেপ্লিকা বানানো হয় বার্তোনির কারখানায়। যে রেপ্লিকাটি নিয়ে দেশে ফেরে প্রতিটি বিশ্বকাপ জয়ী দল। যেটি হাতে নিয়ে বোঝা সম্ভব নয়, ট্রফিটি আসল না নকল।

fifa world cup trophy replica


(কারখানার এই ছোট্ট শেডের নিচে বানানো হয় পৃথিবীর সবচেয়ে দামী ট্রফি)

রেপ্লিকা তৈরির প্রথম ধাপঃ
প্রথমে কারখানার ফার্নেসে গলানো হয় উন্নত মানের পিতল। তারপর সেটি ঢালা হয়, প্লাস্টারের ছাঁচে। যে ছাঁচটিকে তৈরি করা হয় ১৯৭১ সালে তৈরি আসল মডেলের সাহায্যে। এরপর প্লাস্টার কেটে বের করে নিয়ে আসা হয় পিতলের রেপ্লিকা ট্রফিটিকে। মেশিনের মাধ্যমে ট্রফি থেকে চেঁছে নেওয়া হয় অতিরিক্ত পিতল।
প্লাটার কেটে বের করে আনা হয়েছে ট্রফির অবয়ব


(ডাইস থেকে বের করা হয়েছে ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি)

দ্বিতীয় ধাপঃ
বিশ্বকাপের রেপ্লিকা তৈরির সবচেয়ে কঠিন ধাপ। এই ধাপে ট্রফির শরীরে সূক্ষ্ণ কারুকার্য ফুটিয়ে তোলা হয়। এবং পুরো কাজটাই করা হয় মেশিনের সাহায্য ছাড়া। অভিজ্ঞ কর্মীরা ছোট হাতুড়ি ও ছেনি দিয়ে কুঁদে ট্রফির গায়ে ফুটিয়ে তোলেন শিল্পী গাজ্জানিগার নক্সা। এই পর্বের শেষে ট্রফির গায়ে ফুটে ওঠে দুটি মানুষের নিখুঁত অবয়ব ও পৃথিবী। ট্রফি তৈরির ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ এই ধাপটি পরিচালনা করেন বার্তোনির সবচেয়ে প্রবীণ ও অভিজ্ঞতম কর্মী পিয়ের্তো ব্রাম্বিলা।


(নিজের স্টুডিওতে বিশ্বকাপের মডেল নিরিক্ষণ করছেন ভাস্কর সিলভিও গাজ্জানিগা)

fifa world cup trophy replica
ছেনি হাতুড়ি দিয়ে পিয়ের্তো ব্রাম্বিলা ট্রফির গায়ে ফুটিয়ে তুলছেন গাজ্জানিগার নকশা

তৃতীয় ধাপঃ
এই পর্যায়ে কাপটিকে মেশিনের সাহায্যে ঘষে নেওয়া হয়। সোনার মত চকচক করতে থাকে পিতল। কাপের গায়ে থাকা সূক্ষ্ণ কাজগুলি আরও সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে। তবে এই কাজটি করতে হয় অত্যন্ত সন্তর্পণে ও অভিজ্ঞ হাতে। কারণ সামান্য এদিক ওদিক হলেই আবার নতুন ভাবে ঢালাই করতে হবে ট্রফিটিকে।

(
(মেশিনের সাহায্য চলছে ট্রফির গায়ের সুক্ষ্ণ কারুকার্যগুলিকে আরও সুক্ষ্ণ করার কাজ)

চতুর্থ ধাপঃ
উজ্জ্বল হয়ে ওঠা পিতলের ট্রফিটিকে এরপর নিয়ে যাওয়া হয় কারখানার গ্যালভানাইজেশন বিভাগে। সেখানে প্রথমে একটি বিশেষ তরলে ট্রফিটিকে ডুবিয়ে ট্রফিটিকে নিখুঁত ভাবে পরিষ্কার করে নেওয়া হয়। এরপর ট্রফির ওপর সোনার প্রলেপ দেওয়া হয়(Electroplating)। প্রতি এক সপ্তাহ পর পর মোট তিন সপ্তাহে তিনবার দেওয়া হয় সোনার প্রথম প্রলেপ। এই ধাপটি পরিচালনা করেন মরক্কোর কর্মী আবদেল কাদের। প্রায় দুই দশক ধরে তিনি কাজ করছেন বার্তোনি কোম্পানিতে।

পঞ্চম ধাপঃ
ট্রফির গায়ে সোনার প্রলেপ দেওয়ার পর, একটি বিশেষ মিশ্রণের সাথে ডিস্টিলড ওয়াটার দিয়ে ট্রফিটিকে ধুয়ে নেওয়া হয় বহুবার। তারপর ট্রফিটিকে শুকিয়ে ট্রফির ওপর অতি সন্তর্পণে লাগানো হয় জাপন বার্নিসের একটি স্তর। যা আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। এই স্তরটি ট্রফিটিকে আঁচড়ের হাত থেকে রক্ষা করে এবং ট্রফির ঔজ্জ্বল্য ও সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে।


(গোল্ড প্লেট কালার স্প্রে করা হচ্ছে- গ্লেজ বাড়ানর জন্য)

ষষ্ঠ ধাপঃ
বার্নিস শুকিয়ে যাওয়ার পর, ট্রফিটিকে আবার ধোয়া হয় ডিস্টিলড ওয়াটার দিয়ে। সব শেষে ট্রফির নিচের অংশে বিশেষ পদ্ধতিতে লাগিয়ে দেওয়া হয় সবুজ ম্যালাকাইট পাথরের দুটি চাকতি। যে চাকতি দুটিকে বাইরে থেকে সবুজ স্ফটিক দিয়ে তৈরি চক্রাকার ফিতের মত দেখতে লাগে।

(ট্রফির নিচে লাগানো হচ্ছে সবুজ ম্যালাকাইট মার্বেলের চাকতি)


এভাবেই বার্তোনির কর্মীরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে তৈরি করেন ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফির রেপ্লিকা। তবে শুধু বিশ্বকাপ ট্রফিই নয়, বিশ্বকাপের সোনা রুপো ও ব্রোঞ্জ পদকগুলিও তৈরি করেন বার্তোনি কারখানার ১২ জন কর্মী। পুরোটাই তদারকি করেন কোম্পানির বর্তমান প্রোডাকশন ম্যানেজার সালভাতোর ইয়ানেত্তি।


(তৃপ্তির চুম্বনঃ তৈরী হয়ে গিয়েছে ওয়ার্ল্ডকাপ ট্রফি রেপ্লিকা)

মোট ১২ জন কর্মীর হাতে রেপ্লিকা ট্রফি তৈরি হয়ে গেলে, কড়া নিরাপত্তায় ট্রফিটিকে নিয়ে যাওয়া হয় ফিফার সদর দফতরে। তাঁরা তৈরি করেন কাতার আমির কাপ, আরবিয়ান গালফ কাপ, আফ্রিকান নেশন চাম্পিয়ন্স কাপ, আফ্রিকান কাপ অফ নেশনস, উয়েফা ইউরোপিয়ান চাম্পিয়ন্স ট্রফি, উয়েফা ইউরোপা লিগ ট্রফি, উয়েফা সুপার কাপ, উয়েফা চাম্পিয়ন্স লিগ ট্রফির মত বিশ্ববিখ্যাত ট্রফিগুলি। তৈরি করেন অলিম্পিক ও অনান্য আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার ট্রফি, কাপ ও মেডেলও। কিন্তু কোনওটির সঙ্গেই তুলনা হয় না ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফির।
বার্তোনির কর্মীদের হাতে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ রেপ্লিকা ইউজেনিও ও বাবা জর্জিওর পর, ২০১০ সাল থেকে জিডিই বার্তোনি কোম্পানিটি পরিচালনা করেন। বার্তোনি পরিবারের চতুর্থ প্রজন্ম ভ্যালেন্টিনা লোসো। যিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি আমাদের প্রত্যেকটি কর্মী ও কোম্পানির মুকুটের সবচেয়ে সেরা পালক। প্রায় তিন মাস ধরে, দিন রাত এক করে আমরা তৈরি করে দিই, ক্রীড়া জগতের ইতিহাসের সেরা ট্রফিটি। তৈরি করি ঠিক সেভাবেই, যেভাবে তৈরি করা হয়েছিল ১৯৭১ সালে।”


(ট্রফির সামনে বার্তোনির বর্তমান কর্ণধার ভ্যালেন্টিনা লোসো)

বার্তোনি কর্মীরা গর্ব করে বলেন, “ফুটবলে পা না দিলেও, আমরা প্রত্যেকেই কিন্তু কোনও না কোনও ধাপে হাতে তুলে নিই ফিফা বিশ্বকাপের ট্রফি। ট্রফিটিকে চোখের সামনে সন্তানের মত জন্ম নিতে দেখি। তাই মিলান থেকে ট্রফি জুরিখে চলে গেলে ভীষণ মন খারাপ হয়ে যায় সবার।”

তথ্যসুত্রঃ How the iconic FIFA World Cup Trophy is made....গুগলে এই বিষয়ে অনেকগুলো লেখা পেয়েছি- যার মধ্য থেকে চুম্বক অংশগুলো ভাবানুবাদ করেছি। ছবিগুলোও নিয়েছি উল্লেখিত সূত্র থেকে।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:২০
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার বন্ধু সুকুমার

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ভোর ৫:২০

সুকুমারের সাথে আমার পরিচয় হয়েছে ফেসবুকে। দেখা সাক্ষাত হওয়ার জন্য সে বড় উদগ্রীব ছিল। সুকুমারের সাথে পরিচয় পর্বটা শুরু হলো ওর আমাকে ফ্রেণ্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর মাধ্যমে।
তখন মাত্র দেড় বছর... ...বাকিটুকু পড়ুন

দূর্বল ঈমানের মুমিন ব্লগ থেকে দূরে থাকে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৭:২১




কোরআনের সাথে বিজ্ঞান বা বিজ্ঞানীর মতের অমিল দেখলে আমি চিন্তা করি আমার চিন্তার দৈন্যতা কোথায়? যেমন কোরআন বলছে আল্লাহ আছে, কোন কোন বিজ্ঞানী বলছে নাই। আমি তখন বলি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওগো দুখজাগানিয়া , ওগো ঘুম-ভাঙানিয়া তোমায় গান শোনাবো ।

লিখেছেন মোহাম্মদ গোফরান, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:০৩



" আমার ব্লগে ৪০০০ তম মন্তব্যটি করেছেন প্রিয় ব্লগার "জগতারণ" । পোস্টটি ওনাকে ডেডিকেটেড করা হলো। ভালোবাসার মাসে অবিরাম ভালোবাসা জানাই এই প্রিয় ব্লগারকে সবসময় সাথে থাকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নতুন জেনারেশন কেমন করছে?

লিখেছেন সোনাগাজী, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১২:২১



এসএসসি, এইচএসসি'র রেজাল্ট দেখলে ও ইউনিভার্সিটির ছেলেমেয়েদের চলাফেরা দেখলে এদেরকে স্মার্ট মনে হয়; ভেতরের অবস্হা কি রকম? নতুন জেনারেশন কি কোন অলৌকিক ক্ষমতা বলে দেশটাকে, জাতিটাকে সঠিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি শুধু মন নিয়ে খেলা করো

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:৫৯

তুমি চলে গেছ, ফিরে আসো নি
তুমি মন নিয়ে খেলা করেছ
আসলে তো ভালো বাসো নি

কত কথা মরে গেল মনে মনে
কিছু কথা বলার ছিল সঙ্গোপনে
তুমি কোনোদিনই ইশারাতে
কোনো কথার মানে বোঝো নি

কেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×