somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

ম্যায় বরিশাইল্যা এবং হাজীর ঘরে পাজি!

০৬ ই মার্চ, ২০২৫ সকাল ১১:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ম্যায় বরিশাইল্যা এবং হাজীর ঘরে পাজি!

বই পড়া ছাড়া আমার নেশা, এডিকশন বলতে তেমন কিছু নাই। সব ধরনের বই ই পড়ি, তবে ইতিহাস ঐতিহ্য নির্ভর বইয়ের প্রতি দুর্বলতা আছে। আমি প্রচুর বই কিনি এবং আরও অনেক বেশ বই গিফট পাই। বেশ কয়েক বছর যাবত ভারতীয় হিন্দিভাষীএক নাগরিক চাকুরির সূত্রে আমাদের দেশের একটা বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানে প্রধান নির্বাহী হিসেবে কাজে স্ব পরিবার ঢাকায় অবস্থান করছেন। উল্লেখ্য ইন্ডাস্ট্রিতে আরও অনেক ইন্ডিয়ান ছাড়াও দুইজন শৃলংকান, দুইজন ইটালিয়ান নাগরিক টেকনিক্যাল এক্সপার্টাইজ হিসাবে পদস্ত কর্মকর্তা। আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠাননের একটা প্রোডাক্ট তার ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যবহার করে- সেই সূত্রে তার সাথে আমার ভালো সম্পর্ক। তার বইয়ের সংগ্রহ ঈর্ষনীয়। আমি বরিশাল অরিজিন জেনে বছর দুই আগে আমার জন্য একটা বই নিয়ে এসেছিলেন। বইয়ে হিন্দি নাম- 'ম্যায় বরিশাইল্যা'! আমি হিন্দি পড়তে পারিনা। হ্যায় ম্যায়, হাম তোম ছাড়া তেমন কোনো হিন্দি ভাষা/শব্দ বুঝিও না। কাজেই 'ম্যায় বরিশাইল্যা' পড়া হয়নি। হিন্দি পড়তে পারিনা বলায়- তিনি বইয়ের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বলেছিলেন... এবং কয়েক মাস পর তার একজন ইন্ডিয়ান স্টাফের মাধ্যমে 'ম্যায় বরিশাইল্যা'র ইংরেজি ভার্সন নাম- ''Me Borisailla'' আনিয়ে দিয়েছেন।


এবার আসা যাক ''Me Borisailla'' বইয়ের বিষয়বস্তু সম্পর্কেঃ
বাংলাদেশী বংশদ্ভূত ভারতীয় নাগরিক মহুয়া মাজি নামক একজন লেখক ইতিহাসের আলোকে কল্পনাশ্রয়ী উপন্যাস লিখেছেন। 'ম্যায় বরিশাইল্যা' বা 'Me Borisailla'. গত শতাব্দীর চল্লিশ দশক থেকে শুরু করা ঘটনা বিস্তৃত হয়েছে ১৯৯২ সনে বাবরী মসজিদ ভাংগা পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশে হিন্দু বিরোধী(!) কল্পিত দাংগা বর্ণনায়। এই উপন্যাসের তথ্যসূত্র দাতা আওয়ামী ভাদা বুদ্ধিজীবী আবদুল মোমেন নামক একজন শিক্ষাবিদ কলামিস্ট। ঢাকাইয়া একটা প্রবাদ আছে, "হাজীর ঘরে পাজি"- একথা লিখেছি কারণ, এই উপন্যাসের তথ্যসূত্র দাতা ভাদা আবদুল এর বাবা ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও জিয়াউর রহমান সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক আবুল ফজল। তাঁর মা বিশিষ্ট নারী নেত্রী উমরতুল ফজল।


লেখিকার ঠাকুর দাদা 'ঢাকাইয়া', আর মায়ের দাদা 'বরিশাইল্যা'। উনাদেরই এক বংশধর বডি বিল্ডার কেষ্ট ঘোষ ১৯৬৪ সনে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যায় উন্নত জীবনের সন্ধানে। ১৯৭১ সনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে একজন গেরিলা যোদ্ধা হয়ে বিরাট মুক্তিযোদ্ধা বনে যায় এবং তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

আগেই বলেছি, এই উপন্যাসের কাহিনী বিস্তৃত হয়েছে
বিংশ শতাব্দীর চল্লিশ দশক থেকে ১৯৯২ সনে বাবরী মসজিদ ভাংগা পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশে হিন্দু বিরোধী(!) কল্পিত দাংগা বর্ণনায়। কিন্তু বিশিষ্ট ভাকু ভারতীয় আবদুল '২০০১ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে হাজার হাজার হিন্দু নারী নির্যাতন, হাজার হাজার হিন্দুদের বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করার' কল্পিত গপ্পো ফেঁদে ম্যাডাম জিয়াকে তুলোধুনো করেছে!
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০২৫ সকাল ১১:৩১
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শুধু টুথপেস্ট নয়—মোড়ক ছেঁড়ার মুহূর্তেই ছড়াচ্ছে মাইক্রোপ্লাস্টিক

লিখেছেন মুনতাসির, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩০

টুথপেস্ট নিয়ে আলোচনা সবে শুরু হয়েছে, কিন্তু বাস্তবতা আরও অনেক বড়। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি সিন্থেটিক পণ্যই এখন মাইক্রো বা ন্যানোপ্লাস্টিক তৈরি করতে পারে—এমনকি একটি চিপসের প্যাকেট ছেঁড়ার মুহূর্তেও,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কারো নামে মিথ্যা অপবাদ কাম্য নয় তবে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩৯


ঘটনাটি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের এবং তার সঙ্গে থাকা এক সাংবাদিক বন্ধুকে ঘিরে। পরিবাগ ওভারব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ট্রান্সজেন্ডার বা হিজড়া জনগোষ্ঠীর কয়েকজনের সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কী-বোর্ড কাহিনী: ডেল কেবি২১৬

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:০০


আমি ১৯৯৬ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কী-বোর্ড ব্যবহার করছি। দেশে থাকতে কী-বোর্ড তেমন প্রয়োজন পড়েনি। মাঝে মধ্যে কেনা হতো। একবার বাংলা লিখার জন্য "বিজয়" সফটওয়্যারের প্রলোভনে, বিজয় এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

নদী হত্যায় সম্ভবত আপনিও জড়িত

লিখেছেন অপলক , ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০৪

আপনি আমি প্রত্যাক্ষ পরোক্ষ ভাবে নদীকে হত্যা করি। হয় রাতারাতি বা তিলে তিলে। কিন্তু কিভাবে, সেটাই দেখাবো।



সবার আগে জানা দরকার কোন জলাশয় বা জলাধারকে নদী বলব?

দুনিয়ার বিভিন্ন... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘সবচেয়ে কঠিন’

লিখেছেন আবু সিদ, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:১৫


আমি সাদ। আমার বয়স ১৭ বছর। আমি ক্লাস টেনের ছাত্র। আমার ক্লাসের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর বয়স ১৫ বা তার আশপাশে। আমারও ১৫ বছর বয়সে ক্লাস টেনে থাকার কথা ছিল। কিন্তু আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×