somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

"গণভোটে’র চেয়ে আলুর ন্যায্যমূল্য পাওয়া বেশি গুরুত্ত্বপূর্ণ"- কেন?

১৫ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ৯:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"গণভোটে’র চেয়ে আলুর ন্যায্যমূল্য পাওয়া বেশি গুরুত্ত্বপূর্ণ"- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের এই বক্তব্যের যথার্থ। কারণ, গণভোটের আগে মানুষের জীবন!

★ ১ কোটি ১৫ লাখ টন আলু উৎপাদন, কিন্তু কৃষক পাচ্ছেন অর্ধেক দামও না।
★ ৩৫৩টি পোশাক কারখানা বন্ধ, ১.২ লাখ শ্রমিক বেকার।
শিক্ষার্থীর এক-তৃতীয়াংশ ইংরেজি ও আইসিটি-তে অকৃতকার্য।
★ ২৪টি ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে, অর্থনীতি নাজুক।

এই সব বাস্তবতার মাঝে কথিত “গণভোট” কেনো বেশি জরুরি হতে পারে তা 'হাংকিপাংকি রাজনৈতিক নেতা', 'আংগুল ঢুকানো' নেতারা বুঝবে না।
তারেক রহমান বলেছেনঃ
“আলুর ন্যায্যমূল্য, পেঁয়াজ সংরক্ষণাগার, চাকরি, শিক্ষা সংস্কার- এগুলো মানুষের জন্য জরুরি, গণভোট নয়।”- এটা রাজনীতি নয়- এটা মাটির টান, মানুষের দুঃখের টান।

রাষ্ট্রের সামনে যখন অর্থনৈতিক সংকট, কৃষকের হাহাকার, শ্রমিকের আর্তনাদ, শিক্ষার মানের অবনতি আর ব্যাংকিং খাতের চরম অস্থিরতা গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে- তখন কথিত ‘গণভোট’কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট কৃত্রিম উত্তেজনার মধ্যে একটা সত্য যেন বারবার হারিয়ে যাচ্ছে।
মানুষ আজ ন্যূনতম জীবনের নিরাপত্তা চায়। ঠিক এই জায়গাটিতেই তারেক রহমানের বক্তব্য দেশবাসীর অন্তরের ক্ষতকে স্পর্শ করেছে। এই বাস্তবতার মুখে তারেক রহমানের প্রশ্ন নিছক রাজনৈতিক নয়- এটা মানবিক প্রশ্ন
“চাকরি ছাড়া হাজার কোটি টাকার গণভোট কার জন্য?”


তারেক রহমান যখন বলেন- “আলু উৎপাদন করে কৃষকরা অর্ধেক দামে বিক্রি করতে পারছেন না"- তখন সেটা শুধু পরিসংখ্যান নয়, এটা একেকটি মানুষের ঘামঝরা শ্রমের বেদনা। একদিকে কৃষকের ঘরে লোকসান,
অন্যদিকে রাষ্ট্রের টাকা ব্যয় করে কথিত গণভোটের আয়োজন- এই তুলনায় স্বাভাবিকভাবেই তারেক রহমানের প্রশ্ন- “গণভোটের চেয়ে কৃষকের ন্যায্যমূল্য কি বেশি জরুরি নয়?”

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ৯:২৪
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্বর্গময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩


ওরা জান্নাত দেখে না
পুড়তে পুড়েই তো ছাই-
কতখানি জান্নাত দেখো
ঘরের ভিতর আছি কি?
নাকি মাটিতে থাক ঘুম;
যতক্ষুণ আছো নিঃশ্বাস
ততক্ষুণ জান্নাত দেখো
পরিবারে কিংবা চারপাশ!
পরকাল কে দেখে শান্তিময়
এখানে রচনা করো স্বর্গময়;

১৫-৬-২৬ ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘র’-এর কৌশল, প্রভাব ও গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি , পর্ব ০১

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭

'র'-এর গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করার পূর্বে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন ও তৎপরবর্তী পরিচালিত কয়েক ধরনের স্ট্র্যাটেজি ও বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতার বিবরণ দেয়া প্রয়োজন । ১৯৬৮ সালে 'র' গঠিত হয়েছিল মূলত বৈদেশিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের গল্প- ১০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০



১। একজন মা (কোহিনূর) সারারাত ঘরের দরজা খুলে বসে থাকেন।
কারণ কেউ একজন এসে তাকে বস্তা ভরতি টাকা দিয়ে যাবে। গতকাল রাতের কথা। আমার বাসায় ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৩

দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×