উত্তরা থেকে বাসায় যাচ্ছি...... সামনে পিছনে সব গরু বোঝায় ট্রাক। ট্রাকে গরু যেভাবে গাদাগাদি করে দাড়ায় আছে আমরাও লোকাল বাসে সেভাবেই গাদাগাদি করে দাড়িয়ে। গরুগুলোর উপরে ভারা থেকে বেশ অলস ভাবে খড় ছিড়ে ছিড়ে খাচ্ছে আর আমাদের দিকে ড্যাব ড্যাব করে তাকায় আছে...... মনে মনে আমদেরকে তাঁদের মতই কোন জিব ভাবছে কিনা কি জানি! তবে তাঁদের নাদি ও ইউরিন মিশ্রিত দুর্গ্নদ্ধে জান যাবার জোগাড়। সবাই ড্রাইভাররে ব্যপক অনুরোধ জানালেও সে এই সুগ্রান(!) ছেড়ে নড়তে মোটেও ইচ্ছুক নয়। গালাগালির মোটামুটি ফোয়ারা বয়ে যাচ্ছে কিন্তু মহান পাইলটের হয় গণ্ডারের চামড়া না হয় কান বন্ধ। আমি দেখলাম এই আজাব থেকে নাইমা হেটে যাওয়াই ভালো। সুতরাং পদযুগলের উপর আস্থা প্রদর্শন করে আল্লাহর নাম দিয়ে রওনা হলাম- ঐ দেখা যায় কুড়িল ফ্লাই ওভার, ঐ আমাদের গা থুক্কা বাসা। আমার সাথে অগ্রসরমান আবাল বৃদ্ধা বনিতার এক বিশাল বহর-- গন্তব্য তাঁদের ঐ পাশের শহর। নজরুল বোধহয় এমন পরিস্থিতিতেই লিখেছিলেন ‘কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান......কিন্তু একি আমাদের দেখা দেখি কিছু গরুর ব্যপারিও ট্রাক ছেড়ে গরুর পাল নিয়ে রওনা হয়ে গেছে দেখি। লং হর্ন গরুর দল তাঁদের বিশাল শিং তাক করে আমাদের দিকেই ছুটে আসছে, আমি আর দেরি না করে দৌড় লাগালাম। এই বয়সে যখন পেটের উপর বেশ একটা দশাসই ভুঁড়ি উকি দিচ্ছে তা নিয়ে দৌড়ান যে সহজ ব্যপার নয়। তবে দেখলাম আমার মতই বহু দুর্ভাগা গরুর সাথে এই অনিচ্ছাকৃত দৌড় প্রতিযগিতায় নেমে গেছে। একজন বলল ভাই এদিকে আসেন...... কোনরকমে হাফাতে হাফাতে ফ্লাইওভারের উপর উঠলাম। ফ্লাইওভারের শীর্শ বিন্দু থেকে দেখলাম গরুর পাল দুলকি চালে ফ্লাইওভারের তলদেশ দিয়ে পার হয়ে যাচ্ছে। যাক শান্তি... গরুর পালরে বলতে ইচ্ছে হল ও গরু তুই মানুষ হইলি না। তবে মানুষ না হইলেও এই কোরবানির বাজারে মানুষের চেয়ে গরুর দাম যে বেশি তা বলা যায়। গরুর ফেলতে হাজার থেকে লাখ গেলেও মানুষ ফেলতে লাগে কেবল একটা বুলেটে--- আর কসাইরুপে দেশি কিংবা বিদেশি অস্ত্রধারি বাহিনী ত আছেই।
ও গরু তুই মানুষ হইলি না
রাজনীতি নাকি ক্ষমতানীতি

রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়
বহু দেশেই রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলি রাজনীতি।
কেন বলি?
শব্দটি এত পরিচিত
যে পরিচয়ের আড়ালে প্রশ্নটি হারিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন
কবিতা
" অদেখা দূরত্ব "
তুমি ছিলে আমার সেই নাম যা আমি উচ্চারণ করতে পারিনা,
তবে বুকের ভিতর হাজার বার জপ করি।
তুমি আমার সেই আলো যা আমি চোখে দেখিনা,
লুকিয়ে রাখি হৃদয়ের অভ্যন্তরে... ...বাকিটুকু পড়ুন
একলা আমি...
সব মানুষের ভিতর একটা একলা 'আমি' থাকে। যে আমি হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের একাকিত্বকে আগলে রাখে। সেখানে একটা 'তুমি'ও থাকে। যে তুমি, চিরবিরহের। যে তুমি অনেক দূরের, যাকে চোখ দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন
বালছাল মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী!
প্রথম পাতায় ব্যান ব্লগারের একটি পোস্টে ব্লগার রাজীব নূর মন্তব্য করে বলেছেন - “ওদের কে ‘বালছাল’ লিখতে দেন। বিনোদন নষ্ট করবেন না।”
বাহ! কী চমৎকার গণতান্ত্রিক দর্শন! এতদিন জানতাম দেশে তথ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।