হামিদ সাহেব গ্রামে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।
যে বেতন পান তাতে কোনমতে সংসার চলে।
যদি কোনদিন মিলাদ-মাহফিলের দাওয়াত আসে সেদিন ভালমন্দ জোটে। কিছুদিন যাবত কোন দাওয়াত আসে না।
আজকে বাসা থেকে বের হবার সময় বাড়ীর কাজের লোকটা আবুলকে বলে গেল,
শোন-- যদি কেও দাওয়াত দিতে আসে, কোথাই, কবে, কখন ভাল করে যেনে রাখবি কেমন?
আবুল-- জী হুজুর।
বিকেলে এসে হামিদ সাহেব জিজ্ঞেস করলেন হামিদ সাহেব--
কি রে কেও এসে ছিল?
আবুল-- জী হুজুর,
আইসে আপনার দা চাইছে।
হামিদ সাহেব-- তুই কি বলছিস?
আবুল-- বইলে দিছি আমাগো দা নাই।
হামিদ সাহেব-- তওবা তওবা--- মিথ্যাকথা বললি কেন?
বলতে পারতি আমাদের দা আছারি ভাঙ্গা, মুখ পরা, কাটেনা ইত্যাদি। আবুল-- জী হুজুর।
হামিদ সাহেব-- কি রে আজ কেও এসে ছিল?
আবুল-- জী হুজুর, আইসে আপনার ছাতাটা চাইছে।
হামিদ সাহেব-- তুই কি বলছিস?
আবুল-- বইলে দিছি আমাগো ছাতার আছারি ভাঙ্গা, মুখ পরা, কাটেনা। হামিদ সাহেব-- ধুর বোকা,
বলতে পারতি আমাদের ছাতার বাট ভাঙ্গা, ছেঁড়া, পানি পরে ইত্যাদি। তোকে নিয়ে কিচ্ছু হবেনা।
আবুল-- জী হুজুর।
হামিদ সাহেব-- কি রে আজ কেও এসে ছিল?
আবুল-- জী হুজুর, আইসে আপনার ঘোড়াটা চাইছে।
হামিদ সাহেব-- তুই কি বলছিস?
আবুল-- আমাগো ঘোড়ার বাট ভাঙ্গা, আমাগো ঘোড়া ছেঁড়া, আমাগো ঘোড়া দিয়ে পানি পরে।
হামিদ সাহেব-- (রেগে গিয়ে) তুই বলতে পারতি আমাদের ঘোড়া ল্যাংড়া, হাঁটতে পারেনা, খাইনা, সারাদিন শুধু ঝিমাই।
তুই আর মানুষ হলি না।
হামিদ সাহেব-- কি রে আজ কেও এসে ছিল?
আবুল-- জী হুজুর। দাওয়াত দিতে আইছিল।
হামিদ সাহেব-- ( উৎসাহিত হয়ে) কোথাই, কবে, কখন বল বল।
আবুল-- বইলা দিছি আমাগো হুজুর ল্যাংড়া, হাঁটতে পারেনা, খাইনা, সারাদিন শুধু ঝিমাই আর ঝিমাই।
হামিদ সাহেব-- ( রাগে, খোবে)
এতদিন পর দাওয়াত পাইলাম আর তুই ------------ !
(হামিদ সাহেব অজ্ঞান)
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



