সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ জন্য।
অনেক ধন্যবাদ দেওয়ার দরকার ছিল হাসনাত আব্দুল হাই কে তার লেখা “টিভি ক্যামেরার সামনে মেয়েটি” জন্য। ধন্যবাদ দিতে দেরি করে ফেলেছি। আসলে প্রথম দিন ইচ্ছা করেই পড়া হয় নাই। বেশি লেখাজোখা দেখে পড়তে ইচ্ছুক হলাম। পড়লাম ও বুঝলাম।
তার লেখাটা শুধু যে একটা মেয়েকে তুলে ধরেছে তা না। পুরাপুরি আমাদের দেশের রাজনৈতিক চরিত্র তুলে ধরেছেন, রাজনীতিতে মেয়েদের অবস্থান, ছেলেদের অবস্থান, উত্থান পতন!
শাহ বাগীদের একটা চরিত্র ফুটে উঠেছে এইখানে। আগে শুনেছিলাম এমন হয় অমন হয়, তার লেখার মধ্য দিয়ে ভালো করে জানলাম আসলেই তা হয়। সত্য একদিন সবার সামনে আসবে। যে ভাবেই হোক না কেন? আজ তাদের কাছে জানতে ইচ্ছা করছে (যারা শাহ বাগ কে সমর্থন না করলে ছাগু বলে গালি দিত) ছাগু কারা? যারা সত্য জানার চেষ্টা করেছে না যারা শুধু শুধু ফাল পারছে?
মানুষ কয়েকটি পয়েন্ট এ পরিষ্কার ধারণা পেয়েছে বলে আশা করছি।
১>রাজনীতিবিদদের চরিত্র- যারা দেশ ও দশের জন্য নয়, নিজেদের জন্য রাজনৈতিক ব্যাবসা করে রাজনীতি নিয়ে।
২> রাজনীতিতে মেয়েদের অবস্থান, তাদেরকে কি ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
৩>রাজনীতিতে ছেলেদের অবস্থান ও তাদের কাজ কর্ম।
৪> শাহ বাগের ২য় প্রেক্ষাপট।২য় প্রেক্ষাপট বললাম কারণ প্রথমে স্বতঃ স্ফূর্ত সমর্থন পাওয়া গেলে ও পরে এর চরিত্র পরিবর্তন হয়ে যায়।
৫>শাহ বাগের রাতের ও দিনের গল্প।
৬> নারী সংস্থার নারী চরিত্র।
নারী সংস্থার নারী চরিত্র উল্লেখ করার পেছনে কারণ হল তারা ও রাজনৈতিক স্বার্থ ছাড়া কথা বলেন না। হেফাজতে ইসলামের প্রোগ্রামে এক টিভি সংবাদ গ্রহিতার উপর কিছু উগ্র বাদী নিয়ে যা করেছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অথচ যখন এরকম একটা ঘটনা উঠে আসল সবার সামনে তখন তাদের তো আন্দোলন করার দরকার করার কথা কেন মেয়েদের এভাবে রাজনীতিতে ব্যবহার করা হচ্ছে?
তারা তা করবে না জানা কথা। যখন সিনেমা হলের পোস্টারে একটা মেয়েকে অর্ধ নগ্ন রুপে তুলে তখন তাদের কোন কথা থাকে না। কেন তারা বলেন না যে এভাবে পোস্টার ছাপা যাবে না?
নাকি তারা তখন নারী থেকে পুরুষে রূপান্তরিত হয়ে এইসব দৃশ্য উপভোগ করেন? নারী সংস্থা গুলোর ভণ্ডামি বন্ধ করা উচিৎ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




