রেশমাকে নিয়ে অনেক গুঞ্জন
রেশমা যেখানে আটকে ছিলেন তার ওপর হ্যামার ড্রিল ধ্বংসস্তূপ প্রকম্পিত করে ছিদ্র করা হচ্ছিল। তখন মেজর মোয়াজ্জেম সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণ নির্বিঘœ করতে মেশিন চালানো বন্ধ করতে বলেন, মেশিনের শব্দ থেমে গেলে বেইসমেন্টের নিচ থেকে মানুষের ক্লান্ত ধ্বনি শোনা যেতে থাকে। একইসঙ্গে একটি কাঠি নড়তে থাকে চাপা পড়া দেয়ালের ভেতর থেকে। তখনই আব্দুর রাজ্জাক নামে এক উদ্ধারকর্মী মানুষের উপস্থিতি শনাক্ত করে সবাইকে সতর্ক করেন। এরপরই সেনা কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা তার কাছাকাছি যান। ছোট্ট ছিদ্র দিয়ে তার দুটি চোখ দেখা যাচ্ছিল। মুখ কালচে মনে হচ্ছিল। বাঁচার জন্য হাত নাড়ছিলেন। ভেতর থেকে বলে ওঠেন, আমি সুস্থ আছি, আমারে বাঁচান।– দৈনিক ইনকিলাব
আমার প্রশ্নঃ সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণ নির্বিঘ করতে মেশিন চালানো বন্ধ করতে হবে কেন?
রেশমাকে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়া সেনাবাহিনীর মেজর দেলোয়ার হোসেন বলেন, তার সন্ধান পাওয়ার পর আমরা প্রথমে তাকে অল্প পরিমাণ পানি ও বিস্কুট দেই। টানা দুইদিন সে না খেয়ে ছিল। তার সঙ্গে শুকনা খাবার ছিল। সেগুলো খেয়ে এতদিন সে বেঁচে ছিল।- দৈনিক ইনকিলাব
আমার প্রশ্নঃ কত টুকু শুকনো খাবার ছিল তা দিয়ে ১৭ দিন চলা যায়? উনারা যখন কাজে আসতেন তখন কত টুকু শুকনা খাবার নিয়ে আসতেন?
ঘটনার কথা বর্ণনা করে রেশমা বলেন, ‘এর আগে বিল্ডিংয়ে ভাঙা ছিল। ছুটি দেওয়ার পর লাঞ্চের টাইমে আবারও যাই। স্যাররা বলে পরের দিন আসতে। পরের দিন সকালে গেলে স্যাররা বলে, কোনো সমস্যা নাই। যার যার মতো কাজ করো।’
রেশমা বলেন, ‘কিছুক্ষণ পর দেখি, বিল্ডিংয়ের কোনায় কোনায় ভাঙা। সবাই চিৎকার দিয়া ‘‘বাইর হ’’ ‘‘বাইর হ’’ কইতে কইতেই বিল্ডিংটা ভাইঙ্গা পড়লো। কখন পড়লো বুঝতেও পারি নাই। হেরপর অন্ধকার, শুধু অন্ধকার। আল্লাহরে বলছি, আল্লাহ, তুমি আমারে এখান থেইকা বাইর করো। আল্লাহ আমারে বাঁচাইছে।’- দৈনিক প্রথম আলো।
আমার প্রশ্নঃ তার সাথে কি কোন সাথী ছিল না? না একা একা কাজ করছিলেন?
আরও অনেক প্রশ্ন নিচে দেয়া হলঃ
1. মুন্নিসাহা যে আর্মিকে প্রশ্ন করছিল সেই আর্মি বলেছে রেশমা টোস বিস্কুট ও শুকনো খাবার খেয়ে বেঁচে ছিল কিন্তু রেশমা বলেছে সে পানি ছাড়া কিছুই খায় নি ।
2. ঐ আর্মি বলেছে রেশমা ভেতরে ঘোরাফেরা করেছ রেশমা বলেছে সে এক জায়গায় স্থির ছিল ।
3. ঐ আর্মি দাবি করেছে সে-ই সর্বপ্রথম নিজে রেশমাকে দেখেছে কিন্তু channel24 এ বলা হয়েছে ১৫ বছরের মোনায়েম নামের একজন তাকে সর্বপ্রথম দেখেছে ।
...
আমার দিনগুলি আর ফিরবে নারে || সহেলিয়া ও সোনারুর কণ্ঠে নতুন ভার্সন
আমার দিনগুলি আর ফিরবে নারে
যারে হারাইয়াছি মায়ের কোলে
আর কি ফিরা পাবো তারে
মন যে আমার কান্দে সদাই
ফিরা যাইতে সোনার শৈশবে
হায়রে কোথায় আমার ঘুড্ডি নাটাই
খেলার সাথি কই সবে
কে যে আমায় নিত্যি ডাকে
ঘুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন
একজন ব্লগার
যখন একজন ব্লগার
টরন্টো সময়ঃ সন্ধ্যা ৭ঃ০৩ ২রা অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ সময়ঃ ভোর ৫ঃ০৩ ৩রা অক্টোবর, ২০২৬

৩৬ জুলাইয়ের বিপ্লবের পর বাংলাদেশে সবচেয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তনটা বোধহয় সরকারে নয়- আমাদের আচরণে!
৩৬ জুলাইয়ের বিপ্লবের পর বাংলাদেশে সবচেয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তনটা বোধহয় সরকারে নয়- আমাদের আচরণে!
আমাদের মধ্যে বৃহত্তর একটা অংশের বদ্ধমূল বিশ্বাস- আইন মানতে হবে না, নিয়ম মানা বোকামি, সরকারের সবকিছুই মানুষের মৌলিক... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইমাম মাহদী আসার আগে নেতৃত্ব দাবী করা সকল দলই গোমরাহের পথে আছে
সেক্যুলার দলকে সমর্থন ততো দিন পর্যন্ত দিয়ে যেতে হবে, যতো দিন ইসলামী দলগুলো 'যোগ্য' না হয়ে উঠছে।
বাংলাদেশের কোন ইসলামী দলই দেশ চালাতে সক্ষম নন।
ইসলামে বলা... ...বাকিটুকু পড়ুন
চেগা মিয়া

সকাল ৭ টা। আশ্বির্নের মাঝামাঝি।
হাজী শারাফত আলীর ছেলে মন খারাপ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। রাতে তার ভালো ঘুম হয়নি। তার ভাই বোনদের কথা মনে পড়লেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।