somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বর্ষাকাল ও কবির ভাবনা

১৩ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ষড়ঋতুর বাংলাদেশে বর্ষা প্রকৃতির মাঠে যেভাবে কিশোরী অবয়বের লাবন্য নিয়ে জেগে ওঠে; আর কোন ঋতু তেমনিভাবে আসে না। বসন্ত ও বর্ষা নিয়ে বাংলা সাহিত্যে যত রূপে ও যত আঙ্গিকে লেখা হয়েছে, তা আর কোনো ঋতু নিয়ে ততটা লেখা হয়নি। তার মধ্যে বর্ষা বাংলার কবিদের মন ও মননকে আন্দোলিত করেছে অনন্য এক আলোড়নে।

বর্ষায় কবি যেন নেচে ওঠেন ময়ূরের মতোন। পেখম তুলে নেচে যান অদম্য এক যৌবনে। শব্দে, বাক্যে, ছন্দে, তালে, রূপ-রস-গন্ধ মিলিয়ে ব্যক্ত করেন দৃষ্টিগত রূপের বৈচিত্র্য। সৃষ্টি করেন বর্ষার অপরূপ রূপকে নিয়ে শব্দের এক অনন্য নৃত্যকলা। কবি তার কবিতায় একবার বৃষ্টির ফুল কুড়ান তো, আবার মেঘের মালা গাঁথেন। একটু পরই আবার মেঘের আড়ালে উকি দেয়া সূর্য কবিকে নিয়ে চলে যান ঝিলের কাছে, বিলের কাছে, কলসি কাঁখে রমণীর রমণীয় ঘাঁটের কাছে। কবি সে রূপে বিমোহিত হয়ে, তাকে উপমা করে কবি রচনা করেন মনের অমৃত সুধা।

বর্ষাকে ঘিরে এ সুধা রচনার আনন্দ আদিযুগ থেকে মধ্যযুগ, মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত চলে এসেছে। তথা সময়ের যে কোনো কবিই ফিরে থাকতে পারেননি বর্ষার রূপের আকর্ষণ থেকে । সব যুগে, সব সময়ে বর্ষা তার অপরূপ রূপের ছুরি নিয়ে হানা দিয়েছে প্রেমিক কবির মনের ভেতর। কালিদাস তার ‘মেঘদূতে’ পর্বতের ওপারে নির্বাসিত শূন্য ও একাকী জীবনে ‘মেঘ’কে দূত করে পাঠিয়েছেন প্রিয়ার কাছে।
'ও মেঘ, জানি আমি জাতকপত্রিকা, ভুবনবিখ্যাত পুষ্কর
তোমার নাম জানি তোমার গুণপনা ইচ্ছামতো পারো উড়িতে
প্রধান ইন্দ্রের ও মেঘ, প্রিয়া দূরে, তোমার কাছে তাই প্রাথী-
ক্ষতি কী গুণবানে বিফল হই যদি, অধমে গ্লানিময় যাচ্ঞা।'
- মেঘদূত (পূর্বমেঘ), অনুবাদ- শক্তি চট্টোপাধ্যায়।

মাইকেল মধুসূদন দত্তের কবিতায় বর্ষা আবার ধরা দিয়েছে প্রকৃতির অপরূপ শক্তি হিসেবে। তাঁর কবিতায় বর্ষার প্রকৃতি ও মানব প্রকৃতি মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। তাঁর ভাষায়-
‘গভীর গর্জন করে সদা জলধর
উথলিল নদ-নদী ধরনীর উপর
রমণী রমন লয়ে সুখে কেলি করে
দানবাদি দেব যক্ষ সুখিত অন্তরে।’

বর্ষাকে নিয়ে বহু বাঁকে কবিতাকে উপস্থাপন করেছেন বিভিন্ন আঙ্গিকে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথই যেন কবিতার মাধ্যমে বর্ষাকে পূর্ণতা দান করেছেন। তাই, তাঁর কবিতায় বর্ষার বিচিত্র রূপ প্রকাশ পায় বন্দনারূপে। আকাশে ঘনকালো মেঘ গুরুগুরু গর্জনে বৃষ্টির অবিরাম ধারা নেমে এলে কবি যেন ফিরে যান তাঁর শৈশব-কৈশোরের দিনগুলোতে। তখনই তাঁর কবিতায় ঝরে পড়ে স্মৃতিকাতরতার বৃষ্টি-
'বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে
ছেলে বেলার গান
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
নদে এল বান।’
আবার তিনি এ বর্ষাকেই বেছে নিয়েছেন প্রেমিকাকে প্রেম সম্বোধনের উত্তম সময় হিসেবে-
‘এমন দিনে তারে বলা যায়
এমন ঘনঘোর বরিষায়-'

অপরদিকে, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম শুধুমাত্র আগুনের কবিতাই লেখেননি; তাঁকেও প্রভাবিত করেছে বর্ষা। তাঁর কবিতায়ও বর্ষা ধরা দিয়েছে নানা প্রতীকী ব্যঞ্জনায়। কবিতায় নজরুল গেয়েছেন-
‘যেথা যাও তব মুখর পায়ের বরষা নূপুর খুলি
চলিতে চলিতে চমকে ওঠ না কবরী ওঠে না দুলি
যেথা রবে তুমি ধেয়ানমগ্ন তাপসিনী অচপল
তোমায় আশায় কাঁদিবে ধরায়, তেমনি ফটিক জল।’

বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি, প্রকৃতির কবি জীবনানন্দ দাশ তাঁর কবিতায় বর্ষাকে এড়িয়ে যাননি। কবি বলেছেন-
‘এই জল ভালো লাগে; বৃষ্টির রূপালি জল কত দিন এসে
ধুয়েছে আমার দেহ- বুলায়ে দিয়েছে চুল- চোখের উপরে
তার শান-স্নিগ্ধ হাত রেখে কত খেলিয়াছে, আবেগের ভরে
ঠোঁটে এসে চুমো দিয়ে চলে গেছে কুমারীর মতো ভালোবেসে।'

পল্লী কবি জসিমউদ্দীনের কবিতায় বর্ষা এসেছে আরেক রকম ব্যঞ্জনা হয়ে। তিনি উদাস হয়ে দেখেছেন বর্ষার রূপ। কবি বর্ষার অবিশ্রান্ত বর্ষণমুখর গ্রাম-বাংলার ঘরে ঘরে যে আড্ডার আসর বসে, সেই কিচ্ছা কাহিনী শোনার যে লোকায়ত চিত্র তা তুলে ধরেছেন, তার কবিতায়-
‘গাঁয়ের চাষীরা মিলিয়াছে আসি মোড়লের দলিজায়
গল্প গানে কি জাগাইতে চাহে আজিকার দিনটায়!
বাহিরে নাচিছে ঝর ঝর জল, গুরুগুরু মেঘ ডাকে,
এসবের মাঝে রূপ-কথা যেন আর কোন রূপ আঁকে।’

মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদও বৃষ্টির ছন্দকে তার কবিতায় নাচিয়েছেন মনের আনন্দে।
‘বৃষ্টি এলো কাশবনে
জাগলো সাড়া ঘাসবনে
বকের সারি কোথায় রে
লুকিয়ে গেলো বাঁশবনে।'

এদিকে কবি শামসুর রাহমানের কবিতায় শুধু যুদ্ধ, স্বাধীনতা, বিজয়, প্রেমই আসেনি, বর্ষাও এসেছে। বৃষ্টির জন্য কবি অপেক্ষায় থেকেছেন যেমন মানবহৃদয় অপেক্ষায় থাকে প্রেমিকার জন্য। তাঁর কবিতায় লিখেছেন-
'টেবিলে রয়েছি ঝুঁকে, আমিও চাষীর মতো বড়
ব্যগ্র হয়ে চেয়ে আছি খাতার পাতায়, যদি জড়ো
হয় মেঘ, যদি ঝরে ফুল, বৃষ্টি। অলস পেন্সিল
হাতে, বকমার্কা। পাতা জোড়া আকাশের খাঁ খাঁ নীল।’

কবি আল মাহমুদ বর্ষাকে দেখেছেন অন্য এক দৃষ্টিতে। তাঁর কবিতায় বর্ষা-প্রকৃতি অন্যমাত্রার এক কথা বলে। তিনি কবিতায় তুলে আনেন-
‘শুধু দিগন্ত বিস্তৃত বৃষ্টি ঝরে যায়, শেওলা পিছল
আমাদের গরিয়ান গ্রহটির গায়।’

নির্মলেন্দু গুণ বর্ষার মেঘ আর বৃষ্টি দুটিকেই ধারণ করেছেন বোধের ভেতরে। চাকুর এপিঠ ওপিঠের মতো ব্যবহার করেছেন জাগ্রত প্রতিবাদে, বর্ষাকে উপমা করেছেন রক্তকণ্ঠের প্রতিনিধি হিসেবে-
‘আমি কতো ভালোবাসা দু’পায়ে মাড়িয়ে অবশেষে,
কল্পনা মেঘোলোক ছেড়ে পৌঁছেছি বাস্তব মেঘে।
আজ রাত বৃষ্টি হবে মানুষের চিরকাম্য দাবির ভিতরে।’

সৈয়দ শামসুল হক বর্ষার বৃষ্টিকে পবিত্র এক জলফোয়ারা রূপে দেখেছেন। বৃষ্টিতে ধৌত হলে পৃথিবীর আর কোনো জলে ধৌত হওয়ার প্রয়োজন নেই বলেই বর্ষার এ বৃষ্টিতে ভেজা প্রাণের স্বদেশকে স্বাগত জানিয়েছেন-
‘তোমাকে অভিবাদন বাংলাদেশ,
তুমি ফিরে এসেছ তোমার বৃষ্টিভেজা খড়ের কুটিরে
যার ছায়ায় কত দীর্ঘ অপেক্ষায় আছে সন্তান এবং স্বপ্ন;’

হুমায়ূন আহমেদের বর্ষা লোভের কথা কে না জানে! সমুদ্রের কাছে গেলে এই গীতিকবি যেমন হুলুস্থূলের পাগল হয়ে যেতেন, তেমনি মাতাল হয়ে যেতেন বর্ষার বৃষ্টি দেখে। যে প্রিয়াকে ভালোবাসতেন প্রাণাধিক, সে প্রিয়তমাকে তাই তিনি অন্য কোনো ঋতুতে নয়, বর্ষা ঋতুতেই আসতে বলেছেন-
‘যদি মন কাঁদে
তুমি চলে এসো, চলে এসো
এক বরষায়।

ঘন মেঘ যখন দলবেঁধে আকাশে উড়ে বেড়ায়, সে মেঘের সাথে কবির ভাবপ্রবণ মনও কল্পনার জগতে উড়তে থাকে। তখন সরল মানুষের মতো কবির মনের সুখ, দুঃখ, আনন্দ, বেদনাগুলো যেন মনের জলছবি হয়ে ওঠে মেঘের শরীরে। কবি মোহাম্মদ নূরুল হুদা তাঁর কবিতায় বর্ষাকে প্রকাশ করেছেন নানা আঙ্গিকে।
'বৃষ্টি পড়ে বৃষ্টি পড়ে মনে মনে বৃষ্টি পড়ে
বৃষ্টি পড়ে বৃষ্টি পড়ে বনে বনে বৃষ্টি পড়ে
মনের ঘরে চরের বনে নিখিল নিঝুম গাঁও গেরামে
বৃষ্টি পড়ে বৃষ্টি পড়ে বৃষ্টি পড়ে বৃষ্টি পড়ে।’

বর্ষা শুধু কাঁদে আর কাঁদে। যেন, অন্য পাঁচটি ঋতুর সমস্ত বেদনা নিয়ে বর্ষা এসে হাজির হয় প্রকৃতির উঠোনে। তেমনি কবি মহাদেব সাহা বর্ষার বৃষ্টির কান্নাকে ধরে রাখলেন তাঁর ভাবের মলাটে।
‘এই যে জীবন উজাড় করে বর্ষার মেঘের মতো
তোমাকে ভিজিয়ে দিচ্ছি
তুমি কখনোই তার কিছু অনুভব করলে না।'

বৃষ্টিকে আনন্দ বা বেদনার রূপে না দেখে কবি অসীম সাহা দেখেছেন করুণ রূপে। ভয়ের চোখে তাকিয়েছেন বর্ষার এই ধারার দিকে। প্রিয় নারী মাধবীকে তাই বারণ করা- যেন ঝরঝর দিনে বাহিরে না বেরোয়। মাধবীর জন্য কবির মনে কান্না- বর্ষার রূপ, বৃষ্টি কান্নার মতোই-
‘ঢাকার আকাশ আজ মেঘাচ্ছন্ন, মাধবী এখন তুমি বাইরে যেও না
এই করুণ বৃষ্টিতে তুমি ভিজে গেলে বড়ো ম্লান হয়ে যাবে তোমার শরীর,
মাধবী বৃষ্টিতে তুমি বাইরে যেও না।'

বাংলা ভাষায় কবিতা লিখেছেন এবং লিখছেন; অথচ, বর্ষা তার কবিতায় প্রভাব ফেলেননি, তার কবিতা বর্ষাকে নিবেদন করেননি এবং বর্ষাকে উপলক্ষ্য করে কবিতা লেখেননি; এমন কোন কবি পাওয়া যাবে না। । এতো এতো কবিগণ বর্ষাকে নিয়ে কবিতা লিখেছেন, আর আমি একটি লিখলে ক্ষতি কি? তাই-
'যখন ছিলো না কাগজ-কলম প্রেমের কবিতা লিখতে,
তখন আকাশে লিখতো কবিতা বর্ষায় কিংবা শীতে।
কবিতা হয়েছে ভালোবাসা তার- বর্ষা-জলের বৃষ্টি,
অমর প্রেমের কবিতাসমূহ আকাশে হয়েছে সৃষ্টি।
আজি এ বাদলে ভরেছে আকা একা রই বলো কিভাবে?
বাদলের দিনে আনচান মনে ভাবছি প্রিয়তি কি চাবে?
বাদল ঝরেছে কাঁদেনিকো প্রাণ বৃষ্টিজলের ভিড়ে,
বিরহ ব্যথার মুরলী বাজেনি জীবন নদীর তীরে;
এমন কবি কি বাংলাতে আছে প্রিয়জন ছাড়া, প্রিয়তি!
বাদলের দিনে এসো যদি তুমি, বলো হে, এমন কি ক্ষতি?'
-------------------------------------------------------------
মিরপুর, ঢাকা।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৫৯
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আলী জাকের মারা গেছেন

লিখেছেন শাহ আজিজ, ২৭ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:১৪


ভোর বেলা আজ তাড়াতাড়ি উঠে গেছি , কেন জানিনা । পি সি খুলে কেউ একজন বাংলা একাডেমী ইন্টারন্যাশনাল সাইটে দুসংবাদটি দিল । পত্রিকায় আসেনি তখনো । ক্যান্সারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকার শিক্ষক, কবি, লেখক, অভিনেতা, সমাজকর্মী, উচচ-পদস্হ কর্মচারীরা চুপচাপ মরছেন!

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৭ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৫০



যাযাবর সম্প্রদায়ের গৃহকর্তা পানি খাবে; পানি আনার জন্য অর্ডার দেয়ার আগে, ছেলেমেয়ে, বা বউকে কাছে ডাকবে; যে'জন কাছে আসবে, তার হাতে একটা থাপ্পড় দেবে জোরে, বিনাকারণে এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেষ কাব্য

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৭ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৮



হতেই পারে এই রাত শেষ রাত
হতেই পারে এই দিন শেষ দিন,
হতেই পারে এই লেখা শেষ লেখা
হতেই পারে এই দেখা শেষ দেখা।

হতেই পারে এই চোখ শেষ আঁকা
হতেই পারে এই চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রায় দেড় মিলিয়ন ভিউসংখ্যার ভিডিওটিসহ আমার ইউটিউব চ্যানেলের শীর্ষ ১৫টি মিউজিক ভিডিও

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৭ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৫৩



আপনারা অনেকেই জানেন, আমি ব্লগিং করার পাশাপাশি ভ্লগিংও (ইউটিউবিং) করে থাকি, ফেইসবুকিং-এর কথা তো বলাই বাহুল্য। আজ এ পোস্ট ফাইনাল করতে যেয়ে দেখলাম, ইউটিউবে আমার অ্যাকাউন্ট ওপেন করার তারিখ... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বপ্ন সেতু পদ্মা-- ফটোব্লগ

লিখেছেন সাদা মনের মানুষ, ২৭ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:২৪


স্বপ্ন সেতু পদ্মা নির্মিত হচ্ছে অনেক দিন হল। এই নির্মান যজ্ঞ দেখার জন্য বেশ কিছু দিন যাবৎ যাই যাই করেও যাওয়া হচ্ছিল না। অবশেষে শিকে ছিড়ল কয়েক দিন আগে। পদ্মা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×