
আমি আমার ছাত্র/ছাত্রীদের প্রায়ই বলে থাকি যে একজন A স্টুডেন্ট আর একজন B স্টুডেন্টের মেইন তফাত হল একজনের কনফিডেন্সের লেভেল। কনফিডেন্ট স্টুডেন্ট কারো হেল্পের আশায় বসে থাকে না... ইন্টারনেটের যুগে, সকল হেল্প সে নিজেই বের করে আনতে পারে.....
তেমনি এখন দেখা যাচ্ছে সরকার পরিচালনায় ও দরকার ইস্পাত কঠিন কনফিডেন্স। আমেরিকা, বৃটেন, সৌদি আরব আমাকে বলবে এটা করো ওটা করো না, আমি ও যদি জি হুজুর জি হুজুর বলতে থাকি, আমার নিজের কোন অগ্রগতি হবে না.....
যেখানে বিশ্বব্যাংকের মত ব্যাংকের চোখের উপর চোখ রেখে যখন এই সরকার বলে যে তোমার টাকার দরকার নাই, এক লাইনের যায়গায় দুই লাইনের পদ্মা সেতু বানাবো নিজের টাকায়, তখনই বুঝা যায় কতটুকু কনফিডেন্স থাকলে বিশ্বব্যাংকের মত ব্যাংককে না বলা যায়।
আমেরিকার রাস্ট্রদূত আগে আমাদের প্রধানমন্ত্রীদের ডাকলে নিজে গিয়ে দেখা করে আসতেন আর আমরা দেখলাম মজিনা সাহেব কোন ভাবেই এই সরকারের প্রধানের সাথে দেখা করতে পারলেন না... নিশ্চয়ই কোন কারন ছিল। জার্মানীর নেক্সট রাস্ট্রদূত বাংলাদেশ নিয়ে বেফাস কথা বলেছিলেন এখানে আসার পোস্ট পাওয়ার আগে... এখন উনার ডোসিয়ার আর বাংলাদেশ এক্সেপ্ট করছে না বিধায় উনার না আসা নিশ্চিত... ফাসি দিয়েন না বলে বান কি মুন/ কেরীর টেলিফোন, মুখের উপর না, পাকি রাস্ট্রদূত, ই ইয়ু রাস্ট্রদূত দের বিভিন্ন বার পররাস্ট্র মন্ত্রানালয়ে ডেকে পাঠানো হয়েছে ,
এত নার পরেও বিশ্বের বিভিন্ন সংগঠনে বাংলাদেশ নির্বাচিত হচ্ছে
পক্ষান্তরে বিনপি কে দেখি কুটনৈতিক পাড়ার দিকে তাকিয়ে থাকতে, আর সাড়া না পাওয়া গেলে সই জাল করে বিবৃতি, টেলিফোন না করলেও সংবাদ সন্মেলন করে গলা উচিয়ে বলা, বৃটিশ এমপি ইমেইল না করলে ও তার নাম ভাংগিয়ে প্রচার (আজকের আমাদের দেশে বিনপি সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমানের কলাম), ইত্যাদি দেখলে বুঝা যায় যে কার কোথায় কনফিডেন্স।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


