
এই যে মশাই চিনতে পেরছেন,নামতা পড়াতেন বেশ
তিনি আমাদের মিশন স্কুলের নমিতা মিস্ট্রেস।
বিয়েথা করেনি ছিলেন চিরকুমারী
সবাই বলতেন
তিনি ছিলেন ঈশ্বরের পূজারী।
গীর্জায় একদিন যেতেন সপ্তাহে রবিবার
এক ঘরে
একাই থাকতেন ছিল না তার পরিবার।
বাবা ছিল তার অ্যাংলো ইন্ডিয়ান
তিনি কিন্তু
ষোলআনা ছিলেন বাঙ্গালীয়ান।
পড়শীরা বলে তিনি ছিলেন ব্যার্থ প্রেমিকা
ফাদার বলে তিনি ছিলেন ঈশ্বরের সেবিকা।
হঠাৎ এক রবিবারে তিনি গেলেন না গীর্জায়
সবাই অবাক!
ব্যাপার কি কানাঘুষা চলে পাড়ায়, মহল্লায়।
ঘটনা কি?
জানতে পুরোহিত উপাসক পড়শীরা উৎসুক
তেমন কিছু না করেছিল তার অসুখ।
এমন কথা শুনতে পেয়ে ফাদার পড়লেন ভাবনায়
এমন জনের সেবা না করলেে সেটা হবে মহাঅন্যায়।
সেই হতে ফাদার সেবা করতেন মিস্ট্রেস নমিতার
সেবা করতে গিয়ে
ফাদার বুঝলেন তিনি মানুষ, নন অবতার।
এমনি করে যখন কেটে গেল দুটো মাস
ফাদার দেখলেন নমিতার চোখে তার সর্বনাশ।
ফাদার বললেন
"এ যে করিতেছি পাপ তা কি তুমি বোঝ"
নমিতা বলে
"প্রভু গীর্জায় নয় মানুষের মাঝে ইশ্বর খোঁজ"।
রবিবার রাত্রিতে তারা যখন করলেন ইলোপ
পরদিন সকালে উপাসনাকারীরা করলেন বিলোপ।
কেউ অভিশাপ দিলেন ইশ্বর এদের কর সর্বনাশ
অন্যেরা বললেন অভিশাপ দিতে হবে না
ইশ্বর নিজ হাতেই এদের করবে বিনাশ।
বেলায় বেলায় দুটো বছর কেমনে যে কেটে গেল
সবাই একদিন এই গল্প ভুলে নতুন একটা চমক পেল।
দুই বছর পড়ে তারা যখন নিয়ে এলো এক দেব শিশু
সবাই তখন বললেন "এই হবে আগামী দিনের যিশু"!
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



