প্রতিদিনই দেখা হয় তোমার সাথে।
কুয়াশা ঘেরা সকালে রসের ভাড়ে ঝুকে থাকা খেজুর গাছের তলায়,
- কাঁটা মেলা পথে।
গ্রামের পাঠশালাতে, মুখরিত বারান্দাতে- উদাস চেয়ারে বসে।
দেখা তো হয়।
অনেক ছন্দ ঘুরে ফিরে ভেসে যায়,
ছায়া বিথী তলে, চন্দ্রে, জোয়ারে-
কেউ ধরতে পারিনা,
অলস হয়ে পরে থাকি ঘরে, গলিতে, মর্গে।
ছন্দবন্ধ হয় না অগণিত প্রয়োজনীয় কথা।
আরেকটি অর্থহীন কাব্য হয়ত জন্মে প্রতিবছর,
গল্পের মাধ্যম হয়ে যায় দুর্বোধ।
পরিচিত গুণীরা হারিয়ে যান, সেই অচেনা জগতে
নতুনেরা ভাবে - সে অনেক আগের কথা।
বছর ঘুরে কালো শীত আসে, মৃত্যুকে নিয়ে, গর্ব নিয়ে
সাদা শিউলীর মৌ ভেজা গন্ধ মনে হয় অর্থহীনা,
শাপলার মুখে খুজে পাই- পানি সাপের হাসি।
তবু সান্তনা - ফুলতো ফোটে।
যেটি কেউ আশা করেনি।
আমরা সেটিই পেয়ে যাই প্রতিদিন,
অনেকটা অবধারিত ভাবে।
কত আশা মরে যায়-
ধানের মাঠে, ফ্যাক্টরীতে, গবেষনায়, সদরঘাটে।
সুস্থ মানুষ কাজ হারিয়ে হয়ে যায় বেকার ও অসহায়,
অথচ সেও একদিন ভেবেছিল পরিবর্তন আসবে।
খোকা বড় হবে- দুঃখ ঘোঁচাবে।
অথচ সেই খোকাও একদিন হাড়িয়ে যায় ঘরে, গলিতে, মর্গে।
পঞ্চাশ বছর তোমাকে দেখেছি
গড়েছি, কস্ট দিয়েছি।
তবুও ভুলিনী।
বার বার ফিরে এসেছি যন্ত্রনা পেতে, দুঃখ দিতে।
তবুও এসেছি নিজের অধিকার নিয়ে, ভালবেসে।
বার বার ফিরে এসেছি বেঁচে থাকার আশায়
সুখী হওয়ার বাসনায়,
নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য।
সে আশায় মন বাধেঁ বাসা।
তাসের বাসা নয়,
তোমার আমার রঙ্গীন ভালবাসা।
----------------
---------------
এটি একটি অর্থহীন কবিতা। অনেকটা আমার জীবনের মতই অর্থহীন ও অসফল। কাজেই একে গুরুত্ব দিয়ে পড়ার কোন কারন দেখি না। ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




