রবার্ট গোল্ড শ, বোস্টনের ধনী পরিবারের ছেলে মাত্র ২৩ বছর বয়সে আমেরিকান সিভিল ওয়ারে যোগ দেয়। নিগ্রো সৈন্যদের নিয়ে একটি রেজিমেন্ট গঠনের দায়িত্ব পড়ে তাঁর উপর। যুদ্ধের জন্য সৈন্য সংগ্রহ ও তাঁদের প্রশিক্ষনের নানা ঘটনাবলী নিয়মিত সে তাঁর মাকে চিঠি লিখে জানাতো। তাঁর পাঠানো সেই ব্যক্তিগত চিঠিগুলোর ওপর ভিত্তি করেই মুভিটি তৈরি হয়েছে। এছাড়া আমেরিকান সিভিল ওয়ারের ওপর লিখিত কিছু উপন্যাসের সাহায্য নেয়া হয়েছে। লিংকন কার্স্টেনের গ্রন্থ থেকে চিত্রনাট্য তৈরি করেন কেভিন জ্যারে, আর পরিচালনা করেন এডওয়ার্ড জ্বিক, যার কাছ থেকে পেয়েছি “দ্যা লাস্ট সামুরাই”, “লাভ অ্যান্ড আদার ড্রাগস”, “ডেফিয়েন্স”-এর মতো মুভি।
১৮৬২ সালের আমেরিকান সিভিল ওয়ারে নিগ্রোদের প্রতি নির্যাতন, অবহেলা, ব্যবহার ও অবদানের প্রেক্ষাপটে নির্মিত মুভিটিতে অসাধারণভাবে তৎকালীন নিগ্রোদের প্রতি সাদা চামড়াদের অবহেলা, নাক সিটকানো ও নিচু মনোভাব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। বর্ণবাদের জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত এবং তা দূরীকরণের অনন্য উদাহরণ এই মুভিটি। মুভিতে প্রাচীন অস্ত্রের পাশাপাশি আধুনিক অস্ত্রের মিশ্রণে যুদ্ধের নির্মমতা ও ভয়াবহতাকে অত্যন্ত সুনিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
তিনটি ক্যাটাগরিতে অস্কার ও অন্যান্য ১৪ টি পুরস্কারপ্রাপ্ত মুভিটিতে অসাধারণ অভিনয় করেছেন ম্যাথু ব্রডেরিক, ডেঞ্জেল ওয়াশিংটন ও কিংবদন্তী মরগান ফ্রীম্যান। মুভিতে অসামান্য অভিনয়ের জন্য ডেঞ্জেল ওয়াশিংটন অস্কার জয় করেন।
আপনারা চাইলে মুভিটি বাংলা সাবটাইটেল দিয়েও উপভোগ করতে পারেন। যা আপনার মুভি উপভোগে যোগ করবে ভিন্ন মাত্রা। বাচনভঙ্গি অনুসরণ করে কোথাও কোথাও ভাবানুবাদ করা হয়েছে।
=> subscene dot com থেকে বাংলা সাবটাইটেল নামিয়ে নিন।
=> বাংলা সাবটাইটেল সহ কিছু দৃশ্যের স্ক্রিনশটঃ








সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



