বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় দু'টি আসর হলো- ক্রিকেট এবং ফুটবল। দু'টো খেলাই বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয়। তবে আমরা ঘরের খেয়ে পরকে নিয়ে নাচানাচি করতে খুব ওস্তাদ। যেমন ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হলে আমাদের দেশের প্রতিটি স্থানে তথা পথে-ঘাটে, বাসা-বাড়ি কিংবা অফিস-আদালতের ছাদে দেখা যায় বিভিন্ন দেশের পতাকা উড়ছে। কেউ ব্রাজিলকে নিয়ে ব্যাস্ত, কেউ ইতালি, কেউ আর্জেন্টিনা, কেউ যদু মধু.......। অথচ ফুটবলে আমরা যাদের নিয়ে ব্যাস্ত থাকি। যাদের জন্য আমরা লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে পতাকা উড়িয়ে বিজয় উৎসব পালন করি, তারা বাংলাদেশকে আদোও চিনে কিনা সন্দেহ আছে। কিন্তু হায়! যে ক্রিকেট বিশ্বকাপ পুরো বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে চিনিয়ে যাচ্ছে, তাকে নিয়ে আমরা ততটা ভাবিনা। সাকিব, তামিম, রাজ্জাক, আশরাফুল নামের যে সব সোনার ছেলেরা বাংলাদেশের জন্য বিশ্ব ক্রিকেটে খেলে যাচ্ছে তাদের জন্য আমরা অন্তত একটা পতাকা উড়াতে পারি না। এবার এর সাথে আরোও একটি মাত্রা যোগ হয়েছে যে, বাংলাদেশ এবারই প্রথমাবেরর মত বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আয়োজক দেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিত হতে যাচ্ছে। আমি যে এলাকাতে থাকি সে এলাকাতে এখনো অনেক ছাদে ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ দেশের পতাকা দেখতে পাই। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো এবারের বিশ্বকাপ ক্রিকেটকে নিয়ে এখানে নিই কোন আয়োজন। গতবারের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে আমি চট্টগ্রামে অবস্থান করছিলাম। সেখানেও আমি একই অবস্থা দেখেছি। পুরো চট্টগ্রামের কোথাও ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে একটি বাংলাদেশের পতাকা উড়তে দেখিনি। অনেকে হয়তো ভাবছেন আমি ফুটবলকে ছোট করে দেখছি। আসলে ঠিক তা নয়। দু'টো খেলাতেই খেলুড়ে দেশগুলোকে অনেক যোগ্যতার শিঁড়ি মাড়িয়ে আসতে হয়। বাংলাদেশ সেক্ষেত্রে ক্রিকেটের তুলনায় ফুটবলে এখনোও অনেক পিছিয়ে। সাত সাগর তের নদী পার হয়ে হয়তো একদিন আমরা ফুটবল বিশ্বকাপেও পৌঁছাতে পারবো! আমার প্রশ্ন কিংবা দুঃখ যাই বলি না কেন, সেটা হলো- যে খেলায় আমরা পিছিয়ে আছি তার জন্য যদি আমরা লক্ষ লক্ষ টাকার পতাকা উড়াতে পারি তবে যে খেলায় আমরা এগিয়ে আছি তার জন্য কেন অন্তত একটি ছোট্ট লাল সবুজের পতাকা উড়াতে পারবো না? এই কী তবে আমাদের দেশ প্রেম???
আলোচিত ব্লগ
কবিতাঃ পাখির জগত

টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।
টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।
বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন
মোহভঙ্গ!

পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন
একাত্তর বাঙালির অভিজ্ঞতা এবং গর্জিয়াস প্রকাশনা উৎসব

পহেলা মে বিকেলে একটি আমন্ত্রণ ছিল। অনুষ্ঠানটি ছিল বই প্রকাশনার। এই আয়োজনটি শুরু হয়েছিল বলা যায় এক বছর আগে। যখন একটি লেখা দেওয়ার আমন্ত্রণ এসেছিল। লেখাটি ছিল বিদেশের জীবনযাপনের... ...বাকিটুকু পড়ুন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

কথা হচ্ছিলো একজন আর্ট সমঝদার মানুষের সাথে। তিনি আক্ষেপ করে বলছিলেন, জীবিতবস্থায় আমাদের দেশে আর্টিস্টদের দাম দেওয়া হয় না। আমাদের দেশের নামকরা অনেক চিত্র শিল্পী ছিলেন, যারা জীবিতবস্থায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
মানুষ মারা যাবার পর আবার পৃথিবীতে আসবে?

আমার মনে হয়, আমরা শেষ জামানায় পৌছে গেছি।
পুরো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে খুব শ্রীঘই। চারিদিকে অনাচার হচ্ছে। মানুষের শরম লজ্জা নাই হয়ে গেছে। পতিতারা সামনে এসে, সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।