।
কিন্তু আমরা যারা এশীয়ান তাদের আমার রৌদ্র প্রীতি কম। আমাগো দ্যাশে তো ফ্রি-তেই সারা বছর রৌদ্র পাওয়া যায়। আর এ্যরা সানক্রিম মাইখ্যা খালি গায়ে শুইয়া থাকে আর কতক্ষন পর পর দ্যাখে গায়ে রং তামাইট্যা হইছে নাকি, বিচিত্র আল্ল্লাহর সৃষ্টি!!! আমাদের দেশে কইন্যার গায়ে রং যত ধলা বিয়ার বাজারে তার দাম তত বেশি আর এরা ধলা থেইক্যা কালা করতে চান।
আমার অবস্থা তো কিছুদিন খুব খারাপ গ্যাছে। রাইতে ঘুমাইতে পারি না, যেই গরম। ঘাঁইম্যা গতর কাদা কাদা। এইদিকে এই দেশে তো কোন বাসাতেই ফ্যান নাই, নিজে থেকেই কিনতে হয়। আজ কিনি, কাল কিনি করে কেনাই হয় না। একদিন !@!6188 গিয়া দেখি কোন প্রজাতিরই ফ্যান ওদের স্টকে নাই, বুঝেন তাই কি গরমটাই না পড়ছে? হইতে পারে আমাদের দেশে গরম এইখান চেয়ে বেশি পড়ে but আমাদের ওইটাই প্রতিকারের জন্য ফ্যান, পাখা থাকে আর এই খানে থাকে ঘর গরম রাখার রেডিয়েটর। বাধ্য হয়ে ফ্রিজে পানি রেখেছিলাম ঠান্ডা হওয়ার জন্য। একদিন Oxford Street এ গেছি খানিক শপিং করতে, চরম পিপাসা লাগছে। সাথের পানিটাও শেষ। দেখি কয়েকটা লোক ঠান্ডা পানির বোতল বেচতাছে চামে 1 পাউন্ড কইর্যা নিত্যাছে, অথচ ওই বোতলের দাম 50 পেনস। কি আর করা পাউন্ড দিয়া কিননাই পিপাসা নিবারন করলাম।
এবং অবশেষে ....
সামার শেষের ঘন্টা বাজা বোধ হয় শুরু হয়েছে। গত দুই একদিন ধরে তাপমাত্রা কিছুটা পড়তি দিকে।
ছবিটা GB wjsK থেকে মেরে দেওয়া হয়েছে। পারলে মামলা করেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



