কথারা আর বেঁচে থাকে না,কাগজের প্লেন সারাটা মঠ জুড়ে, কাছে গেই জেন সার হয়ে উঠবে চিঠি বা সবুজ ঘাস। বেথোভেনের খসড়া কাগজের মত সব দুরন্ত খরগোশ বলে গেল ইনক্লাব জিন্দাবাদ, অবান্তর, কতবার।তাই দাঁড়িয়ে আছে তোমাদের ষ্ট্যাচুগুলি, মেঘেদের পাহারায়, পরিচয়হীন। হায় লেনিন, হায় স্ট্যালিন।উঁহু না সোনা একা বোকা থাকব না, সবাই বর্গক্ষেত্র।
সাদাপাতায় এখন খেলা করে লোনা জল হাওয়া, পাহার থেকে পাথর কুড়াই, সাগর থেকে হাওয়া, আমি বুকের ভেতর জমা ও খরচের হিসাব সব সোনার কেল্লা হয়ে গেলেই মুছি দিই, আটের সাথে ঘাটের বাঁধন সে তো অলীক মন্ত্রে পাওয়া। সাদা জখন নীল হয় তখন তোমার হুস থাকে না, আমি জানি, রামের বোতোলে ভরা চন্দ্রবিন্দুর গান শুনি, তারাদের অভিমান বোঝেনা আমায়, শুধু আমার গোপন কথা কেঁদে কেঁদে কয়, তুমি তো জানো না ওগো, আমার গানের বাণী আহত পাখির মত লুটায়ে আছে, যেন সার সার ফোল্ডি ংখাট ও তারপরে হাসপাতাল গন্ধ।
শিস।
ঢেঁকির আওয়াজে ঘুম ভাঙে শর্ষে ক্ষেতের ভেতর। চারপাশে অবাক কিছু পায়রা, অস্ফুটে তুমি বলে ওঠো।যদি বলো কবি, ভালো করে ভাজো ভৈরবী, যদি ডাকো সোনা, কোনো গুন্ডামি করবো না, কলার ধরে হ্যাঁচকা টান মারলে, সেই চলন্ত রেলগাড়ি, যদি বলো প্লেন, উড়ে যাবো স্পেন। তুমি ঠোঁটে নিয়ো খড়কুটো, কাগজের প্লেনে লাগে স্রেফ গুতো।ট্রেনের সাথে পাল্লা না দিতে পারলে প্ল্যাটফর্ম, হাতের তালু আর ঠোঁটে কালসিটে পড়লে, আড়ালেতে ডেকে নিত, মাথার ভেতরে কিলবিল আর কিলবিল, কেবল ট্রেনের আসা যাওয়া।
মিষ্টি জন্তু, অন্ধ জানালা, আমি ধুলো মুঠি সোনা, এ রুমালে, তুমি খেলছ অবান্তর রাতের পর রাত, উঁহু না সোনা , একা বোকা থাকব না। ড্যানিয়েল উত্চায় গিয়ে দাড়ালে এখন সবাই, মুর্দাবাদ, অবিচল কণিষ্কের মত আরবগ্গাঅ ঘুড়ি, আর রাস্তাঘাট আলোর মহারাজ, আর মনের মধ্যে বাতিল যুদ্ধসাজ। সাদা সাদা গিনিপিগ্দুলিকে নিয়ে আলগা রোদ্দুর হালকা হাঁতছি, তার তখন কত, চারপাশে চারটে উত্তর, সারসার বোতলের ওপরে টোকিও, মার্কিন আর বুদাপেস্ট, অন্ধ জানালা, অন্য ছন্দে, শোনো আনমনা, ও হে দিন গোনা, মেঝেতে কেবল কাতাকুটির ছক, আর মনের মধ্যে বাতিল সোলার সাজ, উঁহু না সোনা একা বোকা থাকব না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


