সার সার বিড়ালের চোখ ছুটে যায় ঐ বহুদূরে।
হাতের তালুতে পেন্ডুলামগুচ্ছ হাত টেনে টেনে নিয়ে যায় এদিক সেদিক।
পা ভারী হয়ে আসে। চাপ চাপ রক্ত।
নি:শ্বাসে জাহাজের ভোঁ, এই ছুটে গেল গলফ বলটি।
মুখের ভেতর শিশি বোতল , চুরমার।
ব্লেডেরা এখন বিস্কুট হয়ে আমার পকেট জুড়ে।
ওড়না আর নদীর তফাত না বোঝা চল্লিশ ওয়াট।
দুলছে। এক আকাশ তারা।
হাতের তালুজোড়া নীল রঙ, নদীতে ধরতেই লাল হয়ে যায়, জমে গেলে সবুজ পাহাড়।
সব গুড়ো করে নিলে, পাহাড়টিও হবে প্রয়তম জলপাই।
অন্ধকার , জলপাইসম।
সার সার রিক্সার মত বাড়ি, হাওয়ায় দো লে, এক্স রে প্লেটের মত, দুলুক তার দাড়ি। আসলে সাহস কমে এলে আছে বিড়ালের ল্যাজ।
আর বাংলা ভাষা।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


