গাড়ি চলে গেল। আহা।
শিলাজিত। ভাল লাগছে এখন আরো বেশি। যাদিক খুশি যেতে পারি। তাই স্টিম রেল ও ছাগলের ডাক।
এ গান আগে শুনিই নি।
না এত ছুটির ঘন্টা।
বেশ।
আমায় আজ মেঘ দিল, ছাড়া ছাড়া শব্দ, যেন এক ফলের বাগান।
বাসের মাথায় চেপে চলেছি। উল্লাস, আম পাতা জোড়া জোড়া, মারইে চাবুক ছুটবে ঘোড়া....।
বাজলো রে...
পাখির ডাকে টের পাই আকাশ, অবকাশ রাত।
জোনাকি আকাশ হল, রাতের আকাশ হল।কিন্তু যে সেটা তারা হয়ে যাবে কে তা জানতো?
তালি শব্দ, আর টাটাসুমো ছুটে চলা ফাঁকা রাস্তা।
ঘুরে বেড়াই শিলু দা , আমি তোমার গানের সাথে ঘুরে বেড়াই আজকাল।
রেখেছি আদর করে, ফিরে গিয়ে পড়াব তোমাকে।
ে
একা।
ঘড়ি। শিত। রাত।
বুকে আমার... বারুদের বাসা সজনী।
স্পাইনাল কর্ড দিন রাত্রের সলতে।
ঝালাপালা প্রাণ।
ঝর্ণা, নামে কাখানো, কখানো ধুলি ঝড়।
রিঙ ব্যাক টোন।
কাখোনো যেন সারিগাান, তুলো পেঁজা, ছাদপেটানো, হরতাল, ট্রাফিক জ্যাম।
আর ওয়েসিস আমার সিনেমা।
তোমার ওয়েব সাইট ঘিরে পিঁপড়ে। আর ফিসফিস।
পরিনত, আর সেই ঝাকড়া চুল।
ধূসর।
সেই পুরোনো সিনেমা।
কোমল গান্ধার।
বন্ধ তোরঙ্গের গন্ধ।
তেজপাতা থেকে বদলে যাওয়া ইউক্যালিপ্টাস,
বিষ, পায়ের তলায় তবু ষব কিছু চলে... রবিবার দুটোর পর মেট্রোরেল।
গান নয়।
আমি আজ শব্দ শুনি, গন্ধে কানামাছি খেলি...এ রঙ সে রঙ...
গ্লো সাইন...।
ব্ল্যাকবোর্ড...
ডাষ্টার গন্ধ।
এই বাগবাজার...
হরিদ্্বার, মাছ আটার গল্প।
কিছু সবুজ পাই, শ্যাওলা কিছু জলপাই।
কাঁচ ভাঙে, গেট খোলে, কুকুর ডাকে।
আমি ফিরে যাই।
আমি ফিরে তাকাই।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


