আমরা যদি না জাগি মা...
eyj‡Mwiqvi গ্যাব্রোভোর বাসীন্দাদের কিপটেমি নিয়ে নানান রকম মশকরা চালু আছে পৃথিবীময়। যেমন ওরা নাকি ম্যাচের একটা কাঠিকে দুই ভাগ করে নেয়। যাতে করে একটা কাঠি দিয়ে দুইবার আগুন জ্বালানো যায়। শুনে ঠোট ওল্টাচ্ছেন- ‘এহ ব্যাটারা কেমন চিপ্পুস, একটা ম্যাচের কাঠি, কয় পয়সাই বা তার দাম? তাও নাকি দুই ভাগ করে ব্যাবহার করতে হয়!’ অথচ একবার নিজেদের দিকে তাকান। দেখতে পাবেন ওরা আমাদের চেয়ে হাজার গুনে ভালো। ভাবছেন কি করে? এটা বুঝতে হলে আপনাকে সামান্য কষ্ট করে ঢুকতে হবে আপনার রান্নাঘরটায়। দেখুন চুলায় কিচ্ছু চাপানো নেই, তবু্ও জ্বলছে চুলাটা। আপনি ভাবছেন, ওহ! এই ব্যাপার? এর আর এমন কি? মাথাটা একটু খাটান, টের পাবেন ওটাই একটা বিরাট ব্যাপার। কি করে? শুনুন তবে।
তিতাসের হিসেব মতন প্রতিবছর সারাদেশে দরকার হয় প্রায় ১৪০০মিলিয়ন MMCFD গ্যাস। সেখানে পাওয়া যায় মাত্র ১০০০ মিলিয়ন MMCFD গ্যাস। ঘাটতি থাকে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। এর মধ্যে শুধুমাত্র ঢাকাতেই ঘাটতি থাকে ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। চাহিদার বিপরীতে এই ঘাটতি তো রয়েছেই। সেই সাথে আছে আমাদের অপচয়ের বাতিক। এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে ২০১৫ সালের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে গ্যাসের উৎস। আর তখন সারা দেশে নেমে আসবে অচল অবস্থা। নতুন কোন গ্যাসের উৎস খুজে না পাওয়া পর্যন্ত গ্যাসের নিত্যসংকটই হবে আমার, আপনার, আমাদের সবার সঙ্গী। এমন কি নতুন উৎস খুজে পেলেও সংকট লেগেই থাকবে, যদি না আমরা আমাদের এই অপচয়ে বাতিক না বদলাই। আপনি ভাবছেন আপনার বাড়ির কোন কোনায় একটা মোটে চুলা, সেটা সারাদিন জ্বললেই বা কি আসে যায়।
বিষয়টা বোঝাতে সেই পুরোনো কলসি আর পানি বিষয়ক উদাহরনটাই টেনে আনি। ধরাযাক একটা কলসিতে দশজন লোকের জন্য দশ গ্লাস পানি রাখা আছে। এখন পাঁচজনকে সুযোগ দেয়া হল পানি খাওয়ার। সেই পাঁচজন একগ্লাস করে পানি খেল, আর এক গ্লাস করে ঢেলে ফেলে দিল। তাহলে শেষ পর্যন্ত ঘটলো কি? বাকি পাঁচজন আর পানি খেতে পারলো না, আগের পাঁচজনের অপচয়ের কারনে। গ্যাসের বিষয়টাও ঠিক সেরকম। আপনি যদি গ্যাস ব্যাবহারের সুযোগ পেয়ে তার অপচয় করেন তাহলেও ঐ একই ঘটনা ঘটবে। অর্থাৎ আপনার বাড়িতে রান্না হবে ঠিকই, কিন্তু আপনার পড়শির ঘরে আর চুলো জ্বলবেনা।
আমাদের এই শহরে গ্যাসের অপচয় হয় নানান অসিলায়, নানান উপায়ে। প্রথমত বলি আমাদের বাড়িওয়ালাদের ফাকি বাজির কথা। খুঁজলে পরে এরকম অসংখ্য বাড়ি পাওয়া যাবে যেখানে একটি চুলোর অনুমতি নিয়ে চালানো হচ্ছে দুটি চুলো। কেননা যেখানে গ্যাসের বিল দিতে হয় মিটারের বদলে চুলোর হিসেবে(প্রতিচুলা ২০০ টাকা), সেখানে যে সুযোগসন্ধানীরা একটার জায়গায় দুটো চুলো বসিয়ে নেবে এটাই ¯^vfvweK| এসব ক্ষেত্রে দেখার কেউ নেই, অভিযোগ করারও কাউকে পাওয়া যায় না। হেশেলের এই দূর্নিতি শেষ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকছে জাতীয় পর্যায়ে। কেননা গ্যাস সরবরাহ করতে হচ্ছে যে পরিমান, টাকা কিন্তু সে পরিমান আসছে না। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ সরকার, ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে দেশ।
এরপর আসা যাক দ্বিতীয় পর্যায়ের অপচয়ে। বাঙালী নাকি মাগনা পেলে আলকাতরাও সাদা লুঙ্গিতে করে নিয়ে নেয়। এর খানিকটা হলেও দেখতে পাবেন আমাদের রান্নাঘর গুলোয়। যেখানে মাত্র একটা ম্যাচের কাঠি বাঁচানোর জন্য রান্নাঘরের কর্তৃরা দিনরাত চুলো জ্বালিয়ে রাখে। শিক্ষিত গৃহিনী আর অশিক্ষিত কাজের বুয়ারা কেউ এই পাল্লায় কারো চেয়ে পিছিয়ে পড়বে না। সেই সাথে সামান্য আলসেমী করে ছাদের বদলে রান্না ঘরে চুলা জ্বেলে কাপড় নাড়ার ঘটনাতো হরহামেশাই ঘটছে। তারচেয়েও বড় কথা এ ঘটনা গুলো অহরহ ঘটে আমাদের চোখের সামনেই।
এভাবে আমরা প্রতিনিয়ত গ্যাসের অপচয় করে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারছি। অথচ এসব দেখার যেন কেউ নেই। না থাকুক। আমরা কি তাই বলে এমন করতেই থাকবো? কারো বাড়িতে ঢুকে আমরা কি টুক করে কোন একটা জিনিস পকেটে পুরে ফেলি এই ভেবে যে কেউ তো দেখছে না! তাহলে জাতীয় সম্পদ গ্যাসের ক্ষেত্রেই বা কেন এমন হবে? আমাদের সম্পদ আমাদেরই রক্ষা করতে হবে। আমরা যদি না জাগি...তাহলে সকাল হবে কেমন করে মা?
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।