প্রতিহিংসা দিয়ে একটি রাষ্ট চলতে পারে না, রাষ্টের উন্নয়নের পেছনে কাজ করে ন্যায়পরায়নতা ও দেশের স্থিতিশীলতা, নৈরাজ্য আন্তঅহংকার শুধু আমাদের ঠেলে দিবে ধ্বংসের মুখে, দেশের তিনটি শক্তিশালী দল আছে, তাদের একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা প্রয়োজন 40 বৎসর আগের ঘটনা জাগ্রত করে দেশের কোন লাভ নেই, বরং নৈরাজ্যতাই বৃদ্ধি পেতে থাকবে এবং কুফল হিসাবে পাকিস্তানের মত অস্থিতিশীল রাষ্টহিসাবে পরিনত হবে, আমাদের এখনও সময় আছে, এসব নাটকীয় দুরদর্শিতাহীন বিচার থেকে সরকাকে অবশ্যই বিরত থাকা প্রয়োজন, এ যুদ্ধ কখনও কারো উপকার বয়ে আনবে না। সমস্ত দেশের মানুষ এর পত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ক্ষতির সম্মূখীন হচ্ছে এবং হবে। দ্রব্যমুল্যে নাভিশ্বাস, অরাজকতা, সাম্প্রাদায়ীক সম্প্রীতি বিনষ্ট, দলীয় কন্দোল, এসব জনসাধারনের প্রভুত অকল্যান বয়ে আনছে যা সরকারের বিপক্ষে কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য করে এবং পরম্পরায় সরকারও কঠোর অবস্থান নিলে গৃহযু্দ্ধ অবধারিত। শত শত মানুষ মারা যাচ্ছে যাবে। এহেন পরিস্তিতে সরকার সহ সব দলের আলোচনা বৈঠক একান্ত কাম্য, ইসলামকে ভয় পাবার কিছু নেই যেখানে ইসলাম আছে তার প্রয়োগ আছে সেখানে নেই কোন অশান্তির চায়া দৃষ্টান্ত- মালয়শিয়া, ইরান, ইউএই, সৌদি। ইসলাম এবং তার অনুসারীদের উচিত ইসলামের বিধিনিষেধ কঠোর ভাবে মানা, না-আস্থিক বামপন্থিদের প্ররোচনায় দেশের নীতি নির্দারন করে কোন ভাল ফল বয়ে আনবেনা এরা বিদেশী মদদে এদেশের রাজনীতির সাথে মিশে মানুষের মাঝে দেশ প্রেম নামক মুখোশ পরিধান করে সমাজে রাষ্ট্রে বিবেধ সৃষ্টি করে উন্মাদনা তৈরি করে পরাশক্তিদের সহায়তা করে যাচ্ছে। আমরা শান্তিপ্রিয় জাতী আমরা কঠোর পরিশ্রমীও উন্নতি আমাদের হাতের নাগালে সুধু দরকার সুযোগ আর এই সুযোগ দিতে পারে সরকার, কিন্তু স্বাধীনতার 41 বৎসর অতিক্রান্ত হয়েছে, সরকার গুলো একের পর এক সাগর দুনীর্তি এবং রাহাজানি, নৈরাজ্যতা সৃষ্টি করে বারংবার দেশকে পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। যে গর্ত তারা আজ খুড়ছে আজ না হয় কাল তারা নিজেরাও পড়বে সে গর্তে আমরা দেখেছি যখন খালেদা বিরোধিদের শায়েস্তা করার জন্য র্যাব গঠন করে পরবর্তীতে তিনিও তার দল সেটার ভূক্তভোগী হন, মিড়িয়া ব্যবহার করে কখনও সত্যকে বহুদিন আগলে রাখা যাবেন সেটা প্রচার পাবে, যেমন প্রচার পেয়েছে ইরাকের রাসায়নিক বোমার গল্প, এবং ওয়াল্ড ট্রেড সেন্টারের ধ্বংসের সাজানো কাহীনি, আমাদের দেশের মানুষ এখনও সংবাদের জন্য টিভি নির্ভর তাই সরকার নিরলস ভাবে এসব মিডিয়া ব্যবহার করে যেভাবে তার নিষ্পাপতার এক কলঙ্কিক অধ্যায় প্রচার করে বেড়াচ্ছেন তা এক কথায় জঘন্য কাজ, আমাদের অধিকাংশ MANGO PEOPLE তা গলদ করেছেন , তবে তা আউট হতেও বেগ পেতে হবেনা। দমন নিপিড়ন দিয়ে তত্তাবধায়ক যেমন থাকতে পারেনি তেমনি এ সরকারও থাকার নয়। অবশেষে বলতে চাই প্রত্যেক ক্রিয়ারই বীপরীত ও সমান প্রতিক্রিয়া আছে তাই সাবধান।
প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বীপরিত প্রতিক্রিয়া থাকে
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
তেহরানের ছায়া কি এখন ঢাকা সেনানিবাসে ?

সোমবার সকালে জলসিঁড়িতে একটা অনুষ্ঠান হলো। ফিতা কাটা, ফুলের তোড়া, বক্তৃতা, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, স্বাভাবিক একটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা যা থাকে সবই ছিল। সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান নিজে হাজির, পাশে... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাতিঘর (Lighthouse)

বাতিঘর (Lighthouse)
বাতিঘর নিয়ে সেই ছোট্টবেলা থেকেই আমার অনেক কৌতুহল ছিল। কেন ঐ বয়সেই বাতিঘর নিয়ে আমার এতটা আগ্রহ ছিল, তার কারণ আজও খুঁজে পাই না। অথচ আমি নিজ... ...বাকিটুকু পড়ুন
"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"

"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"
"৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে। শেখ হাসিনার প্রয়োজন ছিল বিশ্রাম। আওয়ামী লীগের দরকার ছিল শুদ্ধিকরণ। অন্যান্য দলগুলোরও... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে বিষয়ে মজিবর ও হাসিনা এক বিন্দুও ভুল করেনি!

বাংলাদেশের ইতিহাসে মজিবরের শেষ শাসন কাল ও হাসিনার শেষ শাসন কাল দুটি ভিন্ন সময়ে হলেও গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত মিল বহন করে। নির্বাচনী বৈধতার নিরিখে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের সংগে ২০১৪, ২০১৮... ...বাকিটুকু পড়ুন
জুলাই যোদ্ধা!

এই লোকটির নাম আল আমিন। সে বিশেষ একটি দলের হয়ে জুলাই মঞ্চে জ্বালাময়ী বক্তব্য দেয় মাঝেমধ্যে। এর সম্পর্কে গুরুতর একটি অভিযোগ উঠেছে, সে নাকি ৫ আগস্ট দিবাগত রাতে ময়মনসিংহের দাপুনিয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।