জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী আর নেই, ৮৮ বছর বয়সে চলে গেলেন না ফেরার দেশে।আজ সকাল থেকেই দেখছি সামু তে নানা রকম প্রতিক্রিয়া। দূর্ভ্যাগ্যজনক হল কিছু কিছু প্রতিক্রিয়ার ভাষা এতই আপত্তিকর ও লজ্জাজনক যে সেগুলো সম্পর্কে কোন মন্তব্য করা ও হ্য়তো তাদের কেই গুরুত্ত্ব দেয়া। কিন্তু তারপরো মনে হলো কিছু একটা বলা উচিত।
অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর যারা ছাত্র তারা জানেন ব্যাক্তিগত জীবনে কতটা মহান মানুষ ছিলেন তিনি।শুধু তাই নয় তার মত শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন লোক এই দেশে খুবই বিরল।ছাত্র জীবনে তার কৃতিত্বে যারা নখের যোগ্য নয় তারা যদি কবীর চৌধুরীর সমালোচনা করেন তাদের জন্য করুনা হয়।
তবে সুখের কথা হল অসংখ্য গুণগ্রাহি কবীর চৌধুরীর আছে যারা তঁার আদর্শ কে শ্রদ্ধা করেন।টরন্টো কানাডা থেকে আকতার হোসেন লিখেছেন "তাঁর মত লোকেরা এসেছিলেন বলে আমরা নির্বাক হবার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছি। যারা নিজেদের কথা বলেন তারা অন্যের কোন উপকারে আসে না। আর যারা অন্যের কথা বলেন, অন্যের জন্য বলেন- তাঁরাই হন ধন্য ধন্য। অধ্যাপক কবীর চৌধুরী সেই ধন্য ধন্যদের দলে। এমন একজন বাঙালি চলে গেলে স্বভাবতই দুঃখ পাবার কথা কিন্তু এতোদিন সাথে ছিলেন তাও কম কি। যদি সেই ১৯৭১ তিনিও চলে যেতেন তবে কি আমদের আরো বেশি ক্ষতি হতো না।"
আসলেই কবীর চৌধুরীরা প্রতিদিন জম্মান না। তারা ক্ষণজম্মা।
নুরুল আবসার নামের একজন পাঠকের মত বলতে চাই ""কোনো খারাপ মন্তব্য আশা করিনা . কেননা আমাদের দেশে জ্ঞানী চিনিবার মত লোকের বড়ই অভাব . আর সাম্প্রদায়িক লোকের দাপট তো আমরা নিজেই দেখিতেছি..........।"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


