যদি হঠাত করে মেঘ বৃষ্টি বাড়িয়ে দেয়, আর এই আন্দোলনের ছন্দপতন হয় ।তাহলে যেমনি জামাতের ফায়দা,ঠিক তেমনি আওয়ামলিগের ও ফায়দা ।কারন এই দুইটাই এখন চাপের মধ্যে আছে আন্দোলন নিয়ে ।আন্দোলন কারিদের এখনই এটা নিয়ে ভাবা দরকার,, সময় এবং পরিধী,ধরন কেমন করলে ভাল হয় । যদি প্রকৃতি বেকে বসে তবে এই জনতার ঢল থাকবেনা ,তখন এইটা নিয়ে আর মাতামাতি ও হবেনা, আর হলে ও কম হবে । এখানে অনেকে আবেগি হয়ে বলবে এইটা কিছু না ঝড় তুফান বৃষ্টি ঐসব কিছুনা আমরা মাঠে থাকবো ।কিন্তু ১-২ দিন ভেজার পর অনেকে থাকতে চাইলে ও থাকে থাকতে হবে পিজি,বারডেম,কিংবা কোন ক্লিনিকে ।আমাদের সবার ধারনা আছে মৌসুমের প্রথম মেঘ গুলো কেমন অসূখী হয় ।আন্দোলনে সহমত জানানো অনেক এজেন্টই চাইতেছে শেষ পর্যন্ত আন্দোলন টা তামাশা হয়ে যাক । তার চেয়ে ঐক্যবদ্য হয়ে প্লান মত চললে ,এবং আওয়ামীদের প্রেসক্রিপসনে পাত্তা না দিলে ভাল রেজাল্ট অবশ্যই আসবে । আর যদি মনে করে আওয়ামীলিগ রাগ করবে, আর তারা রাগ করলে আন্দোলন হবে না ।তাদের ভয় পেয়ে কাজ করাটা ঠিক হবেনা ।আর এই আন্দোলন তাদের দয়ায় শুরু হয়নি ।এটা তাদের আপোষের বিরুদ্বে শুরু হয়েছে ।
এই আন্দোলন কে যৌক্তিক পরিণতি তে নিতে হবে ।এভাবে অগোছালো হলে হয়তো কিছুদিন চলবে কিন্তু বেশি দিন চলবেনা ।
সাধারন যেমনি জামাত বিএনপি কে চায়না,,ঠিক তেমনি আওয়ামীদের বিশ্বাস করেনা,,ঘৃনা করে ।এরা সবাই এক রকম । বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকি বলেছেন,জামাত বিএনপি তে যেমন রাজাকার আছে ঠিক তেমনি আওয়ামীলিগে ও অনেক রাজাকার আছে,তিনি কিছু নাম বলেছেন যেমন..মখা আলমগীর,মোশার্রফ হোসেন,আশিক রহমান প্রমূখ। এছাড়া সাবেক পাঠ মন্ত্রী ফয়জুল হক,ধর্ম মন্ত্রী নুর মওলানা সহ প্রায় ২১ জনের ১টা তালিকা ইন্টারনেটে দেখা যাচ্ছে । সে তুলনায় জামাতে যদি ৫-৭ জন এবং বিএনপি তে ২-৩ জন রাজাকার থাকে ।তবে বাংলাদেশের ১ নম্বর রাজাকারের দল আওমীলিগ কে বলা যায় । তাছাড়া বঙ্গবীর বলেছেন মখা আলনগীরের মত বড় রাজাকার রা এদেশে অনেক কেই রাজকার বানিয়েছে ।সে হিসাবে সে রাজাকারের বাপ ।
তরুন প্রজন্ম কে বলছি এই আসল রাজাকার দের বিচার দাবি করতে হবে, এদের নামে ও স্লোগান দিতে হবে । ভয় কে জয় করতে হবে ।রাজাকারদের কোন দল নেই , ওরা পাক বাহীনির ধোসর ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

