তেইশ দিনের অবরোধ হরতালে আটত্রিশ জন সাধারন মানুষের জীবন গেছে। এই আটত্রিশ জনের মধ্যে উনিশ জন পেট্রোল বোমা বা গান পাউডারের শীকার হয়ে আগুনে পুড়ে মরেছে। অবরোধের নামে যে সস্ত্রাস চলছে সেখানে বিএনপির কোন নেতা কর্মিকে মাঠে দেখা যায়নি।
এই এতোগুলো সৃত্যুর মাঝেও মরহুম কোকোর "স্বাভাবিক মৃত্যু"টা জনজীবনে একটু হলেও সস্তি বয়ে আনতে পেরেছে বলে আমার মনে হয়। শিল পাটারা সাধারনত স্বভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি নিয়েই পৃথিবীতে জন্মগ্রহন করে।
বেগম জিয়া বা শেখ হাসিনা কি এই সাধারন মানুষগুলির মৃত্যুর অযাচিত কারণগুলি চিহ্নিত করে সেগুলি দুরিভুত করার কোন কৌশল গ্রহন করে জাতীকে আরো ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসবেন না। না বরাবরের মত আল্লাহ তালার ইচ্ছায় এগুলি চলতেই থাকবে। গাছের একটি পাতার নরাচরাও তার ইচ্ছার বাইরে ঘটে না।
সামনে ভাষার মাস, বাংলা নববর্ষ, বার মাসের তের পার্বনের দেশ বাংলাদেশ কি সত্যি সত্যিই পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তানের দিকে হাটছে। তাই যদি হয়, আমরাও প্রস্তুত বাঙ্গালীর সর্বময় সার্বোভৌম জীবন দিয়ে রক্ষা করব। বাংলাদেশী গরু বা ছাগল গুলিকে আর কোন ছাড় দেব না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





