দেশে ব্যাপুক ছাত্র আন্দুলন শুরু হইয়াছে। আন্দুলন ছাড়া তাহাদের উপায় নাই। আন্দুলনের বিষয় বস্তু ভ্যাট। দেশে শিক্ষার যা হাল শহীদ জিয়া করিয়া গিয়াছিলেন তাহা হইতে পরিত্রানের উপায় কি তাহা না ভাবিয়া ভ্যাট লইয়া সবাই মশগুল। আন্দুলন আন্দুলন খেলায় একটি থ্রিল আছে। আন্দুলনে নিজেকে সম্পৃক্ত করিতে পারিলে নিজেকে বেশ রাজা রাজা বোধ হয়। কোন দেশের না হোক আপাতত রাস্তার বাজা হইবার মতো অবস্থা তো সৃষ্টি হয়। ইহাই বা কম কিসে। একটি দেশের জন্য প্রয়োজন একটি একমুখি শিক্ষা ব্যাবস্থার যাহা আর এই দেশে লাঘু করা সম্ভব নয়। শহীদ জিয়ার কল্যাণে ধর্মকর্মও বিক্রি হইতেছে। শিক্ষা তো শিক্ষা, এমন একটি পেশা নেই যেখানে দালাল নেই। দালালকে অতিক্রম করিয়াই তবে ইস্পিত লক্ষে পৌছানো সম্ভব হয় তার আগে নয়। আর্দশ, সেবা সব মায়ের ভোগে পাঠিয়ে তিনিও ঠাই নিয়েছিলেন চটের বস্তায়। দুইদিন পর বস্তাবন্দি মাটি আনিয়া সংসদভবনের পবিত্রতা নষ্ট করিয়া সেখানে তাহাকে সমাহিত করা হয়। সরকার বার বার বলিতেছে ভ্যাট দেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের লেখাপড়ার উপর কোন ভ্যাট বসানো হয় নাই। জঘন্য ও বিজ্ঞ ছাত্ররা বুঝিয়া গিয়াছে বেতন বাড়িয়া তাহা তাহাদের কাধেই চাপিবে। কথাটা মিথ্যা নয়। এটাই নিয়ম এটাই এপর্যন্ত চলিয়া আসিতেছে। তারপরও সবিনয়ে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্রদের জিজ্ঞাসা করিতে ইচ্ছা করে আপনারা যে পড়ালেখা করেন এই টাকার যোগান আপনার পিতা মাতারা কোথা হইতে সংগ্রহ করেন। সরকারী চাকুরের ঘুষের টাকা বা কালোবাজারীর কালো টাকা ছাড়া কোন অবস্থাতেই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িবার সামার্থ দেশের অধিকাংশ জনগনের নাই। তাই বলছি অযথাই চোট্টা বাপের চোট্টা পোলাপান গুলির ইতরামি আর ভাল লাগিতেছে না। তুমি সেমিষ্টার পিছু পঞ্চাশ হাজার দিতে পাড়িলে পাচপান্ন হাজারও দিতে পারিবে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



