somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

খোরশেদ খোকন
আমার জন্ম টাঙ্গাইলের হামজানি গ্রামে। শৈশব, কৈশোরে দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে ছিলাম; বাবার সরকারী চাকুরীর জন্যে। কলেজ ছিল টাঙ্গাইল জেলায়। তারপর পড়াশুনা ঢাবি'র ফিন্যান্স বিভাগ। গত নয় বছর যাবত প্রাইভেট ব্যাংকে কর্মজীবন চলছে। www.facebook.com/khokonz

গল্পঃ নিশিরাতে মিসড কল

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অফিসের ডাইনিং রুমে দুপুরের লাঞ্চ করছিলেন শামীম সাহেব, এমন সময় পাশের চেয়ারে এসে বসলেন তারেক সাহেব। ভাতের ডিসটা নিজের দিকে টেনে নিয়ে প্লেটে ভাত তুলে নিতে নিতে তারেক সাহেব বললেন, শামীম ভাই সাভার থেকে নারায়ণগঞ্জ আর কতদিন আসবেন?
শামীম সাহেব বললেন, দেখুন না ভাই একটা বদলীর ব্যাবস্থাই করতে পারছি না?
তারেক সাহেব বললেন, সাভারে তো আপনার নিজের বাড়ি, আপনার স্ত্রী নিশ্চয়ই সারাদিন একাই থাকেন। রাত কয়টা সময় বাসায় পৌঁছাতে পারেন ইদানিং?
রুই মাছের পিঠ থেকে কাটা সরাতে সরাতে শামীম সাহেব বললেন, ভাই সেই ভাগ্য কি আমার আছে? এই অফিসের ম্যানেজার আর হেড অফিসের এইচআরডি ইন-চার্জ সবাই শুধু অফিসের কাজটাই বুঝে, কারো জীবন যাপন নিয়ে তাদের কোনই আগ্রহ নেই। পাঁচ বছর হয়ে যাচ্ছে, সাভার টু নারায়ণগঞ্জ যাতায়াত করছি। সবাই শুধু বলছে, এইতো আর কয়টা দিন; কিন্তু কয়টা দিন যে কবে শেষ হবে আল্লাহ ভাল জানেন?
তারেক সাহেবঃ কি করবেন ভাই, সবই কপালের লিখন। আমাদের জীবন যাদের হাতে, তারা শুধু নিজেদের সুখ-সুবিধাই ষোল-আনা বুঝে কিন্তু অন্যেরটা এক-আনাও বুঝে না। আপনার বিষয়টা চিন্তা করলে মনটা খারাপ হয়ে যায়...।
শামীম সাহেবঃ ভাই শুনলাম নতুন মোবাইল নিয়েছেন?
তারেক সাহেবঃ জি ভাই, নিলাম। আর কতদিন অফিস আর আত্মীয়-স্বজনের ফোন ব্যবহার করা যায়, তাই নিয়ে নিলাম।
শামীম সাহেবঃ একটা কল দেন না, নাম্বার টা সেইভ করে রাখি। কখন আবার দরকার লেগে যায়।
তারেক সাহেবঃ জি ভাই, কল দিচ্ছি। আপনার নাম্বার টা বলেন।
শামীম সাহেবঃ জি আমার নাম্বার হলো, ০১৭............।
তারেক সাহেবঃ ঠিক আছে, এইযে আপনার ফোনে রিং বাজছে...। যে নাম্বারটা দেখা যাচ্ছে সেটাই আমার নাম্বার।
শামীম সাহেবঃ আচ্ছা। সেইভ করে নেবো। আগে লাঞ্চটা শেষ করি।
তারেক সাহেবঃ আচ্ছা ঠিক আছে, আমি কিন্তু আপনার নাম্বার সেইভ করে ফেলেছি।
শামীম সাহেবঃ ধন্যবাদ। লাঞ্চ শেষ, আমি উঠে যাচ্ছি ভাই।
তারপর যথারীতি শামীম সাহেব খাবার টেবিল থেকে অফিসের ডেস্কে গেলেন আর ক্লায়েন্ট সামলাতে গিয়ে তারেক সাহেবের ফোন নাম্বার টা সেইভ করতে ভুলে গেলেন।
সাতটার দিকে অফিস ছুটি হলো, তারেক সাহেব শনি-আখড়া আর শামীম সাহেব সাভারের পথে রওনা হয়ে গেলেন। তারেক সাহেব রাত আট টার দিকে বাসায় পৌঁছালেও শামীম সাহেব বাসায় পৌছালেন রাত সাড়ে দশটায়।
শামীম সাহেব, বিয়ে করেছেন ছয় বছর হল, মিসেস কে নিয়ে এক বছর ঢাকায় ছিলেন। তারপর মিসেসের বড়ভাইয়ের সাথে সাভারে একখণ্ড জায়গা কিনে সেখানেই একটা দু’তলা বাড়ি করেছেন। বাড়ীটা বানাতে নিজের জমানো টাকা, আত্মীয় স্বজনের কাছে ধার, ব্যাংকের লোণ আরও কত কি যে করতে হয়েছে তার বিবরণ অনেক লম্বা। বাড়ি করার পর পাঁচ বছর যাবত মিসেস কে নিয়ে সাভারই থাকেন।
শামীম সাহেবের মিসেস দেখতে ফর্সা, সুন্দর গঠনের যাকে বলে আদর্শ বাঙ্গালী রমণী। এদিকে শামীম সাহেব দেখতে কালো আর মোটেও আকর্ষণীয় না, যাকে বলে মাঝারি মানের চেহারা। শামীম সাহেবের ধারণা তার মিসেস সুন্দরী হওয়াতে আশেপাশের বাসা আর এলাকায় যুবক ছেলেরা সুযোগ পেলেই খাতির জমাতে চায়। শামীম সাহেবের মানসিকতা তার মিসেস ভাল করেই জানে; আর তাই নিজেকে একটু আড়াল করে রাখতেই পছন্দ করেন। শামীম সাহেবকে কিছুটা পেইন দেওয়ার সুযোগ পেলে তার মিসেস পেইন দেয়। আসলে শামীম সাহেবকে পেইন দেয়ার জন্যই তার মিসেস শপিং করতে গেলে কিংবা এলাকায় কারো সাথে দেখা হলে একটু খাতির জমানো ঢং করে নরম সুরে কথা বলে। এই নরম সুরে ঢং করে কথা বলা দেখেই শামীম সাহেব মনে মনে একটু ভয়ে থাকেন; কখন জানি তার মিসেস অন্যের হাত ধরে বাড়ী থেকে বের হয়ে যায়!
যাই হোক, শামীম সাহেব সেদিন রাতে বাসায় পৌঁছানোর পর রাতের খাবার শেষে ঘুমাতে যাবেন, এমন তার মিসেস দেখে শামীম সাহেবের মোবাইলে একটা মিসড কল!?
যেহেতু শামীম সাহেব প্রতিদিন মনে মনে তার মিসেস কে সন্দেহ করেন; সেহেতু তার মিসেস তাকে নিয়ে একটা সন্দেহের খেলা শুরু করার জন্য মোবাইলের মিসড কল টা দেখে বলে, এতো রাতে তোমাকে ফোন দেয় কে? নিশ্চয়ই তোমার কলেজ লাইভের কোন মেয়ে বান্ধবী? এসব মেয়েদের খেয়ে দেয়ে কোন কাজ নেই; সুযোগ পেলেই পর পুরুষের সাথে প্রেমালাপ?
শামীম সাহেব তার ফোনে আসা মিসড কল নাম্বারে (মানে দুপুরে লাঞ্চের সময় তারেক সাহেবের ফোন করা নাম্বারে) ফোন দিলেন। একটা দুইটা রিং বাজে কেউ ধরে না...।
কেউ ফোন ধরে না দেখে, রাগের মাথায় ফোন দিলেন তার মিসেসের দিকে...। ফোন ছুড়ে দিয়ে বললেন, তুমি ফোন করে দেখো কে মিসড কল দিয়েছে?
এবার শামীম সাহেবের মিসেস ফোন দিলেন। একটা দুইটা রিং বাজে। বেজেই যাচ্ছে...।
এদিকে তারেক সাহেব রাতের এশার নামাজ পড়ছিলেন, তাই ফোন ধরলেন তারেক সাহেবের মিসেস। ফোন ধরেই বললেন, শামীম ভাই কেমন আছেন। আপনি সাভারে রাত কটায় পোঁছালেন?
মেয়েলি কণ্ঠ শুনেতো শামীম সাহেবের মিসেস একটা সুযোগ পেয়ে গেলেন। কার সাথে কথা বলছেন, তা না জেনেই বললেন, এই মেয়ে তুমি এতো রাতে আমার হাজবেণ্ডকে মিসড কল দিয়েছ কেন? আমার হাজবেণ্ড কখন সাভার এলো, কখন ঢাকা গেলো, কখন নারায়ণগঞ্জ গেলো এতে তোমার এতো আগ্রহ কেন?
তারেক সাহেবের মোবাইলে যেহেতু শামীম সাহবের নাম্বারের সাথে তার নাম আর অফিসের নাম লেখা আছে তাই তারেক সাহেবের মিসেস জেনেই ফোন ধরেছিল কিন্তু এদিকে শামীম সাহেবের মিসেস সন্দেহ করার দুষ্টামি যখন বাস্তবে রুপ নিচ্ছে তখন শামীম সাহেব কে পেইন দেয়ার জন্য পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করে মজা পাচ্ছিল। সাধারণ দুষ্ট প্রকৃতির সুন্দরী মেয়েরা এই খেলাটা ভীষণ পছন্দ করে আর ভাল ভাবেই অভিনয় করে যেতে পারে...।
শামীম সাহেবের মিসেস যেহেতু কথা না শুনেই আবোল তাবোল বলে যাচ্ছেন, এবার তারেক সাহেবের মিসেসও রেগে যান আর ফোন রেখে দেন।
নামাজ শেষ হলে, তারেক সাহেব বলেন, কি ব্যাপার কার সাথে ফোনে কথা বললে। তারেক সাহেবের মিসেস রেগে গিয়ে বলেন, তোমার মোবাইলে শামীম (অফিস কলিগ) নামে যে নাম্বার আছে সেই নাম্বার থেকেই ফোন এসেছিল, ভাবলাম তোমার কলিগ ফোন দিয়েছে। ফোন ধরে দেখি এক বিশ্রি স্বভাবের মেয়ে ফোন দিয়েছে। আমার কোন কথা, না শুনেই আবোল তাবোল বলা শুরু করেছিল। আমি রাগ করে ফোন রেখে দিয়েছি।
এবার তারেক সাহেব, তার মিসেসের মুখের দিকে তাকিয়ে ফোনটা হাতে নিলেন। নিয়ে দেখেন শামীম সাহেব ফোন দিয়েছিলেন।
তিনি ভেবে পেলেন না, এতো রাতে কেন শামীম সাহেব ফোন দিবেন? সাভার যাবার রাস্তায় কোন সমস্যা হয়নি তো? শামীম সাহেবের মিসেস কি বিশেষ কিছু বলতে চাইছিলেন, যেটা তার মিসেস বুঝতে পারেনি? সে সাত পাঁচ না ভেবে শামীম সাহেব কে ফোন দিলেন।
এদিকে শামীম সাহেবের মিসেস তো শামীম সাহেব কে পেয়ে বসেছেন। বললেন, তুমি আমাকে সন্দেহ করো? তুমি আমাকে আমার কাজিন আর আত্মীয়-স্বজনের সাথেও কথা বলতে দাও না, এদিকে নিজে একটা মেয়ের সাথে রাত বিরাতে ফোনে কথা বল? আমি কথা বললে মহাভারত অশুদ্ধ; আর তুমি বললে সাত খুন মাফ?
তোমার মতো এতো নিচু মন-মানসিকতার লোকের সাথে যে আমার বিয়েটা ঠিক করেছিলো, তাকে হাতের কাছে পেলে সবজি কাঁটার ছুরিটা আজ তার চোখে ঢুকিয়ে দিতাম, যাতে বাকী জীবন কোন সুন্দরী মেয়েকে চোখে দেখতে না পারে আর বিয়ে দিয়ে সর্বনাশও করতে না পারে।
তারেক সাহেব ফোন দিচ্ছেন, একটার পর একটা রিং বাজছে। কেঁউ ফোন ধরে না...।
শামীম সাহেব দেখলেন, সেই মিসড কল দেয়া নাম্বার থেকে ফোন এসেছে। বউয়ের কথায় এমনিতেই মেজাজ গরম তার উপর রাত বাজে ১১.০০ টা। আগামীকাল সারে ৫.০০ টায় ঘুম থেকে উঠে অফিসের জন্য রওনা হতে হবে। শরীরের রাগ আর ক্লান্তি মুখে নিয়ে ফোন ধরলেন।
...হ্যালো।
তারেক সাহেবঃ ভাই আমি তারেক। শামীম ভাই আপনি এতো রাতে কেন ফোন দিয়েছিলেন?
শামীম সাহেবঃ রাখ তোর তারেক। তোর ফোন থেকে আমার ফোনে রাত বিরাতে কোন মেয়েছেলে ফোন দিয়েছে? কেন দিয়েছে? সেটা আগে বল?
তারেক সাহেবঃ ভাই, আপনিতো আজ দুপুরে আপনার নাম্বার টা দিয়েছেন। আমাকে চিনতে পারছেন না?
শামীম সাহেবঃ আমি তোকে কেন চিনবো? তুই আমাকে চিনে রাখ, যদি তোর ফোন থেকে আমার ফোনে কোন ফোন/মিসড কল আসে আল্লাহর কসম আমি তোকে কেটে দুইভাগ করে বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দেবো। এতে আমার জেল ফাঁসি যা হবার হবে।
তারেক সাহেব কিছুই বুঝাতে পারলেন না!? আর শামীম সাহেব ঠাণ্ডা মাথায় ভেবে দেখলেন না ফোনটা কার ছিল? যথারীতি ঝগড়া বেঁধে যাওয়ার মতো অবস্থায় ফোনটা কেটে দিলেন তারেক সাহেব।
সেই রাতে তারেক সাহেব তার মিসেস কে বোঝাতে পারলেন না, কেন শামীম সাহেব এমন করছেন!
অন্যদিকে, শামীম সাহেব নিজের মিসেসের কাছে কিভাবে নিজের চরিত্রটাকে আরও পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করা যায়; সেটা ভাবতে ভাবতে ঘুমাতে গেলেন...।
--------------------------
© খোরশেদ খোকন । ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:১৬
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মতামত পোস্ট: বাহাদুর পাকিদের আসল চেহারা (রিপোস্ট)

লিখেছেন অর্ক, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩



‘খুব ভালো জঙ্গ চলছে। একের পর এক নাপাক হিন্দু সেনা হালাক (মৃত্যু) হচ্ছে। রাজাকার আলবদরদের নিয়ে পাকিস্তানের বীর সেনা যুদ্ধ জয়ের দ্বারপ্রান্তে। দুয়েক দিনের মধ্যেই হিন্দুস্থান হাঁটু গেড়ে বসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অধরা বালিকা

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৮




লোভনিয়া তুমি এক অধরা বালিকা
ঘুমগুলো কেড়ে নাও ধুম করে তুমি
অথচ আমার জন্য তুমি মরুভূমি
পর ঘরে মহারানি হয়ে থাক চাই।
পরের হৃদয় রাজ্যে থাকবে মালিকা
তেমনটা আশাকরি। তাতেই যে আমি
অনেক প্রশান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যেখানে খোদা নেই; সেই ঠিকানার সন্ধানে( একটি দীর্ঘ সুফি দার্শনিক আত্মজিজ্ঞাসা)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা “শরাব পিনে দে”
হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।

সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৮ বছর পর ঋণের খোঁজে সন্তান বনাম হাজার কোটি টাকার খেলাপি: আমাদের ব্যাংকিং ও শেয়ারবাজারের ট্র্যাজেডি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৯

সংবাদের পাতার দুটি বিপরীতমুখী ছবি সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের চরম এক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।

একদিকে আমরা দেখি, ২৮ বছর আগে বাবার নেওয়া মাত্র ১০ হাজার টাকার দাদন... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই ধরণের মানুষগুলোই বি,এন,পি-কে আবারও ডোবাবে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০১



পড়ালেখার পিছনে টাকা খরচ করা 'টাকা পাচার'?
যারা বিদেশে পড়ালেখা করতে যান, তাঁরা কি দেশের টাকা লুট করে নিয়ে যান, নাকি নিজের বাপের টাকায় পড়ালেখা করেন?

পড়ালেখার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×