প্রেমিকা কথন প্রথম খন্ড
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৫:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
জীবনে প্রথম কবে প্রেমে পড়েছিলাম জানিনা। তবে প্রথম কোন বালিকাকে দেখে হৃদয় দুর্বল হয়েছিল সিক্সে পড়ার সময়। বলতে পারিনি তাকে

। সেই বালিকা সপ্তম শ্রেনীতে তার পিতৃমহোদয়ের বদলির কারণে চলে গেল...আর পেছনে ফেলে গেল আমাকে.........অষ্টম শ্রেণী কেটে গেল কোন রকম প্রেমিকা বাদেই। না কথাটা বলা ভুল হল কারণ তখন প্রেমিকা ছিল ভার্চুয়াল জগতে। না যা ভাবছেন তা নয় । সে হল ফেসবুক আদর করে ডাকতাম মুখবই। এভাবেই কেটে গেল একটি বছর । তার পরের বছর আবার প্রেমে পড়লাম। না এবার ভার্চুয়াল নয়। সে রক্ত মাংসের মানবী ছিল এবং পড়েছিলাম আক্ষরিক অর্থেই। ধপাস করে ল্যাং খেয়ে। খিল খিল হাসি শুনে তাকিয়ে দেখি ক্লাসে এক নতুন চরিত্র। এক অপরূপ রূপবতী ললনা। আমি আবারো টের পেলাম বুকের ভেতর কোথায় যেন মোচড় খেয়েছি। চিনচিন করে ব্যাথা করছে সেথায়। এ যেন এক সুখের ব্যাথা। বুঝতে পারলাম আমি আবারো ক্রাশ খেয়েছি। এবার আর হাল ছাড়লামনা। মেয়েটির নামধাম তার পছন্দ অপছন্দ সব জেনে আদাজল খেয়ে লাগলাম। কিন্তু হায় এবার আগমন ঘটল খলনায়কের। তারা সংখ্যায় একাধিক। হাল ছাড়লামনা চেষ্টা চালিয়ে যেতে লাগলাম। নায়িকা দয়া করে তার সংক্ষিপ্ত বন্ধু তালিকাতে স্থান দিল এই অভাগাকে। এগিয়ে এল প্রথম সাময়িক পরিক্ষা। প্রত্যহ পরিক্ষার পরে গল্প করতাম আমরা। কিন্তু হায় অভাগা যেদিকে চায় সাগর শুকায়ে যায়।হোস্টেল ছু্টির দিন আমার বড় ভাই আর ভাবী এল। এবং হাতেনাতে ধরা পড়লাম তাদের হাতে। কুমিল্লা হতে কুষ্টিয়া পুরো রাস্তা তাদের বাক্যবাণে জর্জরিত করার পরে বুঝলাম যে নাহ তারা আমার দলে। তাদের বুদ্ধি পরামর্শ নিয়ে এগিয়ে চলতে লাগলাম। কিন্তু হায় সেও চলে গেল। এবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়নি। ঠিক যেন সিটিসেলের পালাবে কোথায় বিজ্ঞাপনের মত। এভাবেই চলল বছর খানেক। অতঃপর সেও আমাকে ছ্যাকা দিয়ে জড়িয়ে পড়ল আরেক সম্পর্কে। তার চলে যাওয়ার ছমাসের মাথায় আমিও জড়িয়ে পড়লাম আরেকটি সম্পর্কে। এই সম্পর্ক চলাকালীন সময়ে আমার জীবনে এল আরেকজন। কুমিল্লাতেই পরিচয়। সে তখন থেকে আমার খুব ভালো বন্ধু । তার নাম নীলা। আমার প্রতিটি সুখ দুঃখ সব তার সাথে শেয়ার করতাম।
মাধ্যমিক পরিক্ষার পর ঢাকাতে ভর্তি হলাম। এখানে আসার আগে পুর্বের প্রেমিকার সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করলাম। না এখানে ছ্যাকার আদানপ্রদান নয় দুজনের সম্মতিতেই। নতুন সম্পর্কও হল এখানে। কিন্তু নীলা রয়ে গেল তার স্থানেই। দিনের শেষে প্রতিটি কথা তাকে বলতাম।পরবর্তীতে ঢাকার প্রেমিকার সাথেও সম্পর্কচ্ছেদ হল। তবে এখানে ছ্যাকাপ্রদানকারী আমি আর ও ছিল গ্রহীতা।কেন হল তা না হয় নাই বললাম। নীলা এ সময় আমার পাশে ছিল। তবে বিচ্ছেদের কারণ ও ছিলোনা এটুকু বলতে পারি। তবে তখন বুঝতে পারি আসলে নীলাই আমার প্রকৃত প্রেমিকা। তখন থেকেই আমরা একসাথেই রয়েছি। আশা করি ভবিষ্যতেও থাকব। সবাই দোয়া করবেন আমার আর নীলার জন্য
আর প্রেমিকা কথনের এটি প্রথম খন্ড। পরে আরো লিখব
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭
...বাকিটুকু পড়ুন
গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস...
...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....
“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী...
...বাকিটুকু পড়ুন
গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে আমি কয়েকটা জিনিস বুঝতে পারলাম।
প্রথমত,...
...বাকিটুকু পড়ুন