প্রেমিকা কথনের আগের খন্ডে অনেকের কথা বাদ পড়ে গেছে। এটি মূলত তাদের ও আগের খন্ডের সেইসব নাম না জানা প্রেমিকাদের জন্য। প্রথমেই বলতে হয় ওইশির কথা। ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত আমার সাথে পড়েছিল। বাবা জনতা ব্যাঙ্কে চাকরি করত। আসলে হয়তোবা ওই ছিলো আমার প্রথম ক্রাশ । কিন্তু ঠিক জানিনা। প্রথম নিশ্চিত হওয়া ক্রাশ ছিল নাজিবা বার চৌধুরি । বাবা আর্মি অফিসার। কয়েকদিনের ভেতর আবার ক্রাশ খাইলাম এইবার মাইশা নাহিন আখন্দ । বাবা লেঃ কর্নেল ছিল যতদুর মনে পড়ে। আর মাইশার মা আমাদের সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষিকা ।
আমি বেচারা তখন মাইনকার চিপাতে ফাইসা গেছি। আমার দুই ক্রাশ তারা আবার বেস্টি। আমি না পারি কাউরে কিছু কইতে না পারি সইতে। এর ভিতরে খবর পেলাম আমাদের এক ফ্রেন্ড তাসফীর পুরান ক্রাশ নাজিবা। কি আর করা বন্ধুর মুখচেয়ে বললাম ও তোরই থাক। কিন্তু আমার ভিতরে কি চলছিল সেটা কেবল আমি আর আমার রুমমেট বাদে কেউ জানে না। এভাবেই কেটে গেল ক্লাস সিক্স ও সেভেন । নাজিবা চলে গেল সেভেনের শুরুতে আর মাইশা শেষে। পড়ে রইলাম আমি খালি।
অষ্টম শ্রেনীতে এক মুখবই বাদে আমার অন্য আরেকটি প্রেমিকা ছিল। কাজীদার তৈরী চরিত্র অনীতা গিলবার্ট। সেও কালকে জানালো আমি নাকি তার কথা লিখতে ভুলে গিয়েছিলাম। এভাবেই কেটে গেল অষ্টম শ্রেনী।
নবম শ্রেনীতে যে বালিকার খিল খিল হাসিতে মজেছিলাম তার নাম আফরোজা আক্তার নিপা। এর আগে সৌদি আরবে থাকত। আমাদের স্কুলে সে মাত্র মাসখানেক ছিল। কিন্তু তার সাথে আমার যোগাযোগ এখনো অটুট।
আজ এতোটুকু বাকিটা পরে লিখব

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





