somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শীতকালে গরমের ওয়াজ

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি গিছিলাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তখন ছিল প্রচন্ড গরম।
যাবার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে ৩টাকা দিয়ে এক ফালি তরমুজ কিনে খাইছিলাম। তো ফেরার পথে আবার তরমুজ খাইতে মন চাইল। যেখানে ফালি করে কেটে কেটে তরমুজ বিক্রি করছিল তার পাশেই দুইটা ছেলে আস্ত তরমুজ বিক্রি করছিল। আমি তাদেরকে একটা একদম ছোট সাইজ এর তরমুজের দাম জিগ্যাসা করলাম। বলল ২০ টাকা, আমি বললাম ১০ টাকা। যাইহোক শেষ পর্যন্ত আমি তরমুজটা ১২ টাকা দিয়ে কিনলাম। কিনেই আমি তরমুজটা কেটে দিতে বললাম, ওরা তরমুজ কেটে দিল আর আমি তরমুজ খেতে শুরু করলাম। আমি ওদের দুইজনকেও তরমুজ খেতে বললাম ওরা দুইজনও দুই পিস তরমুজ খেতে লাগল। এদিকে কাটা তরমুজের ফালি দেখে একজন পিস কত জানতে চাইল। ওরা বলল যে কেটে বিক্রি হয় না। আরো দুইজন পিস এর দাম জিজ্ঞাসা করায় আমি বললাম আপনারা কেটে বিক্রি করেন না কেন। ওরা বলল ঝামেলা হয়। আমি বললাম কিন্তু এইভাবে ফাকা বসে না থেকে পিস করে বিক্রি করাইত অনেক লাভ। ওদের ভিতর একজন বলল, আপনারটা বিক্রি করে দেব, আমিত সেইটাই চাচ্ছিলাম। তাই বললাম দেন। তখন আরেকজন এসে দাম জিজ্ঞাসা করল। ওই ছেলেটা বলল ৩ টাকা। আমাদের সাইজগুলো পাশে যে কেটে কেটে বিক্রি করছিল তার চেয়ে ছোট ছিল।
লোকটা বলল দুই টাকায় দেবেন। ছেলেটা আমার দিকে তাকাতেই আমি বললাম দিয়ে দেন। মূহুর্তের মধ্যেই আমাদের সব তরমুজ বিক্রি হয়ে গেল। ততক্ষনে আমিও তিন চার পিছ আর ঐ ছেলেদুটো ২ পিছ খাইছে। আর আমি তরমুজ কেনার আগে পাশে একজনের কাছ থেকে সরবত কিনে খাইছিলাম, সেও টাকার বদলে এক পিছ তরমুজ চাইল। যাই হোক এতগুলো খাবার পরও শেষ পর্যন্ত আমরা ৭ টা পিছ বিক্রি করছিলাম। কাছেই তরমুজের দোকানদারের কাছ থেকেই আমিই দুই টাকা পেলাম। তাদেরকেও দুই পিছ খাওয়ালাম আর ফ্রি সরবত খেলাম। পরে ঐ দোকানদার তার ছোট ভাইকে বলে তাড়াতাড়ি একটা প্লেট নিয়ে আয়, এখনই কেটে কেটে বিক্রি করা শুরু করব।
আর আমি সেদিন সারা রাস্তা হাসতে হাসতে রুমে ফিরছিলাম।
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×