
এক.
জল ঝরে নিঃশেষ-আকাশের কান্না,
জোছনারা নিঃস্ব-পূর্ণিমা আসে না।
মগজটা তুলে রাখি,আলমারি লকারে,
জীবনের রূপ খুঁজি-কান্নার প্রকারে।
চিৎকার দিয়ে কাঁদে-মজলুম রমণী,
রক্তে আগুন লাগে,পুড়ায় সে ধমনী।
বিলাপের সুরে কাঁদে-আমাদের অহনা,
প্লাবনেরা ঢেউ তুলে-অতলের আঙিনা!!
গড়িয়ে বিলাপ সুর,স্বামীহারা আমেনা,
করুন ধারায় শুরু-মেঘেদের কান্না।
ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদে,মা হারা জরিনা,
সেটা নীল বারিধারা-হৃদয়ের কান্না।
গ্লিসারিং মেখে কাঁদে-আমাদের সখিনা,
জনতায় বলে তাকে,রাজনীতি কান্না।
সতীনে সতীনে কাঁদে,ঝগড়ায় বিবাদে,
দুধের শিশুরা কাঁদে-দিনরাত অবাধে।
দুই.
বেদনার কান্নায়,চারপাশ ছুঁয়ে যায়,
হৃদয়ের কলিজাটা,কেঁপে উঠে চমকায়।
আহাজারি কান্নায়,বাণী তাল-লয়,
কাঁদা নয় হৃদয়ের-গল্পেরা কথা কয়।
অভাগার কান্নায়,ভরে নদী মাঠঘাঁট,
হৃদয়ের বন্যায়,ভাসে-তার পথঘাঁট।
শতরূপ কান্নায়,এ বাঁচার কুলেতে-
জীবনের কোলজুড়ে, বেদনার সলতে।
বিদ্রুপ কান্নায়,ঢং থাকে-সুর না,
তাকালেই দেখামিলে খুব কাছে দূর না!
চামচার কান্না-সুর থাকে ধার-না,
স্বার্থেই শেষতার,কাজ শেষে আর না!
প্রাপ্তির কান্নারা-তৃপ্তির ভোরেতে,
জিকিরের তারস্বর,ঢেউতোলা সুরেতে।
বৃষ্টির শেষবেলা-রঙধনু খেয়ালে,
সূর্যের দেখামেলা,আকাশের দেয়ালে।
জীবনের ঘানিটানা কান্নার-হাসিতে,
এরমাঝে শেষদেখা -মরনের বাঁশীতে।
জন্মের যাত্রা-কান্নায় শুরুতে,
বিদায়েও সে থাকে-সকলের মুখেতে!!
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



