
নদীপাড়ে একটি পরীর বাস ছিল
নদীর মতোই পরী মেয়ের ঢেউছিল
সকাল দুপুর,একলা-এপথ,হাঁটছিল...
নিত্য চলায়,তাকিয়ে সবাই দেখছিল
মেঘ ছিলোনা,শরীরজুড়ে-রোদ ছিল।
রঙটা গায়ের-তারার মতো জ্বলছিল
চোখের পাতায় বলগা হরিণ ছুটছিল
নাকটা যেন,হিমালয়ের চূড় ছিল
একজোড়া তার,জোছনাবাঁকা-চাঁদ ছিল
চুলের নীলে-ঠেউয়ের সাগর ভাসছিল
গালের পেটে,মায়ার অতল টোলছিল
হাসির আলোয়,গোলাপ-বকুল,ফুঁটছিল
শরীরতো নয়,রঙধনু রঙ ঝরছিল
কথার সুরে,চম্পা বকুল হাসছিল
দিনের আলো,স্বপ্নলোকেও বাস ছিল
রোদের তাপে টকটকে লাল ভাসছিল
গঙ্গা-ফড়িং,ফুড়ুৎ ফুরুত উড়ছিল।।
একটা রাতে আকাশ ঢাকা মেঘছিল
মাতাল ঝড়ে গ্রামটা তখন কাঁপছিল
রাত দুপুরে ভোরের কোলে ফিরছিল
সেই ভোরেতে,নদীর ধারে ভিড়ছিল
এগিয়ে দেখি স্বপ্ন সকল কাঁদছিল
সেই মেয়েটি নদীর জলে ভাসছিল
সবাই অবাক,দুঃখটা তার কি ছিল
নানান কথা সকল জনে বলছিল
জানতো না কেউ,সেই মেয়েটি-
কার জানি কার-বউ ছিল !!!!
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



