somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইউক্রেনের লোকগাঁথা বনবিড়াল ও বনমোরগের গল্প

১০ ই আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৬:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আশরাফ আল দীন
কোন এক বনে বাস করতো এক বনবিড়াল ও এক বনমোরগ। ওদের মধ্যে ছিল গভীর বন্ধুত্ব। দীর্ঘদিন ধরে ওরা একই বাসায় থাকতো। বিড়াল সারাদিন বনে বনে শিকার ধরে বেড়াত। আর মোরগ ঘরে রান্না-বান্না; ঝাড়-মোচ ইত্যাদি কাজ করতো।
একদিন বিড়াল বনে যাওয়ার সময় বলল, "শোন মোরগ ভাই! ইদানিং এই বনে এক শিয়ালীর উৎপাত বড্ড বেড়ে গেছে! তুমি দরোজা বন্ধ করে রেখো আর শিয়ালী এলে কোন কথার জবাব দিও না। তাহলে তুমি বাসায় নেই মনে করে সে চলে যাবে। কিন্তু তুমি যদি জবাব দাও তাহলে সে জানালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে তোমাকে খেয়ে ফেলবে! খবরদার বলছি! শিয়ালীর কোন কথার জবাব দিও না!" মোরগ বলল, "বেশ, তাই হবে।"
বিড়াল চলে যাওয়ার খানিক পরেই শিয়ালী এলো। জানালার কাছে গলা উচিয়ে সে নরম গলায় বলল :
ওরে যাদু বনের মোরগ
আমার খালার ছেলে,
দরোজাটা দাও খুলে!
মোরগটা বিড়ালের সাবধান বাণী ভুলে গিয়ে জবাব দিল :
কুক্কুরু-কুক্!
দরোজা খোলা যাবে না ভাই, বিড়াল গেছে বলে!
শিয়ালী বুঝতে পারলো ঘরের ভিতর মোরগ আছে। সে তুণি জানালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে মোরগটাকে দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে পালিয়ে গেল।
কঠিন বিপদে পড়ে মোরগ তখন গাইতে লাগলো :
হায়রে! বিড়াল ভাইটি আমার কোথায় যে সে গেল?
সুযোগ বুঝে দুষ্টু শিয়াল ঘাড় পাকড়ে খেল!
সবুজ ঘন বন পেরিয়ে বালির মাঠের পরে,
খালের বাঁয়ে ডিঙ্গিয়ে পাহাড় নিল আমায় ধরে;
ওগো বিড়াল! কোথায় তোমায় পাই?
এসে আমায় মুক্ত কর ভাই!
বিড়াল তখন আশেপাশেই ছিল। মোরগের ডাক শুনে সে ছুটে এলো। মোরগের গান শুনেই সে বুঝলো কোন পথে শিয়ালী পালাচ্ছে। সে শিয়ালীকে ধরে ফেলল এবং মোরগকে মুক্ত করে নিয়ে শিয়ালীটাকে আচ্ছামত একটি পিটুনি দিয়ে ঘরে ফিরে এলো।
বিড়াল আবারও শিকারে বের হবার আগে মোরগকে বুঝিয়ে বলল, " মোরগ ভায়া! এবার কিন্তু শিয়ালী এসে হাজার কথা বললেও তুমি কিন্তু তার কোন জবাব দিও না। তাহলে সে ধরে নেবে তুমি ঘরে নেই। তখন এমনিতে সে চলে যাবে। আর যদি সে তোমার গলা শোনে তাহলে আবার জানালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে সে তোমাকে নিয়ে পালিয়ে যাবে। এবার কিন্তু আমি অনেক দূরে চলে যাবো। তাই তুমি চিৎকার করলেও আমি শুনতে পাবো না!" মোরগ বলল, "ঠিক আছে, এবার তাই হবে।"
বিড়াল জানালার ভাঙ্গা অংশটা মেরামত করেই বনে চলে গেল। মোরগ দরোজার খিল এঁটে মেঝেতে শুয়ে পড়লো। হঠাৎ তার তন্দ্রা ছুটে গেল জানালার কাছ থেকে শিয়ালীর গলা শুনে :
খালার ছেলে মোরগ-সোনা,
দরোজাটা ভাই খোলনা!
মোরগ চুপ করে রইল!
ঘরের ভিতর মোরগ যে আছে তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য শিয়ালী এবার বুদ্ধি করে বলল, "মোরগ সোনা! তুমি কি ভয় পাচ্ছো? তখন তো তোমার সাথে আমি খানিকটা ঠাট্টা-মস্কারা করেছিলাম! এবার কিন্তু আমি তোমাকে স্পর্শও করবো না। আসলে আমি এসেছি আমার ঘরে চুলা জ্বালানোর জন্যে তোমার ঘর থেকে কিছু কয়লা নিয়ে যেতে।"
বিড়ালের সব সাবধান-বাণী ভুলে মোরগ বলে উঠলো :
কুক্কুরু-কুক্! যত কথাই বল না!
বিড়াল বলে দিয়েছে
দরোজা খোলা যাবে না!
মোরগের গলা শুনেই শিয়ালী জানালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে মোরগটাকে দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে বনের ভেতর ভোঁ দৌড় দিল!
মোরগের তো প্রাণ যায়! সে তখন ভয়ে চিৎকার করে গেয়ে উঠলো :
প্রাণের প্রিয় বিড়াল ভায়া কোথায় যে হায় গেল?
সুযোগ বুঝে দুষ্টু শিয়াল আমায় বুঝি খেল!
সবুজ ঘন বন পেরিযে বালির মাঠের পরে,
খালের বাঁয়ে ভিঙ্গিয়ে পাহাড় নিল আমার ধরে;
ওগো বিড়াল কোথায় তোমায় পাই?
এসে আমায় মুক্ত কর ভাই!
প্রথমবার মোরগের ডাক বিড়াল শুনতে পেল না। সে একটু দূরেই চলে গিয়েছিল! মোরগ আরও ভয় পেয়ে আরও জোরে চিৎকার করে গেয়ে উঠলো :
প্রাণের প্রিয় বিড়াল ভায়া কোথায় যে হায় গেল?
সুযোগ বুঝে দুষ্টু শিয়াল আমায় বুঝি খেল!
সবুজ ঘন বন পেরিয়ে বালির মাঠে পরে,
খালের বাঁয়ে ডিঙ্গিয়ে পাহাড় নিল আমার ধরে;
ওগো বিড়াল কোথায় তোমায় পাই?
এসে আমায় মুক্ত কর ভাই!
এবার বিড়াল শুনতে পেলো মোরগের ডাক এবং ভাষা থেকে বুঝে নিল কোন পথে শিয়ালী পালিয়ে যাচ্ছে। একই পথ ধরে ছুটে গিয়ে বিড়াল শিয়ালীকে ধরে ফেলল। বিড়ালকে দেখে শিয়ালী মোরগকে ছেড়ে দিয়ে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে গেল। বিড়াল মোরগকে নিয়ে ঘরে ফিরে এলো।
এবার বিড়াল ভীষণ রাগ করলো মোরগের উপর। চড়া গলায় সে বলল, "বোকা মোরগ! আবার যদি তুমি শিয়ালীর কথার জবাব দাও তাহলে এবার সে তোমাকে টুকরো টুকরো করে খাবে! আমি এবার অনেক দূরের পথে যাব। তাই তুমি ডাকলেও আমি শুনতে পাব না। খবরদার! ওর একটি কথারও জবাব দেবে না!" মোরগ তো কসম করেই বলল, "অবশ্যই আমি আর ওর কথার জবাব দেব না! সত্যি সত্যি সত্যি!"
মোরগের কথায় বিড়ালের রাগ কমে গেল। সে জানালার ভাঙ্গা অংশটা দ্রুত মেরামত করে বনে চলে গেল। আর একটু পরেই শিয়ালী এসে জানালার ধারে বসল! এবারও সে নরোম গলায় মোরগকে ডেকে বলল :
ওরে আমার খালার ছেলে!
দরোজাটা দাও খুলে।
ঘরের ভিতর থেকে মোরগের কোন জবাব না পেয়ে শিয়ালী নিশ্চিত হওয়ার জন্যে আবারও চালাকির আশ্রয় নিল। সে ধমকের সুরে বলল, " বোকামী কর না মোরগ! ভান করছ যে তুমি বাসায় নেই! কিন্তু আমি তো জানি তুমি বাসাতেই আছ। তাড়াতাড়ি দরোজা খোল!"
মোরগের মুখ দিয়ে কথা বেরিয়ে যাচ্ছিল প্রায়! তবু সে চুপ করে রইল।
শেষ চেষ্টা হিসাবে শিয়ালী আবারও ধূর্ততার সাথে বলল, "তুমি চুপ করে থাকলে ফলাফল খুব খারাপ হবে কিন্তু! আমি তাহলে জানালা ভেঙ্গে ঢুকে তোমাকে খেয়ে ফেলব! আর যদি দরোজা খুলে দাও, আমি কিছু কয়লা নিয়েই চলে যাবো। তাড়াতাড়ি খোল!"
মোরগ আর চুপ করে থাকতে পারলো না। রাগের সাথে সে বলে উঠলো :
কুক্কুরু-কুক্! দূর হয়ে যাও দূর!
দরোজা খুলতে বিড়ালের আছে নিষেধ কঠোর!
মোরগের গলা শুনেই শিয়ালী এক ঝটকায় জানালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে মোরগটাকে দাঁতে কামড়ে ধরে মুহূর্তেই বনের ভিতর উধাও হয়ে গেল! শিয়ালী ছুটছে তার বাসার দিকে আর মোরগ প্রাণের ভয়ে চিৎকার করে গাইছে :
উপকারী বন্ধু বিড়াল কোথায় যে হায় গেল?
সুযোগ বুঝে বদ-শিয়ালী ঘাড়টা ভেঙ্গে খেল!
সবুজ ঘন বন পেরিয়ে বালির মাঠে পরে,
খালের বাঁয়ে ডিঙ্গিয়ে পাহাড় নিল আমার ধরে;
ওগো বিড়াল কোথায় তোমায় পাই?
জলদি এসে মুক্ত কর ভাই!
বিড়াল ততণে অনেক দূরে চলে গেছে! তাই মোরগের ডাক সে একটুও শুনতে পেল না।
শিয়ালী ছুটেই চলেছে। এদিকে তো মোরগের প্রাণ যায়! প্রাণভয়ে মোরগ আরও একবার ডাক দিল। কিন্তু এবারও বিড়াল সেই ডাক শুনতে পেল না!!
শিয়ালীর পথ প্রায় ফুরিয়ে এল! মোরগ এবার প্রাণপণে দম ফাটিয়ে চিৎকার দিল, "বিড়াল ভায়া, আমাকে বাঁচাও!"
আল্লাহর অশেষ রহমত বলতে হবে! এবার বিড়াল শুনতে পেল মোরগের ডাক। অমনি সে ছুটল তার বন্ধুকে রার জন্য শিয়ালীকে তাড়া করতে। কিন্তু ততণে দেরি হয়ে গেছে বেশ! শিয়ালী তার ঘরে পেঁৗছে গেছে। বিড়ালের চোখের সামনেই শিয়ালী মোরগকে নিয়ে ঘরে ঢুকে দরোজার খিল এঁটে দিল!
কি আর করা! বিড়াল ভাবল,্ এটা নিতান্তই দুর্ভাগ্য যে তার বন্ধুটি নির্ঘাৎ অল্পণের মধ্যেই শিয়ালীর পেটে চলে যাবে! তবু বন্ধুকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে একটা পরিকল্পনা তার মাথায় এল।
সে বাসায় গিয়ে এমন সাজ-পোষাক নিল যে তাকে দেখে মনে হচ্ছিল একটি বিদেশী যাযাবর পাখি! যখন সন্ধ্যা ঘনিয়ে এল সে তখন হাতে একটি একতারা আর একটি সুন্দর সুঁচিকাজ করা বস্তা নিয়ে শিয়ালীর বাসায় চলে এল। জানালা দিয়ে উঁকি মেরে সে দেখতে পেল শিয়ালী রান্নার জন্য চুলা জ্বালিয়েছে আর একটা কেটলিতে পানি গরম করা হচ্ছে। শিয়ালীর পাঁচ পাঁচটা বাচ্চা পেস্নট-চামচ নিয়ে অধীর আগ্রহে অপো করছে! শিয়ালী একখানা বড় ছুরিতে শান দিচ্ছে আর মোরগটাকে পা বেঁধে মেঝেতে ফেলে রেখেছে। মৃতু্যর জন্য অপো বলা যায়!
এমন সময় বিড়াল একতারা বাজিয়ে গেয়ে উঠলো, পাখির মত চিকন স্বরে :
টু টিং টিং টাং;
এক শিয়ালের বউয়ের ছিল
এক ছেলে চার মেয়ে;
সেই কাহিনী শুনবে যদি
আমি যাব গেয়ে!
টু টিং টিং টাং।
শিয়ালীর বড় মেয়েটা শুনে বলল, "মা, আমি একটু বাইরে গিয়ে শুনে আসি বিদেশী পাখিটা এত সুন্দর করে কি কাহিনী শোনাতে চায়!"
শিয়ালী বলল, "ঠিক আছে যাও। কিন্তু শিগগীর ফিরে এস! কারণ পানিটা ফুটে উঠলেই আমরা মোরগটিকে কেটে রান্না চড়িয়ে দেব!" বড় মেয়ে বের হয়ে বারান্দায় যেতেই বনবিড়াল প্রচণ্ড একটি ঘুষি মারল তার মাথায়। শুধুমাত্র একটা "কোঁৎ" শব্দ করেই শিয়ালছানাটি বেহুশ হয়ে পড়ে গেল! অমনি বিড়াল তাকে বস্তার ভিতর ভরে বেঞ্চির নিচে রেখে দিল।
বেঞ্চিটার ওপর আরাম করে সে বিড়াল আবার সুরেলা গলায় গেয়ে উঠলো :
টু টিং টিং টাং।
এক শিয়ালের বউয়ের ছিল
এক ছেলে চার মেয়ে;
সেই কাহিনী শুনবে যদি
আমি যাব গেয়ে!
টু টিং টিং টাং।
এবার শিয়ালীর দ্বিতীয় মেয়েটাই আবদার করলো, "মা, আমারও বাইরে যেতে ইচ্ছে করছে খুব! দেখি না বিদেশী পাখিটা কি গান শোনায়! বড়'পা এতণ কি করছে তাও দেখে আসব আর তাকে সাথে নিয়ে ঘরে ফিরে আসব!" শিয়ালী বলল, "যাও। তবে দু'জনেই তাড়াতাড়ি ফিরে এস। এখনই পানি ফুটতে শুরু করবে আর তখনই আমরা মোরগটাকে জবাই করবো।"
শিয়ালছানাটা বারান্দায় বেরিয়ে আসতেই তারও মাথায় পড়লো বিড়ালের পাকানো এক ঘুষি! 'কোঁৎ' শব্দ করে সেও জ্ঞান হারাল! বিড়াল তাকেও বস্তায় ভরে বেঞ্চির নিচে জমা রাখলো। নতুন উৎসাহ নিয়ে বিড়াল আরও নরম গলায় আবার গেয়ে উঠলো :
টু টিং টিং টাং।
এক শিয়ালের বউয়ের ছিল
এক ছেলে চার মেয়ে;
সেই কাহিনী শুনবে যদি
আমি যাব গেয়ে!
টু টিং টিং টাং।
শিয়ালী এবার তার তৃতীয় মেয়েকে বলল, "যা তো মেয়ে! তোর বোন দু'টিকে ডেকে নিয়ে আয়! যাযাবর পাখি কি এমন গান গাইছে যে একদম হা' করে শুনতে হবে! গিয়ে বল এখনই মোরগটা হাঁড়িতে চড়বে!
আবার একই ঘটনা ঘটল। ' কোঁৎ' করে শব্দ হল এবং তৃতীয় শিয়াল ছানাটাও বিড়ালের বস্তায় জমা হল। আবারও যখন বিড়াল একইভাবে গান ধরলো তখন শিয়ালী রাগে গরগর করতে করতে তার ছোট মেয়েটিকে বলল, "যা তো! ওদের ডেকে আয়! বিদেশী পাখির সাথে কিসের গল্প জুড়ে দিয়েছে ওরা! তুইও আবার মশগুল হয়ে যাসনে! পানিটা ফুটতে শুরু করেছে। এখনই মোরগটা কেটে হাঁড়িতে চড়াতে হবে। শিগগির ডাক ওদের!"
ছোট শিয়াল ছানাটা ঘরের বাইরে ছুটে গেল এবং মুহূর্তেই একই কাণ্ড ঘটে গেল। ' কোঁৎ' শব্দ এবং বিড়ালের থলেতে জমা!
আরও নরোম সুরে মহানন্দে আবারও গান গেয়ে উঠলো বিড়াল! এবার শিয়ালী অনেকণ অপো করলো তার মেয়েগুলোর জন্যে। মেয়েদের ফেরার কোন লণ না দেখে অবশেষে সে তার একমাত্র ছেলেটাকে বলল, "যা তো বাছা! তোর বোনগুলোকে ঘরে ডেকে নিয়ে আয়! পানি সিদ্ধ হচ্ছে। এখনই মোরগটাকে কেটে রান্না চড়াতে হবে।"
শিয়াল ছানাটা ঘরের বের হল এবং বিড়ালের চাটি খেয়ে অজ্ঞান হল! বিড়াল তাকেও বস্তায় ভরে বেঞ্চির নিচে রাখল। এবার বেঞ্চির উপর বসে মহাসুখে আরও মোলায়েম কণ্ঠে গান ধরলো।
ছেলেটাও ফিরে আসছে না দেখে ওদের সবাইকে তাড়িয়ে ঘরে আনার জন্যে আর কি এমন আহামরি কাণ্ড হচ্ছে তা দেখার জন্যে শিয়ালী এবার নিজেই ঘরের বাইরে পা রাখলো। অন্ধকারে সে কিছু বুঝে ওঠার আগেই বনবিড়ালের প্রচণ্ড এক ঘুষির আঘাতে জ্ঞান হারাল! বিড়াল তাকেও বস্তায় ভরে বেঞ্চির নিচে রাখলো।
এবার বিড়াল শিয়ালীর ঘরে ঢুকে তার বন্ধু মোরগের পায়ের বাঁধন খুলে দিল এবং শিয়ালীর ঘরের সব মালামাল তুলে নিয়ে নিজের বাড়ির দিকে রওনা দিল।
এরপর মোরগ ও বিড়াল দু'বন্ধুতে পরম সুখে সেই বনে বসবাস করতে লাগলো।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গদি লইড়া যাইতেসে রে.... :)

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:২০


নিয়াজ স্যার জানেন কিনা জানি না, তবে ছাত্রদলের সেই বিখ্যাত স্লোগান: "নীলক্ষেতের ভিসি আপনি"—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের করিডোরে যতবার প্রতিধ্বনিত হয়েছে, ততবারই সাধারণ মানুষ চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে চেয়েছে যে ছাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোজা ও আধুনিক স্বাস্থ্য বিজ্ঞান; কিছু কথা, কিছু অনুভূতি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩৭

রোজা ও আধুনিক স্বাস্থ্য বিজ্ঞান; কিছু কথা, কিছু অনুভূতি

ছবি সংগৃহিত।

অংশ ১: ভূমিকা এবং রোজার মূল উদ্দেশ্য

ইসলাম কোনো আংশিক বা বিচ্ছিন্ন জীবনদর্শন নয়। বরং এটি মানবজীবনের প্রতিটি স্তরের জন্য একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের বিজয় খুব দরকার ...

লিখেছেন অপলক , ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৩৪



বিগত সরকারগুলো যে পরিমান ক্ষয়ক্ষতি করে গেছে, তা পুষিয়ে নিতে ১০টা বছর যোগ্য এবং শিক্ষিত শ্রেনীর হাতে সরকার ব্যবস্থা থাকা খুব জরুরী। গোমূর্খ চাঁদাবাজ আর নারী লিপ্সুদের ভীড়ে জামায়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন পলিটিক্স পছন্দ করি না সেটা বলি।

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:১৩

আমি পলিটিক্স এবং পলিটিশিয়ান পছন্দ পারি না। কোন দলের প্রতিই আমার আলগা মোহ কাজ করেনা। "দলকানা" "দলদাস" ইত্যাদি গুণাবলী তাই আমার খুবই চোখে লাগে।

কেন পলিটিক্স পছন্দ করি না সেটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভোট ডাকাতদের বয়কট করুন

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৩


আহা, বাংলাদেশের রাজনীতি যেন একটা অদ্ভুত সার্কাস, যেখানে ক্লাউনরা নিজেদেরকে জান্নাতের টিকিটের এক্সক্লুসিভ ডিলার বলে দাবি করে, কিন্তু পকেট ভরে টাকা নিয়ে ভোটের বাজারে ডাকাতি চালায়। জামায়াতে ইসলামীর মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×